
সংবাদ মূলত কাব্য: পর্ব ৪২
‘পিকনিক হয়েছিল একবার। বোধ করি, ওই সাংবাদিক ইউনিয়নটির আয়োজনে। জলযানে, স্টিমারে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার পর্যন্ত যাওয়ার ওই স্টিমারে কলকাতার সব ক’টি সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা যোগ দিয়েছিলেন।’

‘পিকনিক হয়েছিল একবার। বোধ করি, ওই সাংবাদিক ইউনিয়নটির আয়োজনে। জলযানে, স্টিমারে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার পর্যন্ত যাওয়ার ওই স্টিমারে কলকাতার সব ক’টি সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা যোগ দিয়েছিলেন।’

মামু চলে গেছেন, সে-ও বছর চোদ্দ হল। বাবা-মা-ও নেই আর। আমার মধ্যে থেকে আঁকার ইচ্ছের মতো ওঁরাও একে-একে মিলিয়ে গেছেন। তবু, আজও কখনও যখন লেক গার্ডেন্সের বাড়িটায় যাই, গানের ঘরে ঢুকি, একবার অন্তত চোখ তুলে দেওয়ালে টাঙানো নিজেরই আঁকা ওই ছবিটার দিকে তাকাই।

এই দিনটা বড় অদ্ভুত লামিন। তোমার সাফল্যে আমি হাততালি দিয়েছি— ইউরো, ওই ঝলমল করে ওঠা তোমার বাঁ-পা, ফ্রান্স-ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আমার প্রাণপ্রিয় বার্সেলোনায় ১০ নম্বর জার্সি তুমি কাঁধে তুলে নিয়েছ তোমারই যোগ্যতায়।

একরাতে এপি-র খবর এল, পিকিংয়ে( বেজিং) তিয়েন আন মেন স্কোয়ারে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের জমায়েতে চিনা পুলিশ গুলি চালিয়ে দিয়েছে। বহু হতাহত। স্টপ প্রেসের বদলে রানিং চেঞ্জের বার্তা পাঠালেন নন্দদা ছাপাখানায়।

‘আমার মায়ের নিজের মা ছিল না, মাতৃহারা হয়েছিলেন শৈশবে। আমার মা তখন দাদামশায়ের আরেক-ভাই, মানে মায়ের কাকার বাড়িতে বড় হন। আমার দাদামশাই আবার বিয়ে করেন, উনি মায়ের সৎ মা।’

বন্ধুদের সঙ্গে হঠাৎ একদিন বেড়িয়ে পড়া শান্তিনিকেতনের উদ্দেশে। এই হঠাৎ ছুটির মেজাজেই এই গানটি তৈরি। কোনও পরিকল্পনা ছাড়া আচমকা বেড়াতে যাওয়ার আনন্দই এই গানের নেপথ্যের আসল গল্প।

‘ঠাকুর্মা মেয়ে সন্তানদের তুলনায় ছেলে সন্তানদের বেশি খাতির করছেন। নাতনিদের চেয়ে নাতিদের খাতির বেশি! এটা তো সবসময়েই দেখেছি। মাছের লেজাটা, ছোট টুকরোগুলো সব মেয়েদের। টানাটানির সংসার হলেও, আম আসত ঝুড়ি ভরা, পচা-টচা দাগি আমগুলো মেয়েদের।’

‘ওরা আমাদের কয়েকজনকে, ওদের ড্রেজারে নিয়ে গিয়েছিল। যেখানে গঙ্গা থেকে পলিমাটি তোলা হয়। পাহাড়ের কাছে বেঁধে রাখা অন্য একটা জাহাজ থেকে সেই পলিমাটি ঠেলে পাঠানো হতো সল্টলেকে। খাল বরাবর লালরঙের লোহার মোটা পাইপ, খাল বরাবর সল্টলেকের জলাভূমিতে গিয়ে পড়ত।’

‘‘পুরনো বই কিনলে, প্রথম কাজটি ছিল, পুরনো মালিকের নামটি নিষ্ঠুরভাবে ধ্বংস করা। একটা কাগজে, নিজের নামটি লিখে, আঠা দিয়ে কাগজটি সাঁটিয়ে দেওয়া। পুরনো বইয়ে যদি এই ধরনের ‘নাম-খেলা’ হয়েই থাকে, সেগুলো তো কাটা যায় না, বইটা নোংরা হয়ে যাবে।’’

‘‘বাবা নিজে স্কুলের শিক্ষক হয়েও, এটা বুঝতে পারলেন না যে— বেশি ভালর দঙ্গলে, আমি হারিয়ে যেতে পারি! ‘অতি বেশি ভাল’র দলে, আমার মতো ‘অত ভাল নয়’, মোটেই পাত্তা পাবো না।’’

‘আমাদের স্কুলব্যাগ বলে কিছু ছিল না। বইপত্র নিতাম হাতে। আমার বাবার আমলে নাকি একটা চটের ব্যাগে ভরে একটা বসার আসন, স্লেট, খড়ি বই নিয়ে পাঠশালায় যেতে হত। এই চটের ব্যাগটাকে বলা হত, দপ্তর।’

আপনারা তো কালীঘাট মানেই কয়লা, বালি, চাকরি এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ চুরির কথা ভাবেন, কিন্তু মনুকা ছিল ভিন্ন গোত্রের চোর। মনুকা কী চুরি করত জানেন, পাঁঠার মাথা! এটাতেই ওর স্পেশালাইজেশন। পালা-পার্বণে কালীঘাট মন্দিরে অসংখ্য পাঁঠা বলি হত।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.