
অলিগলির কালীঘাট: পর্ব ১০
‘টুকরে খেলত না, আমাদের সঙ্গে সঙ্গেই ঘুর-ঘুর করত। খুব কম কথা বলত। কিন্তু কোনও দিনই জানতে পারিনি ওর মধ্যে এত রাগ, এত তেজ জমে ছিল।’

‘টুকরে খেলত না, আমাদের সঙ্গে সঙ্গেই ঘুর-ঘুর করত। খুব কম কথা বলত। কিন্তু কোনও দিনই জানতে পারিনি ওর মধ্যে এত রাগ, এত তেজ জমে ছিল।’

‘বিছের কামড়ের জন্য নানাবিধ টোটকা প্রচলিত ছিল। যেমন পেঁয়াজের রসের প্রলেপ দেওয়া, হিং আর মধুর প্রলেপ দেওয়া ইত্যাদি। বড়দের কামড়ালে সরষে-পরিমাণ আফিম খাইয়ে দেওয়া হত। তখন আফিমের দোকান ছিল। অনেকে আফিমের নেশা করত।’

একটি ধানের শীষের ওপর…অনেকগুলো পাহাড়বিন্দু। পাহাড়বিন্দু, না কি আলোকবিন্দু? দার্জিলিং-মায়ায় সব ধূসর রঙিন হয়ে ওঠে। যেন আলো হয়ে জ্বলে ওঠা স্রোত… বন্ধুতা, স্মৃতি সবই শৈলশহরে মিলেমিশে একাকার…

প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ বইটির কবিতাগুলি নিয়ে বেশ বুঝিয়েছিলেন, আমাকে আপন পথটি বেছে নিতে হবে। নানা ধরনের ব্যাপারে আমাকে সতর্কই করেছিলেন তিনি। তাঁর এসব কথা আমার দারুণ লেগেছিল। সে-সময়ে বিস্তর ভেবেছি।
সংবাদ মূলত কাব্য। পর্ব ২০

‘‘ভারতের বেশিরভাগ অংশ ‘সনাতন’ ধর্মে ছেয়ে গেলেও, বাঙালির কাছে দুর্গা পুজো আজও উৎসব। নিয়মের কোনও কড়াকড়ি নয়— বরং নিয়ম ভাঙারই সময় এই ক’দিন।’’
দুর্গাপুজোর স্মৃতি-বিস্মৃতি, আধুনিকতা নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

‘জানা গেল মাটির তলা দিয়ে ট্রেন যাবে, তারই প্রস্তুতি শুরু হবে। বলে কী! আমার ছোট্ট ব্রেনে নানারকম প্রশ্ন উদিত হতে থাকল। দিব্যি মাটির ওপর দিয়ে লোকজন যাচ্ছে, বাস-ট্রাম দৌড়চ্ছে, বাবা অফিস যাচ্ছে সেইসব চড়ে, তা হলে খামখা মাটির তলা দিয়ে ট্রেন যাবে কেন? কী করেই-বা?’

‘‘হয়তো আমি না, ওই সময় আমাকে দিয়ে বলিয়ে নিল, ‘না মৌলবিছাব, আপনের লগে গেলে মুসলমানেরা আমারে কাইট্যা ফালাইব।’ মৌলবিসাব স্তব্ধ, সমস্ত ক্লাসও স্তব্ধ। কয়েক সেকেন্ড পরে মৌলবিসাব দু-চোখ বিস্ফারিত করে বললেন, ‘তুই আমারে এত বড় একটা কথা কইলি বাবা!’’

‘জীবন যখন বারেবারে জীবনবিজ্ঞান বইয়ের পাতা খুলে মনে করিয়ে দিতে চাইছে, মানুষ আসলে, কোষ-কলার সমষ্টি, তাই মানুষ মরণশীল। ঠিক তখনই, একেবারে মোক্ষম সময়ে গ্যালিয়ানো সাহেবের সেই প্রথম চুমু আর ওয়াইনের দ্বিতীয় পেয়ালা হয়ে এলেন মেসি।’

‘ছাই রঙের এক চোখজ্বালানিয়া ধোঁয়া আমাদের উঠোন পার করে চলে যেত দূর-দূরান্তে। কখনও সকালে, কখনও সন্ধের মুখে। তার সঙ্গে মিশে যেত দূর কোনও কারখানার সাইরেনের আওয়াজ বা পাশের বাড়ির শাঁখ।’
‘হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল’। পর্ব ৪৪…

‘কলকাতা বেতারের (২৬ আগস্ট) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণের (৪ আগস্ট) জন্মমাস একই। হয়তো বেতারে কাজ করার একটা বাড়তি গৌরব নিয়েই বীরেন্দ্রকৃষ্ণ লিখে ফেলেছিলেন এই জমাটি নাটক। যে-নাটকে সংলাপের গাঁটে-গাঁটে রস উথলে উঠছে, সেই নাটক জমে যাবেই!…’ বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রর জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘জীবনে আড্ডার জন্য কলকাতার শিরা-উপশিরা। মফস্সলের মুখ-পেট-নাভি। বর্ধমান, আসানসোল, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার হয়ে প্রায় তিব্বত অবধি যত পথ হেঁটেছি (ও দৌড়েছি), তা জুটলে হিউয়েন সাংকে চ্যালেঞ্জও করতে পারতাম। তবে যে ক’টা জায়গায় সবচেয়ে বেশি আড্ডা মেরেছি, তার মধ্যে অন্যতম হল এই ২৯ সি।’

‘ওপরে তাকালে এক শূন্য দৃষ্টি। ছেলেমেয়েরা এই চাপ থেকে পরিত্রাণ পেতে এক অদ্ভুত নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। ইস্কুলে লুকিয়ে চলে আসছে এক ট্যাবলেট-হ্যাপি পিল। খেলে মন তুরীয়ানন্দ আর চাপমুক্ত। সেই ট্যাবলেটের রেশ কমে যেতেই এক হতাশাবোধ, যুদ্ধে হারের গ্লানি।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.