শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৪

‘উড়ন্ত সে-সীমা থেকে আরও কিছু দূরে গেলে টিলা।/ নীচে যে-শহর, তা আসলে আংটি। শয়তানের হাতে।/ আলো ও শব্দের মধ্যে যুবতীরা সহজ টাকিলা…/ নেশার নিকষ ডানা, উড়ে যাবে কাল, সুপ্রভাতে।’

Representative Image

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল : পর্ব ৫০

‘ওই চারচৌকো ঘরই আমাদের রংমহল হয়ে উঠল। মজলিসের জন্যে যে বৈভব লাগে না, লাগে ভালবাসা, সেটা ভাগ্যিস আমরা ওই বয়সেই বুঝতে পেরেছিলাম!’

Representative Image

দূরপাল্লা: পর্ব ৪৪

পানভোজন থেকে গানভোজন— সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাটানো আশ্চর্য এক রাত, যেখানে কবিতা আছে, সুনীলের উদাত্ত কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের গান আছে, আছে চিতল মাছ ভাজা! সব পেরিয়ে, ভোরে উঠে হাতির পিঠে চেপে গণ্ডার দেখতে যাওয়ার তাড়া…

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল : পর্ব ৪৯

‘‘আদৌ যে বড় হয়ে কিছু একটা হতে হয় সকলকে, সেটাই জানা নেই তখন। অনেকেই আঁকার খাতা দেখে বলছেন, ‘এ নির্ঘাত আঁকিয়ে হবে, মিলিয়ে নিও!’ কিন্তু সেসবও আমার মাথায় নেই। আঁকছি তো অনাবিল আনন্দ পাচ্ছি বলে, কিছু হওয়ার জন্য তো নয়।’’

Representative Image

কবির সঙ্গে দেখা: পর্ব ৬২

বাংলা কবিতার এক অবিস্মরণীয় স্বর, কবি পিনাকী ঠাকুর। তাঁকে অকালে হারিয়েছে বাংলা-কবিতা জগত। কিন্তু এমনই দৃপ্ত তাঁর স্বর, পাঠক হিসেবে বারবার ফিরে আসতে হয় তাঁর কবিতার কাছে!

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৩

‘পরিক্রমা শেষ হলে মন ফেরে বিছানার কাছে/ শরীর তখন ঘুমে অচেতন। শিয়রে ঘড়িটি/ সাক্ষী থাকে ভ্রমণের, কাঁটা জ্বলে মুহূর্তের আঁচে…/ প্রতিটি মৃত্যুই জেনো নতুন ঘুমের জন্মতিথি।’

Representative Image

দূরপাল্লা: পর্ব ৪৩

খ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশপাথর! গালিব থেকে ভ্যান গঘ হয়ে রবীন্দ্রনাথ— অলিগলি পেরিয়ে কত স্মৃতি জুড়ে থাকে, কবির আবাসের ইঁট-কাঠ-পাথর! গুটি-গুটি পায়ে এগিয়ে যাওয়া কবির সময়ে, কবির যাপনে…

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল : পর্ব ৪৮

‘সে-রাতে, যতদূর মনে পড়ছে, উস্তাদ আশিস খানের সরোদের সঙ্গে বাজাবেন উস্তাদ জাকির হুসেন। জাকিরজি-কে ততদিনে বেশ কিছু আসরে সামনে ব’সে শোনার সৌভাগ্য হয়েছে, আশিস খানের বাজনা তখনও শুনিনি। এই দু’জন জোট বাঁধলে ধুন্ধুমার কাণ্ড হবেই নির্ঘাত! তাই ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’

Representative Image

কবির সঙ্গে দেখা: পর্ব ৬১

কাকে বলে অনুবাদ? কবিতার অনুবাদের ক্ষেত্রে সেই সংজ্ঞা কেমন হয়? মূল কবির থেকে অনুবাদকের সত্তাই কি বড় হয়ে ওঠে?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরলস প্রয়াসে আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছিল রুশ কবিতার অনুবাদ। এবারের পর্বে, সুনীল-অনুদিত রুশ কবিতা…

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল: পর্ব ৪৭

‘ভাস্কর স্যার ও-পথে কখনও যাননি। তাঁর মোক্ষম অস্ত্র ছিল একটিই। শ্লেষ। পড়া না পারলে, ভুলভাল উত্তর দিলে, বা হোমটাস্ক না করে এলে বকুনি বা মারধর, কোনওটাই তাঁর ধরন ছিল না। বরং এমন একখানি বাক্যবাণ ছুড়ে দিতেন, শুনে মনে হত এর চেয়ে নিল ডাউন করিয়ে রাখলে ভাল হত।’

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫২

‘যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পাখিগুলি বেঁচে ফিরে আসে।/ বইয়ের দোকানগুলি ধূলিসাৎ, চূর্ণ লাইব্রেরি…/ রুটির পুরনো গন্ধ লেগে আছে দেওয়ালে ও ঘাসে/ কত ধ্বংস পার হয়ে এ-শহর ফের পাখিদেরই।’

Representative Image

দূরপাল্লা: পর্ব ৪২

ঝলমলে শহরে, কোনও এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। দেখা হয়ে যায় তারুণ্যের সঙ্গে। সেই দেখাটুকু যে কোনওদিন চিরতরে অতীত হয়ে যাবে, সে-কথা স্বপ্নেও কল্পনা করা যায় না। দূরপাল্লা নামটুকুতে দূরের হাতছানি থাকলেও, কিছু বন্ধু-আবেশে তা বড় কাছের ভ্রমণ হয়ে থাকে। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের সেই বন্ধু…