
যাপিত শিল্পীজীবন
কলাভবনে তাঁর ছাত্রছাত্রীদের জন্য তিনি অনেকটা সময় ব্যয় করতেন। এবং তাদের নতুন পথের দিশা দেখাতেন। যোগেনদার ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত এবং সেই প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে তাঁর স্মরণীয় অবদান আছে।

কলাভবনে তাঁর ছাত্রছাত্রীদের জন্য তিনি অনেকটা সময় ব্যয় করতেন। এবং তাদের নতুন পথের দিশা দেখাতেন। যোগেনদার ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত এবং সেই প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে তাঁর স্মরণীয় অবদান আছে।

‘চতুর্থীর দিন সকালে যোগেনদার ফোন, ‘একটা চেষ্টা করলাম৷ এসে দেখো তো কাজের হল কি না!’ দৌড়ে গিয়ে দেখি এক আজব দৃশ্য। ভেবেছিলাম বুঝি দশ মহাবিদ্যা বা দশাবতার আঁকবেন উনি। দেখি এঁকেছেন ফোলিয়েজ। ফুল-লতাপাতার এক জড়ানো লাউমাচা।’

‘বড় ছবিকে খাতায় ছোট স্কেচ করে রাখতেন, তারপরে সেখান থেকে বাছাই করে বড় ছবি হত। আবার সেই বড় ছবিগুলোকে খাতায় নোট করে রাখতেন, সেটারও একটা ছবি এঁকে। কোনওদিনও ফোটোগ্রাফির ব্যবহার করেননি। ওইভাবে কাজের দলিল করে রেখেছেন।’

যোগেনদা দীর্ঘজীবনের সিংহভাগটাই কাটিয়েছেন শিল্প ও শিল্পীর স্বার্থে। সব সময় চেষ্টা করতেন, কীভাবে মানুষকে শিল্প-অভিমুখী করা যায়। ওঁর তৈরি করা ‘চারুবাসনা’-য় নানা ধরনের অনুষ্ঠান হত। সেই সব উদ্যোগই ছিল সমাজ ও শিল্পকে একাত্ম করার প্রয়াস।

যোগেন চৌধুরী ’৪৭ সালে প্রথম উদ্বাস্তু হয়ে শহীদনগরে এসে উঠেছিলেন। যোগেনদা ছিলেন জমিদার পরিবারের সন্তান। তাঁর মধ্যে উদ্বাস্তুজীবনের দারিদ্র্য যেমন ছিল, তেমনই ছিল প্রখর শিল্পবোধ।

তাঁর বিষয়গুলো খুব সহজ, খুব সাধারণ, কিন্তু তাঁর প্রকাশভঙ্গি ছিল মৌলিক, অভিনব। এমন বিষয় তিনি বেছে নিতেন, যা সকলের হৃদয় অবলীলায় ছুঁয়ে যেত। তাঁর তুলির টান ছিল ‘ফ্রি ফ্লো’-এর মতো, যেন কোনও শিশু হাতে তুলি ধরেছে।

রবীন্দ্রসংগীতের সেই একমেবাদ্বিতীয়ম ব্রাত্যজনকেই যে গুরু বলে মেনেছিলেন বিভা! তাঁর রুদ্ধসংগীত অনিরুদ্ধ হয়েছিল ছাত্রী বিভার গলায়, কিন্তু সামনের সারিতে আসেনি সেভাবে।

আমার অবাক লাগে ভাবলে, পাঞ্জাবি, হিন্দি, উর্দু-ঘেঁষা এক সংগীত-দুনিয়ায় বাংলার সুরগুলো শচীন দেব বর্মণ কী অবলীলায়, কী স্মার্টনেসের সঙ্গে ব্যবহার করে গেলেন!

‘বিশ্বভারতী সংগীত সমিতি তাঁর গান রেকর্ড করার ক্ষেত্রে কোনও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। দেবব্রত গান রেকর্ড করা বন্ধ করেছিলেন সংগীত সমিতির আধিপত্যবাদের প্রতিবাদে এবং ওঁরই অনুজ একাধিক গাইয়ের প্রতি গভীর অভিমানে। এ যেন এক দীক্ষিত শিল্পীর সত্যাগ্রহ।’

হয়তো কিউরেশন শেষ পর্যন্ত শিল্পকর্মকে সংরক্ষণের শিল্প, কিন্তু এটি শিল্পকেন্দ্রিকতার প্রথম পাঠও বটে, যা সম্পর্ক, সংঘাত, ভুল বোঝাবুঝি এবং অবশ্যই, কথোপকথনকে শিল্পের স্তরে উন্নীত করে। এক্সপেরিমেন্টারের কিউরেটরস হাব প্রসঙ্গে বিশেষ নিবন্ধ।

‘একটা সময়ে সিল্কস্ক্রিন পদ্ধতিতে ছাপা হত ‘আর্টডাস্ট’, সুতরাং তা ছিল বেশ খরচসাপেক্ষ। প্রতিলিপিকরণ প্রযুক্তি আসবার পরে খরচ কমে, ফলে আরও বেশি সংখ্যায় ছাপা হতে থাকে ‘আর্টডাস্ট’। কিন্তু কখনওই সংখ্যাধিক্যের কারণে ‘আর্টডাস্ট’-এর সীমিত সংস্করণের ট্যাগ খুলে দেননি তার অজ্ঞাতনামা প্রকাশকেরা।’

‘‘‘কৃতি’ আর ‘ফেব্লওয়ার্কস’-এর সৌজন্যে এই ধারাবাহিকের আমেজ ফিরে আসবে আবার। তাঁদের ‘রংমশাল’ শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। ‘জি ডি বিড়লা সভাঘর’-এ ‘গানের ওপারে’-র বিভিন্ন গান ও মুহূর্ত ধরে রাখা হবে আজকের সন্ধ্যায়।’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.