
দেখা-না দেখার জগৎ
‘স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলা তথা সমগ্র ভারতে, গণেশ পাইন একজন অবিস্মরণীয় শিল্পী। ছয়ের দশক পরবর্তী চিত্রকলায়, তাঁর প্রধান অবদান এই যে— ছবিতে তিনি ঐতিহ্য অন্বিত একদেশীয় আত্মপরিচয় সন্ধান করেছিলেন।’

‘স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলা তথা সমগ্র ভারতে, গণেশ পাইন একজন অবিস্মরণীয় শিল্পী। ছয়ের দশক পরবর্তী চিত্রকলায়, তাঁর প্রধান অবদান এই যে— ছবিতে তিনি ঐতিহ্য অন্বিত একদেশীয় আত্মপরিচয় সন্ধান করেছিলেন।’

সিঙ্গল্স-এর মধ্যে অনেকগুলো গানের একসঙ্গে হেরে যাওয়ার ভয় নেই। এই তুলনাটা করা যায়, রেসের মাঠে যাওয়া মানুষের সঙ্গে। যারা বারবার হেরে যাওয়ার পরেও মাঠে যায়, তাদের সঙ্গে পার্থক্যটা এখানেই, সিঙ্গল্স একবারের তুক্কা খেলা। একবার বিফল হলে আবার নতুন করে তার সূচনা, শুরু থেকে।

আশা ভোঁসলে বিশেষ করে মেয়েদের স্বাধীন ইচ্ছের কণ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। সোজা কথায় বলতে গেলে মেয়েদের কন্ঠে কোনও আড়ষ্টতা ছাড়াই ‘সেন্সুয়াস’ ব্যাপারটাকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। আর বুঝিয়েছিলেন, এই অনুভূতিটা প্রকাশ করার মধ্যে কোনও লজ্জা বা সংকোচ নেই। আবার অনেক সময়ে অভিনেত্রীরাও ওঁর গায়কী অনুযায়ী নিজেদের অভিনয়কে চালিত করতেন।

ভাঙন-প্রবণতা ও প্রতিবাদী চেতনাই হয়ে উঠেছে তাঁর সৃজনের উৎস। সেই উদ্দামতা থেকেই তিনি বারবার ভেঙেছেন। বিংশ শতকের প্রথম তিনটি দশকে আধুনিক ও আধুনিকতাবাদী পাশ্চাত্য শিল্পের আঙ্গিকগত বিপ্লবে পিকাসোর যে অবদান, এর সমান্তরাল কোনও কিছু ইউরোপে বা সারা বিশ্বে ঘটেছে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।

‘‘গ্রন্থের শিরোনাম ‘পটে লিখা’, তার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যঞ্জনাময় সাব-টাইটেল— ‘রূপ, অরূপ আর স্মৃতির কথন’, লেখক মনসিজ মজুমদার। গ্রন্থনাম আর গ্রন্থকার একত্রে এই বইয়ের অন্দরমহল জুড়ে মুহূর্তে বিপুল আগ্রহ তৈরি করে দিল। সে বইখানা নিয়েই আজ দু’-চার কথা, না একে গম্ভীর শব্দবন্ধে গ্রন্থসমালোচনা কখনওই বলা চলে না। এ যেন চায়ের পেয়ালা হাতে শিল্পিত অবসর যাপন।’’

‘‘এই প্রদর্শনীতে পুরাণ ও বিভিন্ন দেবদেবীর ছবিসমূহ যেমন এসেছে, তেমনই এসেছে লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানও। টেম্পেরা মাধম্যে অঙ্কিত ‘কালীনাচ’ শীর্ষক ছবিটির এঁর অন্যতম উদাহরণ; এই ছবিতে বিভিন্ন জনমানসের সমাগমে বহুরূপী সেজে কালীকথার প্রদর্শন হচ্ছে। এছাড়াও প্রদর্শিত হয়েছে ‘বর বরণে’ শীর্ষক ছবি।’’

‘ভারতের একমাত্র শিল্পী, যিনি একসঙ্গে দু’টি কণ্ঠে ধ্রুপদী সংগীত গাইতে পারতেন— তাঁর নাম অনাথনাথ বসু। মহিলাকণ্ঠে ঠুমরি গাইতেন, পুরুষকণ্ঠে গাইতেন খেয়াল।’

‘আজ আমরা যে রবীন্দ্রসংগীতকে কেবল কৃত্রিম শিল্পচর্চার স্বরলিপি গ্রন্থ বলে গ্রহণ করি না, জীবনচর্চার গায়ত্রীরূপে গ্রহণ করি, সেই শিক্ষা দিনেন্দ্রনাথের।’

‘সুধীন দাশগুপ্ত এবং সলিল চৌধুরী, জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের সংগীত জীবনের দু’টি ‘কী নোট’। সুধীন দাশগুপ্তর সুর-সৃষ্টির সমগ্র প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে গিয়েছিলেন জটিলেশ্বর। গুরুর প্রভাব তাঁর গানে যে বিশেষ মাত্রা এনে দিয়েছিল তা বলাই বাহুল্য।’

‘আমাদের দেশের আরও বহু শিল্পী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছেছেন তাঁদের নিজেদের ক্ষমতায় এবং যোগ্যতায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারতীয় সংগীতকে সফলভাবে পৌঁছে দিয়েছেন প্রথমে উদয়শঙ্কর এবং তারপরে আরও বিস্তৃত পরিসরে রবিশঙ্কর।’

‘‘প্রদর্শনীর নাম ‘ক্রাফট অফ কমিক্স’। ভারত জুড়ে, সমসাময়িক কমিক্স শিল্পীরা তাঁদের সৃষ্টি ও ভাবনা তুলে ধরার জন্য কী কী পদ্ধতি অবলম্বন করছেন বা কীভাবে নিজেদের দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারছেন, সেটাই দেখার চেষ্টা। অর্থাৎ, এই প্রদর্শনীতে দর্শকরা শুধু বিভিন্ন সমসাময়িক শিল্পীর কাজ দেখতে পারবেন, তা-ই নয়— তাঁদের সৃজনশীল প্রক্রিয়াটাও নিজেদের মতো করে বুঝে নিতে পারবেন।’’

‘ক্ষুধার আর একটি রেখাচিত্র তিনি এঁকেছিলেন ৬.৪.১৯৪৬ তারিখে। মাঝখানে শীর্ণ নদী। ওপাশে বনে পিকনিক করছে ধনী ও সম্ভ্রান্ত ছেলেমেয়েরা। এপারে কয়েকটি ক্ষুধার্ত শিশু করুণ শরীরে তাকিয়ে আছে সেদিকে। এই হলেন নন্দলাল, যিনি আদর্শ ও বাস্তবকে মিলিয়েছিলেন তাঁর শিল্পযাত্রায়।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.