সঙ্গীত

দেবজ্যোতি মিশ্র

চিরন্তন সুরের খোঁজ

আমার অবাক লাগে ভাবলে, পাঞ্জাবি, হিন্দি, উর্দু-ঘেঁষা এক সংগীত-দুনিয়ায় বাংলার সুরগুলো শচীন দেব বর্মণ কী অবলীলায়, কী স্মার্টনেসের সঙ্গে ব্যবহার করে গেলেন‌!

শৈবাল বসু

দীক্ষিত শিল্পীর সত্যাগ্রহ

‘বিশ্বভারতী সংগীত সমিতি তাঁর গান রেকর্ড করার ক্ষেত্রে কোনও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। দেবব্রত গান রেকর্ড করা বন্ধ করেছিলেন সংগীত সমিতির আধিপত্যবাদের প্রতিবাদে এবং ওঁরই অনুজ একাধিক গাইয়ের প্রতি গভীর অভিমানে। এ যেন এক দীক্ষিত শিল্পীর সত্যাগ্রহ।’

Representative Image
ডাকবাংলা.কম

গানের ওপারে: ফিরে দেখা

‘‘‘কৃতি’ আর ‘ফেব্‌লওয়ার্কস’-এর সৌজন্যে এই ধারাবাহিকের আমেজ ফিরে আসবে আবার। তাঁদের ‘রংমশাল’ শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। ‘জি ডি বিড়লা সভাঘর’-এ ‘গানের ওপারে’-র বিভিন্ন গান ও মুহূর্ত ধরে রাখা হবে আজকের সন্ধ্যায়।’’

ডাকবাংলা.কম

রংমশাল

‘কৃতি’ এবং ‘ফেবলওয়ার্কস’ আয়োজিত ‘রংমশাল’ সার্থকনামা। তিনদিনব্যাপী এই কার্নিভালে তিনরকমের তিনটি অনুষ্ঠান এসে এক মোহনায় মিলে যাচ্ছে যেন। ঋতুপর্ণ ঘোষ থেকে গুরু দত্ত, গীতা দত্ত থেকে রবীন্দ্রনাথ— এসে মিলেমিশে যাবে এই তিনদিনে।

ভাস্কর মজুমদার

সুরসম্রাজ্ঞী

কেশরবাঈ কেরকর যদি না থাকতেন, তাঁর সমসাময়িক এবং পরের প্রজন্মের নারীরা হয়তো শাস্ত্রীয় সংগীতে এগিয়ে আসতে পারতেন না। তওয়াইফ থেকে পেশাদার সংগীতশিল্পীতে পরিণত হওয়ার প্রতিটি নারীর যে যাত্রা, তা অনেক সহজ হয়ে গেছিল কেশরবাঈ কেরকরের সাফল্যের কারণে।

দেবজ্যোতি মিশ্র

সিঙ্গল : পর্ব ১

সিঙ্গল্‌স-এর মধ্যে অনেকগুলো গানের একসঙ্গে হেরে যাওয়ার ভয় নেই। এই তুলনাটা করা যায়, রেসের মাঠে যাওয়া মানুষের সঙ্গে। যারা বারবার হেরে যাওয়ার পরেও মাঠে যায়, তাদের সঙ্গে পার্থক্যটা এখানেই, সিঙ্গল্‌স একবারের তুক্কা খেলা। একবার বিফল হলে আবার নতুন করে তার সূচনা, শুরু থেকে।

শান্তনু মৈত্র

ছক ভাঙার কণ্ঠ

আশা ভোঁসলে বিশেষ করে মেয়েদের স্বাধীন ইচ্ছের কণ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। সোজা কথায় বলতে গেলে মেয়েদের কন্ঠে কোনও আড়ষ্টতা ছাড়াই ‘সেন্সুয়াস’ ব্যাপারটাকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। আর বুঝিয়েছিলেন, এই অনুভূতিটা প্রকাশ করার মধ্যে কোনও লজ্জা বা সংকোচ নেই। আবার অনেক সময়ে অভিনেত্রীরাও ওঁর গায়কী অনুযায়ী নিজেদের অভিনয়কে চালিত করতেন।

Representative Image
সর্বানন্দ চৌধুরী

সাক্ষাৎকার: গোবিন্দ বসু

‘ভারতের একমাত্র শিল্পী, যিনি একসঙ্গে দু’টি কণ্ঠে ধ্রুপদী সংগীত গাইতে পারতেন— তাঁর নাম অনাথনাথ বসু। মহিলাকণ্ঠে ঠুমরি গাইতেন, পুরুষকণ্ঠে গাইতেন খেয়াল।’

Dinendranath Tagore
ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়

উৎসবরাজ

‘আজ আমরা যে রবীন্দ্রসংগীতকে কেবল কৃত্রিম শিল্পচর্চার স্বরলিপি গ্রন্থ বলে গ্রহণ করি না, জীবনচর্চার গায়ত্রীরূপে গ্রহণ করি, সেই শিক্ষা দিনেন্দ্রনাথের।’

Jatileshwar Mukherjee
ঋতচেতা গোস্বামী

সুর ও সাধনা

‘সুধীন দাশগুপ্ত এবং সলিল চৌধুরী, জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের সংগীত জীবনের দু’টি ‘কী নোট’। সুধীন দাশগুপ্তর সুর-সৃষ্টির সমগ্র প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে গিয়েছিলেন জটিলেশ্বর। গুরুর প্রভাব তাঁর গানে যে  বিশেষ মাত্রা এনে দিয়েছিল তা বলাই বাহুল্য।’

Pandit Ravishankar
রাজীব চক্রবর্তী

ধ্বনিমুদ্রণে বিশ্বপর্যটন

‘আমাদের দেশের আরও বহু শিল্পী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছেছেন তাঁদের নিজেদের ক্ষমতায় এবং যোগ্যতায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারতীয় সংগীতকে সফলভাবে পৌঁছে দিয়েছেন প্রথমে উদয়শঙ্কর এবং তারপরে আরও বিস্তৃত পরিসরে রবিশঙ্কর।’

ডাকবাংলা.কম

প্রসঙ্গ সলিল চৌধুরী

‘১৯৫৩ সালে গণনাট্যর বম্বে সম্মেলনে বাবার সঙ্গে এই নিয়ে ওঁর তর্কটা হয়। বাবার বক্তব্য ছিল, এই দেশের লোকের কাছে পৌঁছতে হলে লোকজ সুরকে মাধ্যম করা উচিত। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্কেস্ট্রেশনের বিপদ আছে। সলিলের তর্ক ছিল, তবে কি লোকোমোটিভের যুগে লোকে গরুর গাড়ি চড়বে?’