ডেটলাইন : পর্ব ৫৮

ঢাকার মানুষ বলেন, সিলেট তো বড়লোকের শহর। সত্যিই তাই! আসলে সিলেটের প্রায় প্রতিটি বাড়ির কেউ না-কেউ বিলেত-আমেরিকায় থাকে। বিশেষ করে, লন্ডনের পুবদিকের পাড়াগুলোতে ঘুরলে আপনার মনে হবে, একটুকরো সিলেট।

Bangladesh Sea Beach

ডেটলাইন: পর্ব ৫৭

আসল সমুদ্র দেখতে গেলে যেতে হবে কক্সবাজার। মানে কক্স সাহেবের বাজার। চট্টগ্রাম থেকে গাড়িতে ঘণ্টাচারেকের রাস্তা। পাহাড় আর সমুদ্র একসঙ্গে থাকলে সৈকতের সৌন্দর্য এমনিই বেড়ে যায়, আর যদি থাকে সবুজ অরণ্য, তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

ডেটলাইন: পর্ব ৫৬

২০০৮ সালে যে নাটোরে আমি গিয়েছিলাম ট্রাভেল শোয়ের শ্যুটিং-এ, তার সঙ্গে ২০২২ সালে ফের দেখা নাটোরের তফাত আকাশপাতাল বললেও কম বলা হয়। পরের বারের যাওয়াটা সরকারি আমন্ত্রণে, এপার বাংলার শিল্পী-বুদ্ধিজীবী-সাহিত্যিক দলের সফরসঙ্গী হয়ে।

ডেটলাইন: পর্ব ৫৫

এই বরিশাল শহরেই রয়েছে জীবনানন্দ দাশ সড়ক, যার আগে নাম ছিল বগুড়া রোড। তার ধারেই সর্বানন্দ ভবনে ১৯৪৬ সালে কলকাতা চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত থাকত জীবনানন্দের পরিবার। ঠাকুরদার নামে ছিল বাড়ির নাম। পরে মালিকানা বদল হলেও সেই বাড়ি পেল একেবারে জীবনানন্দীয় নাম ধানসিড়ি।

ডেটলাইন: পর্ব ৫৪

‘‘‘শিলাইদহ থেকে শান্তিনিকেতন’ তথ্যচিত্রের শুটিং-এ সাজাদপুরে পৌঁছে মনে হল, একটা ছোটগল্পের ভেতর ঢুকে পড়লাম। রবীন্দ্রনাথের প্রিয় ‘গল্পের দুপুরবেলা’ খুঁজে পেলাম দোতলার লাল মেঝের ঘরটার বড় জানালার শিকের ফাঁকে, যেখান থেকে নিচে তাকালে এখনও দেখা যায় একটা চৌকো চৌহদ্দি, পোস্ট-অফিসের স্মৃতি।’’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৫৩

‘পদ্মাকে কাছে ধরে রাখার ইচ্ছেতেই সম্ভবত কুঠিবাড়ির পাঁচিল ঢেউখেলানো। আম-জাম-কাঁঠালের ছায়াঘেরা, দু’টি পুকুর সমেত দোতলা জমিদারবাড়ি বেশ যত্ন করে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৫২

‘কে না জানে ব্যাঙ্কক কখনও ঘুমোয় না! হোটেল থেকে হাঁটাপথে দুটো গলি পরেই প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদনের এলাকা। সেখানে আসলে ক্যামেরা নিয়ে যাওয়ার মানে হয় না।’

ডেটলাইন: পর্ব ৫১

‘জীবৎকালে কম মানুষকে নিয়েই মিথ তৈরি হয়, তাও আবার বিদেশের মাটিতে। সাহেবরাই বলে নানা গল্প। অথচ এই তো সেদিন কে পি সি রং সাইডে গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন, এত কড়া ট্রাফিক আইন, কিন্তু যেই উনি কাচ নামিয়ে বললেন, ‘আই অ্যাম কে পি সি’, অমনি পুলিশ স্যালুট দিয়ে ছেড়ে দিল।’

ডেটলাইন: পর্ব ৫০

‘খবরে তো হরদম শুনি, স্কুলে, রেস্তরাঁয়, শপিং মলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে একরাশ লোক মেরে ফেলার খবর। বন্দুকবাজ ধরা পড়লেই বলা হয় সে নাকি মানসিক রোগী। বড়লোকের দেশটার সর্বস্তরে এত সাইকো থাকলে, রিহ্যাব কি কম পড়িয়াছে?’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৪৯

‘তবে কেউ যদি ভাবেন সাহেবদের দেশ বলেই ঝকঝকে তকতকে, ভুল করবেন। বেশ নোংরা, হয়তো এই মরুভূমির মাঝখানে যথেষ্ট সাফাইকর্মী পাওয়া যায় না বলে। এই ভেবে মনকে সান্ত্বনা দিলাম।’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৪৮

‘আমাদের দলে ছিল এক এক্সপার্ট ট্রাভেল ব্যবসায়ী, আগে বহুবার এসেছে ভেগাসে। সে দাবি করল, সে নাকি যতবারই ক্যাসিনোতে খেলেছে, ততবারই বিরাট টাকা জিতেছে। এরকম আমি আগে শুনেছি ভেগাস ফেরত লোকজনের মুখে, তাই বিশ্বাস করলাম না মোটেও।’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৪৭

‘সে যাকগে, আমরা ফাটাকেষ্ট, হাতকাটা ছোটন, শ্মশান স্বপন, এসব নাম শুনে অভ্যস্ত। ওইসব সাহেবি অপরাধীদের নাম শুনিনি কস্মিনকালেও।’