
রাষ্ট্রে নরকের ঋতু
ডিসটোপিয়া একধরনের আখ্যানবর্গের বিষয়, যেখানে কাল্পনিক ভবিষ্যৎ সমাজে মানুষ স্বৈরাচারী শাসক বা সরকার বা কোনও কর্পোরেশনের দমনমূলক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত অমানবিক, ভয়াবহভাবে মর্মান্তিক জীবন কাটায়।

ডিসটোপিয়া একধরনের আখ্যানবর্গের বিষয়, যেখানে কাল্পনিক ভবিষ্যৎ সমাজে মানুষ স্বৈরাচারী শাসক বা সরকার বা কোনও কর্পোরেশনের দমনমূলক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত অমানবিক, ভয়াবহভাবে মর্মান্তিক জীবন কাটায়।

এরপর আমরা পৌঁছে যাই এক অস্পষ্ট ভবিষ্যতে— যেখানে নারী-পুরুষের বিভাজনের প্রয়োজন ফুরিয়েছে, কারণ আলাদা করার মতো কোনও নারীর অস্তিত্বই আর নেই।

‘এআই যবে হইতে হইল উদয়, তার পূর্বে মানুষ ক’টি মাত্র লেখালেখি করে গেছেন, তার মধ্যে আবার মেয়েমানুষরাও। তা, সেইরকম কয়েকটি মনুষ্যনির্মিত ডিসটোপিয়ার কথা কই। মেয়েদের লেখা। মেয়েদের ডিসটোপিয়া, সে কেমন? মেয়েদের সায়েন্স ফিকশন, সে কি আদৌ হবে?’

‘আমি যদি পুজোর নকশা করতাম এবার, তাহলে হয়তো ওই স্পিরিটটাকে স্মরণ করে একটা লাইটহাউস বানাতাম। আমার আঁধারপথ, পরিক্রমার আলোকবর্তিকা হয়ে থাকত তা। শ্লাঘা প্রকাশ। কালো পাথরের থালায় ঠাকুরমার হাতে-মাখা আলোচালের মণ্ডের মতো।’

কখন যে গোটা ব্যাপারটা একটা সিরিয়াস বাণিজ্যিক ইভেন্টে পরিণত হল, বুঝতেই পারা গেল না। এবং সবাই জানে ডিসটোপিয়ান সোসাইটিতে কী হয়ে থাকে? বিভাজন।

‘পিসির বাড়িতে টিমটিমে আলো, এলডি-প্রোজেকশন নেই, পিসি লেসিং-টুনাক এন্টা-ইনফো’র কানেকশনই নেয়নি, বাড়িটায় ঢুকলেই একটা বুড়ো-বুড়ো গন্ধ, যেন স্বেচ্ছা-ডিমেনশিয়ার রাজ্য। বাবাকে দেখলেই নতুন নাইটি থেকে কাঠি-কাঠি হাত বের করে ঘ্যানঘ্যানে গল্প।’

সম্প্রতি শান্তিনিকেতনের ‘সোয়াদ’-এ ‘অ্যান্টনিম’ আয়োজিত ‘লাইনরাইটস’ রেসিডেন্সিতে এসেছিলেন বিশ্ববিখ্যাত কমিকস শিল্পী আপ্পুপেন। কমিকস থেকে ডিসটোপিয়ার জগৎ, অনেককিছু নিয়ে কথাবার্তায় সাত্তিক শঙ্খ। সঙ্গে ছিল ডাকবাংলা.কম।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.