পুজোর গল্প

রোদ্দুর মিত্র

বিলেদা

‘সবাই বলে, বিলেদার বাবা নকশাল ছিল। জুটমিলের শ্রমিকদের নিয়ে একটা বড় মাপের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, সেই সময়ে একদিন পুলিশ তুলে নেয়। আরও সবাই বলে, বিলেদার বাবা প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়ে গেছিল কোনওভাবে। গুলিও চলেছিল নাকি কয়েক রাউন্ড।’

অমৃতা সরকার

সরণ

কেমন এই মেয়ের ধরন! বাচ্চা কি আর কারও হয় না! আভার ব্যবহারের কোনও ব্যাখ্যা পায় না আশিসের মা। প্রথম যেদিন জানতে পারা গেল, প্রেগনেন্সির কথা, তবে থেকেই কুঁকড়ে থাকে, ভয় তো হতেই পারে, তার নিজের হয়নি!

শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

ব্লাডি উইক

‘বুলডোজারের নাকের ওপর একটা লোককে হাত-পা বেঁধে বসানো। সপ্তর্ষি চিনতে পারল— এই আধবুড়ো লোকটাকেই একটু আগে প্রশ্ন করছিল। পুলিশের সহযোগী হয়ে ভিড় সামলাচ্ছিল যে। লোকটার মুখ বাঁধা। চোখ ঠিকরে আসছে। ভয়ে কাঁপছে থরথর করে।’

প্রশান্ত মাজী

কোপাই ভার্সেস কুনুর  

‘কুনুরের দরজা সর্বদা বন্ধ কেন, তার উত্তর দিতে ওরা প্রস্তুত নয়। ওরা আজ কোথায় ব্রেকফাস্ট করবে, কোথায় করবে লাঞ্চ, কেনই-বা কাউকে ওরা বলতে যাবে? কুনুর চায় কুনুরের মতো করে থাকতে। কোপাইয়ের মতো করে নয়। ওরা আরও চায়, কোপাই থাকুক কোপাইয়ের মতো। কুনুরের মতো করে নয়।’