চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
মৈত্রীশ ঘটক গবেষক ও অধ্যাপক। বর্তমানে লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সের অর্থনীতির প্রফেসর। ব্রিটিশ একাডেমির নির্বাচিত ফেলো ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পি.এইচ.ডি.। এই অর্থনীতিবিদের গবেষণার মূল ক্ষেত্র উন্নয়নের অর্থনীতি, সাংগঠনিক অর্থনীতি, এবং রাষ্ট্রক্ষেত্রের অর্থনীতি। গবেষণার বাইরে অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্র ও পত্রিকায় বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই নিয়মিত লেখালেখি করেন।
প্রসিদ্ধ সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক। রাজনৈতিক বিবিধ বিষয় নিয়ে তাঁর মন্তব্য এই সময় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর লেখা বইগুলি 'রাজনীতি-টাজনীতি' ১ ও ২ ইত্যাদি। সম্পাদনা করেছেন বেশ কিছু গ্রন্থ।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
তথাগত-র জন্ম ১৯৯২ সালে। এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত কবিতার বই: ‘বাজিল রাক্ষসবাদ্য’, ‘চৈত্রে, গৌরীপুর’ ও ‘সুরুল কুঠির গান’। শখ: বইপড়া, পথে পথে উদ্দেশ্যহীন ঘোরা আর বন্ধুদের মেসে-হোস্টেলে রাত কাটানো।
আব্দুল কাফি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। এছাড়া তিনি সু-বক্তা, প্রাবন্ধিক এবং অনুবাদকও বটে। তাঁর কয়েকটি অনূদিত: গ্রন্থ ‘কথাচিত্রকণা’, ‘দূরের মাদল’, ‘আমি তুমির লীলা’, ‘অমলিন শোলোক’ প্রভৃতি।
অনুপম রায় গায়ক, সুরকার, গীতিকার। ২০১০ সালে ‘অটোগ্রাফ’ ছবিতে তাঁর গলায় গাওয়া গান ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ এবং ‘বেঁচে থাকার গান’ তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১৫ সালে ‘পিকু’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনার মধ্যে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ এবং ছবিটির আবহসঙ্গীতের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে ২০১৬ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও ছোটগল্পও লেখেন।