কিশোরবেলা থেকেই ছবি তুলতে পছন্দ করতেন। ‘আজকাল’ পত্রিকার হাত ধরে কর্মজীবনের শুরু। তারপর চিত্র-সাংবাদিক হিসেবে ‘গুজরাট সমাচার’, ‘ইলাস্ট্রেটেড উইকলি অফ ইন্ডিয়া’, ‘বিজনেস ইন্ডিয়া’ ম্যাগাজিনের সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা তাঁর। ছবি তোলার নেশায় ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ-বিদেশে। ছবি তোলার পাশাপাশি বহু নাটকে অভিনয়ও করেছেন।
কমলেশ্বর মুখার্জি চলচ্চিত্র-পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা, লেখক। প্রথম জীবনে চিকিৎসক হিসাবে শিক্ষালাভ করলেও পরবর্তীকালে গ্রুপ থিয়েটার এবং বিজ্ঞাপন-জগতে কাজ এবং অবশেষে ‘উড়ো চিঠি’ পরিচালনা করে সিনেমা-জগতে প্রকাশ। অন্যান্য উল্লেখ্য ছবি ‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘ক্ষত’, ‘চাঁদের পাহাড়’ এবং বাংলা চলচ্চিত্রের বাণিজ্যে সর্বাধিক সফল ছবি ‘আমাজন অভিযান’।
বিজলীরাজ পাত্র প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। যৌনতা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে এমফিল করেছেন সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটা থেকে। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পিএইচডি করছেন ‘গ্রন্থ ইতিহাস’ বিষয়ে। আগ্রহের বিষয়: পুথি সংস্কৃতি, প্রাগাধুনিক সাহিত্য, যৌনতার ইতিহাস, পর্নোগ্রাফি, বৌদ্ধিক ইতিহাস, ভিজুয়াল কালচার।
সুদীপ দত্ত ক্যালিফর্নিয়ায় কর্মরত একজন প্রযুক্তিবিদ। ভালবাসেন দেশ ঘুরতে, বাগান করতে, গান শুনতে এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রচলিত মতের পথিক না হতে। আনন্দবাজারে কয়েকটা লেখা লিখেছেন। এছাড়া খেলা দেখতে ও তা নিয়ে ভাবতে ভালবাসেন।
জয়দীপ মিত্র মূলত ফোটোগ্রাফার, ছবি তোলেন বেশি, লেখেন কম। আগে লেখা-ছবির বিষয় ছিল দেশ ও দেশের মানুষের সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র, কিন্তু ২০১৪ সালের পর থেকে আগ্রহ তৈরি হয় ক্ষমতার বিরুদ্ধে মানুষের রুখে ওঠায়, অর্থাৎ রেসিস্টেন্সে। এখন এই সময় ও সমাজের ছবি লিপিবদ্ধ করায় মন দিয়েছেন।
অনিতা অগ্নীহোত্রী কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার। এ-যাবৎ চল্লিশটিরও বেশি বইয়ের লেখক। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সোমেন চন্দ পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন নন্দীগ্রামে নিরস্ত্র মানুষের হত্যার প্রতিবাদে। পেয়েছেন বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ সম্মাননা, গজেন্দ্র মিত্র স্মৃতি পুরস্কার-সহ একাধিক পুরস্কার। তাঁর সাহিত্য ইংরেজি, সুইডিশ এবং জার্মান ভাষায় অনূদিত।
লেখক, সাংবাদিক। দীর্ঘদিন 'আজকাল' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর 'আমার যা আছে', 'ঝিলডাঙার কন্যা'. 'চাঁদ পড়ে আছে'. 'রূপোর খাঁচা' বিখ্যাত বই। পেয়েছেন বাল সাহিত্য আকাদেমি-সহ নানা পুরস্কার। তাঁর কাহিনি অবলম্বনে তরুণ মজুমদার 'চাঁদের বাড়ি', 'ভালবাসার বাড়ি' প্রভৃত ছবি নির্মাণ করেছেন।
দোয়েলপাখি দাশগুপ্ত ফরাসি ভাষার অধ্যাপনা করেন। থিয়েটার, দূরদর্শন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন তিনি ‘রসাতল’ নামে রম্যরচনার একটি পত্রিকার সম্পাদনা ও প্রকাশনের কাজে যুক্ত থেকেছেন। গান গাইতে এবং লিখতে ভালবাসেন।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
লেখেন মূলত নিবন্ধ, কলাম, উত্তরসম্পাদকীয় ও ছোটগল্প। যৌনসংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক মানুষ, স্কুলশিক্ষা, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, নৃত্য ও সিনেমা তাঁর বেশিরভাগ লেখার বিষয়। অনুবাদকর্মের সঙ্গেও বহু বছর যুক্ত।