লেখেন মূলত নিবন্ধ, কলাম, উত্তরসম্পাদকীয় ও ছোটগল্প। যৌনসংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক মানুষ, স্কুলশিক্ষা, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, নৃত্য ও সিনেমা তাঁর বেশিরভাগ লেখার বিষয়। অনুবাদকর্মের সঙ্গেও বহু বছর যুক্ত।
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা; বাংলা চলচ্চিত্রে প্রবেশ 'চিরদিনই তুমি যে আমার' নামে সফল ছবিতে। পরবর্তীকালে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সৃষ্টি সত্যান্বেষী ব্যোমকেশের বন্ধু অজিতের চরিত্রে একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। এছাড়া তাঁকে দেখা যায় 'কাগজের বউ', 'জাতিস্মর', 'চতুষ্কোণ' এবং 'জুলফিকার' ছবিতে।
সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় লেখক, সম্পাদক, সাংবাদিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক নানান ঘটনাবলি নিয়ে লিখে চলেছেন। এইসব লেখার মধ্যে ধরা পড়ে তাঁর অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রকাশিত বই : ‘একটা কষ্ট লজ্জা ভয়’।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
কবি, চিত্রশিল্পী, নাট্যপরিচালক, স্থপতি এবং পরিবেশ কর্মী। বীরভূম ব্লসম থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা। সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে প্রচার ও সংরক্ষণের কাজে নিয়োজিত।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী। প্রখ্যাত নাট্যকার, নাট্য-নির্দেশক, গদ্যকার, কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতি। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক। ‘আভাষ’ নাট্যদলের কর্ণধার, নাট্য-নির্দেশক, নাট্যকার ও অভিনেতা। নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। সম্পাদনা ও রচনা করেছেন বেশ কিছু গ্রন্থ।