বিজলীরাজ পাত্র প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। যৌনতা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে এমফিল করেছেন সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটা থেকে। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পিএইচডি করছেন ‘গ্রন্থ ইতিহাস’ বিষয়ে। আগ্রহের বিষয়: পুথি সংস্কৃতি, প্রাগাধুনিক সাহিত্য, যৌনতার ইতিহাস, পর্নোগ্রাফি, বৌদ্ধিক ইতিহাস, ভিজুয়াল কালচার।
স্কটিশ চার্চ কলেজে ইংরেজি-সাহিত্যের লেকচারার হিসাবে পেশাদার জীবন শুরু, পরে বাংলার প্রথম সারির দৈনিকেও নিজের প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে ‘কাদম্বরীদেবীর সুইসাইড-নোট’, ‘গিরিশ ও বিবেকানন্দ’, ‘প্রাণসখা বিবেকানন্দ’, ‘নায়ক রবি’ পাঠকদের কাছে সাদরে সমাদৃত।
গৌতম সেনগুপ্ত ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক, সম্পাদক, অনুবাদক। গল্পের বই: ‘ডেথকেস’, ‘কাউন্টডাউন’ ইত্যাদি। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘গল্পসমগ্র’। পেয়েছেন দিল্লির কথা পুরস্কার (২০০০) ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সোমেন চন্দ পুরস্কার (২০১৫)। এছাড়া তিনি ‘তালপাতা’ প্রকাশনীর কর্ণধার।
জয়া মিত্র কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক। ‘হন্যমান’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার। তিনি ভারতের বিভিন্ন নদনদী ও অন্যান্য জলাশয় সংক্রান্ত সংরক্ষণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। সম্পাদনা করেন সমাজ ও সংস্কৃতি ভাবনার পত্রিকা ‘ভূমধ্যসাগর’।
সাহিত্যিক, চলচ্চিত্রকার, প্রাক্তন সাংবাদিক। ‘নব্বই ঘণ্টা’, ‘তবে তাই হোক’ এই দু’টি বড়পর্দার ছবি ছাড়াও দূরদর্শনের জন্য বানিয়েছেন ‘চতুরঙ্গ’। ‘ভয় চাই ভয়’, ‘তবে তাই হোক’, ‘চম্বল লাইভ’, ‘নিধিরামের সর্দারি’ প্রভৃতি বইয়ের লেখক।
চিকিৎসক, লেখক। বাংলায় মেডিক্যাল থ্রিলার বিরল, এই ধারায় লেখালিখি করে চলেছেন তিনি। সুনীল সেন তাঁর ডিটেকটিভ চরিত্র। 'স্নেহজাল', 'কর্কটক্রান্তি' প্রভৃতি তাঁর চর্চিত গ্রন্থ। তাঁর কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ওয়েব সিরিজও।
লেখক, সাংবাদিক। ১৯৮৪ সালে ‘বর্তমান’ পত্রিকায় যোগ দেন। পরবর্তীতে ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র দিল্লি সম্পাদক ছিলেন। দেশ-বিদেশে দেখেছেন রাজনীতির জোয়ার-ভাটা। আজ সাংবাদিকতার খণ্ড পরিচয়ের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে ছুঁতে চাইছেন জগৎ ও জীবনের এক বৃহৎকে।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
বরুণ চন্দ অভিনেতা, লেখক। পেশাগতভাবে দীর্ঘদিন বিজ্ঞাপন জগতের সঙ্গে যুক্ত। সত্যজিৎ রায়ের 'সীমাবদ্ধ' ছবিতে অভিনয়ের কারণে সুপরিচিত; পরবর্কাতীকালে অভিনয় করেছেন 'হীরের আংটি', 'ল্যাপটপ', 'চতুষ্কোণ', 'লুটেরা' এবং 'বব বিশ্বাস' ছবিতে। 'মার্ডার ইন দ্য মোনাস্টেরি' তাঁর লেখা জনপ্রিয় রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাস।
শুভঙ্কর দে প্রকাশক, লেখক। দে’জ পাবলিশিং ছাড়াও ‘কমলিনী’ প্রকাশনের যাবতীয় গুরুদায়িত্ব তাঁর কাঁধে। সবাই ‘অপু’ নামেই চেনেন তাঁকে। ঝুলিতে নানান মজার-মজার গল্প নিয়ে ঘুরে বেড়ান। জীবনের লক্ষ্য একটাই, কী করে একের পর এক ভাল বই বের করা যায়।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।