যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতোকোত্তর ও গবেষণা। বর্তমানে কলকাতার মিল্লি আল আমিন কলেজে অধ্যাপনায় যুক্ত। পছন্দের এলাকা দেশি-বিদেশি সাহিত্যতত্ত্ব, কথাসাহিত্য, ভাষাতত্ত্ব।
পেশায় আলোকচিত্রী হলেও, দেবর্ষি সরকার আসলে একজন কবি। কবিতা ও ছবি হাত ধরাধরি করে চলে তাঁর জীবনে। প্রকাশিত কবিতাবই: ‘শূন্য’, ‘নিজস্ব উপকথা’। সাধারণ কোনও দৃশ্যপটকে কীভাবে শিল্প করে তোলা যায়, তা নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের চর্চা। ভ্রমণ এবং আড্ডায় প্রবল উৎসাহ।
শুভময় মিত্র ফোটোগ্রাফার, চিত্রকর, গদ্যকার, ভ্রমণবিলাসী। কিন্তু তাঁর সর্বাধিক পারদর্শিতা যে কাজে, তা হল, চব্বিশ ঘণ্টা হো-হো করে হাসা ও কোনও কিছুকেই সিরিয়াসলি না নেওয়ার ভঙ্গি করা। খুব মন দিয়ে জীবনটাকে দেখা ও চাখা তাঁর নিত্যকর্ম, এবং সেই জন্যই বোধহয়, কেউ চাকরি, তকমা বা দায়িত্ব দিতে চাইলেই পিছলে বেরিয়ে যান।
ডাকবাংলা.কম এক বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক পোর্টাল। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ তার আত্মপ্রকাশ। আপাতত দায়িত্ব একটাই, প্রতি সপ্তাহে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা সদস্যদের জন্য চমৎকার সব লেখা, vlog, সাক্ষাৎকার, কার্টুন ইত্যাদি নিয়ে এসে হাজির করা।
বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগের উপ-পরিচালক (প্রকাশন)। ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র প্রাক্তন চিফ সাব এডিটর। ভারত সরকারের পরিভাষা কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। বিশেষ আগ্রহ গ্রন্থনির্মাণ এবং গ্রন্থবিদ্যায়। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ, সাহিত্য, সংগীত এবং চলচ্চিত্র নিয়ে নিয়মিত নিবন্ধ লেখেন সংবাদপত্র ও সাময়িকীতে।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
সপ্তর্ষি রায় বর্ধন-এর জন্ম, কর্ম এবং বর্তমান ঠাঁই কলকাতায়। ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতার পাঠ ভবন স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ ও যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। গত তিরিশ বছর ধরে আর্থিক-পরিষেবা ক্ষেত্রে কর্মরত; সঙ্গে সমান্তরালে চলেছে লেখাজোখা। আত্মীয়পরিজন, বন্ধু, সুজনদের সঙ্গে হইচই করে জীবন কাটিয়ে দেওয়াতেই ভাল লাগা। প্রকাশিত দুটি বইয়ের একটি বায়োগ্রাফি ‘রূপকথার মতো’ (২০২৩); অপরটি অণুগল্পের সঙ্কলন ‘খেয়ালের খেরো খাতা’ (২০২৪)।