কবি, গদ্যকার। অর্থনীতির অধ্যাপক। ‘অন্ধকারের অনুবাদ’, ‘বিপজ্জনক বাড়ি’ প্রভৃতি গ্রন্থের লেখক। ঘুরতে, জমিয়ে খেতে এবং আড্ডা মারতে পারলে জীবন সার্থক বলে মনে করেন।
আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীশ্রম, কর্মক্ষেত্রে যোগদান এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণারত। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমে মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগে ও.এস.ডি. পদে নিযুক্ত। দেশি ও বিদেশি জার্নালে গবেষণাপত্র এবং নানা পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেছেন ও লেখেন।
সোহিনী দাশগুপ্ত চিত্র-পরিচালক, তথ্যচিত্র-নির্মাতা, কবি। আঠারো বছর ধরে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত-র সহকারী পরিচালক ও সহ-চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১৪ সালে নিজের প্রথম বড় ছবি, ‘ছোটিমোটি বাতে’-র (হিন্দি) পরিচালনা। সাম্প্রতিক তথ্যচিত্র ‘ড্রামা ক্যুইন্স‘ এবারের ইন্ডিয়ান প্যানোরামা-তে দেখানো হয়। সিনেমা আর কবিতা ছাড়া ভালবাসেন নাচ ও পারফর্ম্যান্স নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে।
অভিনেতা, পরিচালক, নাট্যকার, লেখক। ‘সঙ্ঘারাম’ নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বহু বছর। পড়াশোনা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্প্রতি হইচই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ‘মন্দার’ ওয়েবসিরিজ পরিচালনা করেছেন।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
সুস্নাত চৌধুরী পেশাগত ভাবে রেস্ট নিতে ভালবাসেন। কখনও ক্লান্ত লাগলে গণমাধ্যমে কাজকর্ম খোঁজেন। ফিচার লেখার জন্য মাঝে মাঝে হাত চুলকোয়। ‘বোধশব্দ’ পত্রিকার প্রুফ দেখেন ও প্রেসে কাগজ পৌঁছে দেন। বিশেষ আগ্রহ ছাপাছাপি ও বাংলা হরফে। মুদ্রণ বিষয়ক প্রকল্পের জন্য ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন ফর দি আর্টস-এর গ্রান্টি।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
স্কটিশ চার্চ কলেজে ইংরেজি-সাহিত্যের লেকচারার হিসাবে পেশাদার জীবন শুরু, পরে বাংলার প্রথম সারির দৈনিকেও নিজের প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে ‘কাদম্বরীদেবীর সুইসাইড-নোট’, ‘গিরিশ ও বিবেকানন্দ’, ‘প্রাণসখা বিবেকানন্দ’, ‘নায়ক রবি’ পাঠকদের কাছে সাদরে সমাদৃত।
লেখক, গবেষক। নতুন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া Bacillus sp. KM5 এর আবিষ্কারক। বর্তমানে ধান্য গবেষণা কেন্দ্র, চুঁচুড়ায় বৈজ্ঞানিক পদে কর্মরত এবং হাবড়া মৃত্তিকা পরীক্ষাগারের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক। 'কমিকস ইতিবৃত্ত', 'হোমসনামা', 'তোপসের নোটবুক ', 'সূর্যতামসী', 'আঁধার আখ্যান', 'নীবারসপ্তক', 'অগ্নিনিরয়' প্রভৃতি বইয়ের লেখক।
বর্তমানে ক্রিয়া ইউনিভার্সিটি-তে স্কুল অফ ইন্টারওভেন আর্টস অ্যান্ড সাইন্সেস-এ অধ্যাপক। দিল্লির আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব লেটারস-এর প্রাক্তন অধ্যাপক। পড়াশোনা কলকাতার সেন্ট জ়েভিয়ার্স কলেজ, দিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও ফিল্ম স্টাডিজ় বিভাগে। প্রকাশিত বই 'উত্তম কুমার: আ লাইফ ইন সিনেমা' (২০২১)। সিনেমা, রাজনীতি আর সংস্কৃতির বিভিন্ন গতিপথ নিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও জার্নালে নিয়মিত লেখালেখি করেন।
সৌকর্য ঘোষাল ‘রেনবো জেলি’, ‘পেন্ডুলাম’, ‘ভূতপরী’ প্রভৃতি ছবির পরিচালক। আঁকা ও অ্যানিমেশন তাঁর প্রাথমিক আগ্রহের জায়গা। ছবি তৈরির পাশাপাশি অলংকরণ, গ্রাফিক নভেলের কাজও করে থাকেন।