
প্রশ্নাধিক প্রেম-প্রস্তাব
জিন্দেগি অওর কুচ ভি নেহি… সুদৃশ্য ছাতা আর দূরে/ আগুন-পোহানো দোকানি, কুকুর। বেমালুম ভুলে যাওয়া/ গত এক বছরে দেশ ও বিদেশে হত্যা, কেজি দরে বিক্রি/ আর এক টাকা বেশি পেতে ঝগড়া তুমুল।’

জিন্দেগি অওর কুচ ভি নেহি… সুদৃশ্য ছাতা আর দূরে/ আগুন-পোহানো দোকানি, কুকুর। বেমালুম ভুলে যাওয়া/ গত এক বছরে দেশ ও বিদেশে হত্যা, কেজি দরে বিক্রি/ আর এক টাকা বেশি পেতে ঝগড়া তুমুল।’

‘আমি মুখের বিড়ি ফেলে বলছি/ ওই যে দূরে ধানীজমি ওখানে আমাদের ভিটে ছিল/ দুজন সহিস, কন্যাদায়ের পিতা, জলে ডোবা গুপ্তধন/ তুই মুখনীচু, আনমনে খুঁটে তুলছিস প্রেমিকার নাম’

‘আমি যদি পুজোর নকশা করতাম এবার, তাহলে হয়তো ওই স্পিরিটটাকে স্মরণ করে একটা লাইটহাউস বানাতাম। আমার আঁধারপথ, পরিক্রমার আলোকবর্তিকা হয়ে থাকত তা। শ্লাঘা প্রকাশ। কালো পাথরের থালায় ঠাকুরমার হাতে-মাখা আলোচালের মণ্ডের মতো।’

‘কুনুরের দরজা সর্বদা বন্ধ কেন, তার উত্তর দিতে ওরা প্রস্তুত নয়। ওরা আজ কোথায় ব্রেকফাস্ট করবে, কোথায় করবে লাঞ্চ, কেনই-বা কাউকে ওরা বলতে যাবে? কুনুর চায় কুনুরের মতো করে থাকতে। কোপাইয়ের মতো করে নয়। ওরা আরও চায়, কোপাই থাকুক কোপাইয়ের মতো। কুনুরের মতো করে নয়।’

‘নেরুদাকে যতই বিষণ্ণতা, মৃত্যু এবং বিরহের কবি বলা হোক, আসলে তিনি সর্বক্ষণ নিজের মধ্যে বহন করেছেন এক সহজ স্বতঃস্ফূর্ততা ও জীবনমুখিতা। খুঁজেছেন বিষাদ পেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা এবং তা পেয়েও গিয়েছেন।’

কোহেনের কবিতা ও গানে প্রার্থনার ভাষা, প্রেমের ভাষা এবং ক্ষমতার ভাষা প্রায়ই একে-অপরের খুব কাছাকাছি চলে আসে। প্রেমিক, ঈশ্বর, নারী, পুরুষ, নেতা, অনুসারী, প্রভু, দাস, শরীর এবং আত্মসমর্পণের মতো আপাত ভিন্ন-ভিন্ন বর্গ বারবার পরস্পরের ভাষা ধার করে।

‘তারাটি সেলাই করা আঁচলে, সে আকাশ পরেছে।/ রাত হলে জ্বলে ওঠে, সমগ্র শরীর ছায়াপথ…/ সুতো-কারিগর, সেও উল্কা থেকে ছোট চুমকি চেঁছে/ শেষবিন্দু ফোঁড় দেয়। আমাদের মৃত্যু। ভবিষ্যৎ!’

মেয়েরা একটা বয়সের পর আর প্রেম চায় না— এই কথাটা মিথ্যে। তারা শুধু প্রেম চাওয়ার কথাটা বলা বন্ধ করে দেয়। লজ্জায়। ভয়ে। সমাজের চোখে। সন্তানের কথা ভেবে। নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে।

‘তদুপরি ভালবাসা এ-বাগানে ফোয়ারার মতো।/ মনে রাখা ভাল, তার সঙ্গিনীটি পাথরের পরি।/ প্রস্তরের ইতিহাসে যত বৃষ্টি আঘাতসম্মত,/
আমরা ভ্রমণকারী, সেই জলে পুণ্যস্নান করি।’

‘অ্যাঞ্জেলিনা সেই সমস্ত হিংসা-হেনস্থাকে ভয় তো করেনইনি, বরং নিশ্চুপ থেকে কেরিয়ার সুরক্ষিত করার পথেও হাঁটেননি। তিনি নিজে যা, সেটাই সবার কাছে প্রকাশ করেছিলেন। এই সাহস অ্যাঞ্জেলিনা পেয়েছিলেন কোথা থেকে?’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এই পর্বে আর্সেনিকের কথা।

এই গান তৈরি হয়েছে জীবনের এক অদ্ভুত সময়ে। রোম্যান্টিকতা কতদিন বেঁচে থাকে মানুষের জীবনে? বয়স বাড়লে তার স্নিগ্ধতা কমে যায় কি? রোম্যান্টিক সত্তা ছিল বলেই এই গান লিখতে পেরেছিলাম।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.