
বৈষম্যের বিশ্বকাপ
খেলোয়াড় থেকে টিমের কর্তৃপক্ষ বা অন্য দেশ থেকে আসা দর্শক— কেউ-ই এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। দক্ষিণ আমেরিকার জাতীয় টিম আয়োজক দেশে নির্ধারিত দিনের অনেক পরে এসে পৌঁছেছে, কারণ তাঁদের প্রতিনিধি দল যথাসময়ে ভিসা পায়নি।

খেলোয়াড় থেকে টিমের কর্তৃপক্ষ বা অন্য দেশ থেকে আসা দর্শক— কেউ-ই এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। দক্ষিণ আমেরিকার জাতীয় টিম আয়োজক দেশে নির্ধারিত দিনের অনেক পরে এসে পৌঁছেছে, কারণ তাঁদের প্রতিনিধি দল যথাসময়ে ভিসা পায়নি।

দুই দেশের বিশ্বকাপ খেলার গল্পে তাই উপনিবেশবাদের একটা বড় ভূমিকা থেকেই যায়। নাটকীয় মালমশলা থাকলেও তাই কেপ ভার্দে আর কুরাসাওয়ের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অসম্ভবকে সম্ভব করার রূপকথা নয়, বরং উপনিবেশবাদ আর অভিবাসনের ইতিহাসে তৈরি সুযোগের কৌশলী সদ্ব্যবহারের কাহিনি।

‘গোল করেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন স্কিয়াভিও। কিছুক্ষণ সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকার পর, তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেন। ইতালীয় ফরোয়ার্ড কি প্রবল চাপের মধ্যেে ছিলেন?’

‘এই বিতর্কের মূল অভিযোগ দু’টি। প্রথমত, টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত, ভুল আসন বরাদ্দ করা। দর্শকদের থেকে অভিযোগ আসে যে, অনলাইনে টিকিট বিক্রির সময়ে যে-নির্দিষ্ট সিট তাঁরা নির্বাচন করেছেন, বাস্তবে সেই সিট-নম্বরের টিকিট হাতে পাননি।’

‘‘হাত বোলাতে-বোলাতে, বিড়ির শেষ টানটা দিতে-দিতে বলতেন, ‘ওসব মেসিফেসি কোনও প্লেয়ারই না, খেলা দেখেচি মাইরি মারাদোনার, এইট্টি সিক্স-মেক্সিকো, ওহ! ওই বাঁ-পায়ে বল নিয়ে ফেন্টটা…’; কথাটা শেষ হত না। বাকিটা মুখের ভেতরে থেকে যাওয়া আত্মতৃপ্তি।’’

ইতালির প্রথম সারির খবরের কাগজ, খেলার পত্রিকাগুলোও জবরদস্ত সব হেডলাইন করেছিল। কেউ বলেছে তৃতীয় ‘অ্যাপোক্যালিপ্স’, কারও কপি জুড়ে করুণ-ভায়োলিন। আহা রে, গ্রীষ্মের ছুটিতে গোটা ইউরোপ যখন মার্কিন মুলুকে ভিড় জমাবে, আমাদের তখন— ‘কোথাও যাওয়ার নেই, কিচ্ছু করার নেই।’

‘তাঁর কাছে সবার আগে পৌঁছে সের্জিও বাতিস্তা জানতে চান, ‘তুই হাত দিয়ে গোলটা করলি, তাই না?’ মারাদোনা দাঁতে দাঁত চেপে টিমমেটকে বলেন, ‘চুপ কর। এখন সেলিব্রেট কর।’ পরে ‘টাচড বাই গড’-এ এই কথা লিখেছেন মারাদোনা।’

বিশ্বকাপ ফুটবলের নতুন বল ট্রিওন্ডা। তাতে নাকি বসানো থাকবে চিপ! কী হবে সেই চিপ দিয়ে? একা চিপে রক্ষে নেই, এআই দোসর। আগের ফুটবল কি তাহলে বাতিল? ফুটবলের এই পরিবর্তনের নেপথ্যেও রয়েছে দুর্নীতি দমনের ভাবনা?

‘আর আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যুসংখ্যা? অগুনতি! এমিলি জেনেছেন, সম্প্রতি মিনেসোটায়, অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ মিছিল থেকে প্রশ্ন উঠেছিল— কোনও অভিবাসীর আপাতকালীন নিরাপত্তার ছাড়পত্রটি, কেন সরকার খারিজ করে দিতে চাইছে?’

‘এ-বই আদ্যোপান্ত খেলার বই। কিন্তু, এ-খেলা কেবলই সাইডলাইনের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই। তা গ্যালারি ছাড়িয়ে বৃহত্তর গ্যালারিকেও করে নিয়েছে খেলারই অংশ। বইয়ের উপজীব্য বিশ্বকাপ ফুটবলের ৯৬ বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ৩৩টি ম্যাচ।’

‘‘এই দাদারা ছিলেন সব ‘কোনি’র ক্ষিদ্দা, এঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখাতেন। কী স্বপ্ন দেখাতেন জানেন? আপনি কী ভাবছেন— ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন? ও-গুলো পরে, আগে ছিল ফার্স্ট ডিভিশনে কোনও ভাল ক্লাবে খেলা।’’

‘সমগ্র স্টেডিয়াম ছিল বিরুদ্ধে, ঐতিহাসিক সোনাজয়ের লড়াইয়ে চুনী-পিকে-জার্নেলদের হয়ে হয়ে গলা ফাটালেন পাক হকি তারকারা।’
১৯৬২-র জাকার্তা এশিয়ান গেমসের ফুটবল ফাইনাল নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.