
বিদায় বাউন্ডুলে
তবু, নেইমার এসে যায়। ‘কোন ক্ষ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এল, আশ্বিনের এই আঙিনায়’— তারপর এলোমেলো করে দেয় সব৷ মেসির বুকে আছড়ে পড়ে গোল ক’রে।

তবু, নেইমার এসে যায়। ‘কোন ক্ষ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এল, আশ্বিনের এই আঙিনায়’— তারপর এলোমেলো করে দেয় সব৷ মেসির বুকে আছড়ে পড়ে গোল ক’রে।

‘ইরানে যেহেতু ফুটবল মাঠে মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ, তাই ছেলের সাজপোশাকে মেয়েটি স্টেডিয়ামে ঢুকেছে। পুলিশি চোখ-রাঙানি এড়িয়ে। ইরান বনাম বাহারিনের ম্যাচ দেখবে সে। স্টেডিয়ামের নাম, আজাদি। যে অপ্রেসড, সে আজীবন থাকবে না। প্রকৃতির নিয়মই তাই।’

‘‘তাঁরাও যে কোনও অংশে কম নয়, সেটা প্রমাণ করার জন্য তৈরি। এটাই নারী-ক্ষমতায়নের আদর্শ বিজ্ঞাপন। সারা বিশ্ব জুড়ে নারী-স্বাধীনতা আন্দোলনের যে-জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, ‘ফিফা’ও সামিল সেই যজ্ঞে। ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’— এই আপ্তবাক্যে বিশ্বাসী হয়েই ‘ফিফা’র এই উদ্যোগ।’’

আফ্রিকার দলগুলো এই বিশ্বকাপে হয়তো সবাই ট্রফি জিতবে না। কিন্তু তারা একটা কাজ করে ফেলেছে। তারা প্রমাণ করেছে, আফ্রিকান ফুটবল আর কোনও ‘চমক’ নয়। এটা এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী বাস্তবতা। বিশ্ব ফুটবল এখন আর মাত্র কয়েকটি দেশের কুক্ষিগত নয়।

‘‘মেসি কি আবার বিশ্বজয়ী হবেন? অঙ্কের বিচারে নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কঠিন কাজ। আধুনিক ফুটবলে পরপর দু’বার বিশ্বজয়ের নজির প্রায় কোনওদলেরই নেই। তাই মেসি জিতুক বা না-জিতুক, ‘মেসি-প্রজেক্ট’ কিন্তু নিঃশব্দে বিশ্বের কাছে হয়ে থাকছে উদাহরণ।’’

‘কিন্তু ’৯৪ বিশ্বকাপের এফিড্রিন? মারাদোনা শেষ পর্যন্ত অস্বীকার করে গিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোকেন সেবনের যতই অভিযোগ থাক, মারাদোনা কোনওদিন ডোপ করে বা কোনও উদ্দীপক নিয়ে মাঠে নেমেছেন, এমন অভিযোগ স্পেন বা ইতালি— তাঁর ক্লাব-ফুটবল জীবনে ওঠেনি।’

‘‘কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ সেই গোলকিপারের নির্বাসন-মুক্তি হয়নি। একদিন একটি দোকানে কিছু পণ্য কিনতে গিয়ে বারবোসা শুনতে পেলেন, এক যুবতী তাঁকে দেখিয়ে নিজের কিশোর পুত্রকে বলছেন, ‘এই লোকটাই আমাদের সবাইকে কাঁদিয়েছিল।’’’

‘‘তবে ম্যাচটির চিত্রনাট্য একটু ভিন্নভাবে নির্মিত ছিল। এতক্ষণ সেভাবে নজরে পড়েননি, কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দশ মিনিট আগে থেকে ম্যাকানাকি-গ্যাসকোয়েনরা নন, ‘মঞ্চের’ কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠলেন রেফারি এডগার্ডো কডেসাল মেন্ডেজ।’’

‘‘ম্যাচের প্রথম পর্ব থেকেই দেখা গেল, ইউসেবিওরা যতই প্রতিভার স্ফুরণ দেখান না কেন, তাঁদের ডিফেন্সেরও ‘টার্গেট’ সেই পেলে! পেলে প্রথম বল ধরতেই, সেন্টার সার্কেলে এসে তাঁকে ফাউল করলেন জোয়ান মোরাইস। ইঙ্গিত পরিষ্কার!”

‘শিশুটিকে দেখে তারা তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা কলম্বিয়া নয় বরং উজবেকিস্তানের হয়ে গলা ফাটাবে। গ্যালারির সকলে মিলে উজবেকিস্তানের হয়ে চ্যান্ট করতে থাকে৷ শিশুটি হেসে ফেলে। ওই হাসি-ই কি দেশ নয়?’

‘মুহূর্মুহূ আক্রমণে স্পেন। অসংখ্য পাস। ক্রমাগত প্রেসিং। আকস্মিক শট। সবকিছু তাঁর হাতের সামনে এসে অবশ হয়ে যাচ্ছিল। নিজস্ব অভিজ্ঞতার ছায়াতলে আগলে রাখছিলেন সতীর্থদের৷ ছোটবেলা মনে পড়ছিল কি? কেপ ভার্দের রাস্তা৷ স্ট্রিট ফুটবল। বড়দের সঙ্গে খেলা। হার-না-মানা জেদ।’

খেলোয়াড় থেকে টিমের কর্তৃপক্ষ বা অন্য দেশ থেকে আসা দর্শক— কেউ-ই এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। দক্ষিণ আমেরিকার জাতীয় টিম আয়োজক দেশে নির্ধারিত দিনের অনেক পরে এসে পৌঁছেছে, কারণ তাঁদের প্রতিনিধি দল যথাসময়ে ভিসা পায়নি।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.