পত্রিকা

আশিস পাঠক

বাঙালি ও শরৎচন্দ্র

‘বই-পড়া জীবন-ধারণা নিয়ে পথে নামেননি শরৎচন্দ্র। পথে নেমেই চিনে নিতে চেয়েছেন পথ আর জীবনকে। যেমন দেখেছেন, যেমন চিনেছেন, লিখেছেন সেটাই। নিজস্ব ন্যারেটিভে লেখাকে কৃত্রিম করে তুলতে চাননি। তবু অপূর্ব-র মধ্যে শরৎচন্দ্রকে খোঁজে পাঠক, শ্রীকান্ত-র মধ্যেও।’

সৈয়দ তৌসিফ আহমেদ

বাতেলাবাজের ধনুর্মার্গ

‘নিজের দৌড় সম্পর্কে বাড়াবাড়ি রকমের উচ্চ ধারণা পোষণ করাতেই তাদের ভরপুর আমোদ। যে যত বেশি অজ্ঞ, মনে-মনে সে ততই প্রাজ্ঞ। নিজেকে গা-জোয়ারি চ্যাম্পিয়ন ভেবে বসার এই মাতব্বরির খেলায় আমরা রোজই নাম লেখাই। আষাঢ়ে আত্মবিশ্বাসের পথকে ক্রমশ চওড়া করি।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৩৩

“নবীন সেনের ‘পলাশীর যুদ্ধ’ থেকে, মাইকেল মধুসূদনের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে আওড়াতেন।‌ রবীন্দ্রনাথকে খুব একটা পছন্দ করতেন না। বলতেন, ‘রবিবাবুর কবিতায় অশ্লীলতা দোষ আছে।’”

অয়ন মুখোপাধ্যায়

যে পথ ফুরোয় না

সারল্য এবং নির্মমতা, নীরবতা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়েও পৃথিবীর গণ্ডিগুলো বারবার ভাঙতে চান বিভূতিভূষণ। অভাবের সংকীর্ণতা কখনও পথের দেবতার আকুল ডাককে পরাস্ত করতে পারে না।

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

মেঘে মেঘে বেলা: পর্ব ১২

হয়তো চশমাটাকে শত্রু না ভেবে বন্ধু বানানোই ভাল। চশমা পরব। নিজের মুখ দেখব। একটা রেখা বেশি দেখলে দেখব। দুটো বেশি হলে আরও দেখব। তারপর হাসব। কারণ মুখে একটা রেখা থাকা মানে এই নয় যে যৌবন চলে গেছে।

তথাগত মুখোপাধ্যায়

রিয়েলিটি চেক

যেসব শিল্পীর এই ট্রাপিজ খেলায় যার কিছু যায়-আসে না, সে তো এখন বাড়তি। তার জন্য ফ্ল্যাশ-বালবের ঝলকানি নেই, নেই প্রিন্টের খরচ, রিয়েলিটি শো-এর রিয়েলটাইমে সে ব্রাত্য। তাই বাদ পড়ে যায় অনিন্দ্য আর অনিন্দ্যরা।

অরূপ গঙ্গোপাধ্যায়

পুরস্কার বনাম ‘নায়ক’

১৯৬৬ সালে ‘নায়ক’ যখন উৎসবে যায়, তখন জুরিরা সত্যজিৎ রায়ের চেনা ধ্রুপদী ঘরানার বাইরে কোনো নতুন এবং প্রথাবিরোধী সিনেমাটিক ভাষাকে পুরস্কৃত করার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হচ্ছিলেন।

আদিত্য ঘোষ

কীটপতঙ্গের গোপন ভাষা

প্রাণীজগতে বৈচিত্রের শেষ নেই। মানুষ এবং পাখি সংগীতের বিষয়ে অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকবে, কিন্তু জীববিজ্ঞানে শুধু মানুষ এবং পাখিই নয়, তারা ছাড়াও এই জগতে অনেকেই

অমিতাভ মালাকার

কলমবিলাস: পর্ব ২

‘পার্কার, শেফার্স ১-২ টাকায় পাওয়া যেত ওদের দোকানে— পেন হাসপাতালে আর একটু বেশি দরে বিকোত গুড উইলের কারণে। উইলসন এবং চাইনিজ় কলমের দামও এক টাকাই ছিল। পশুপতিবাবু মাসে সাড়ে সাতশো থেকে হাজার টাকার ব্যাবসা করতেন মাসে এবং ৩০% লাভ থাকত হেসেখেলে।’

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

নারীবাদের ভাষ্যকার

কেন সব কিছু সামলানোর দায়িত্ব শুধু আমার? আর তার পরের প্রশ্নটি আরও বিপজ্জনক— আমি যে জীবনটা বাঁচছি, সেটা কি সত্যিই আমার নিজের পছন্দের জীবন? গ্লোরিয়া স্টেইনেমের গুরুত্ব এখানেই।

অমিতাভ মালাকার

কলমবিলাস: পর্ব ১

‘গুটখা, টি-টুয়েন্টি, সিরিয়ালের নোংরামো নেই, এমনকী মোবাইলফোনও শুধু জরুরি কথা বলার জন্যই এক কোণে পড়ে থাকে। একশো বছর আগে তৈরি ল্যাকার বডির ওপর মাদার অফ পার্লের কারুকাজ, ডগায় সোনার ডাবল হোল্‌ড নিব, কাট গ্লাসের দোয়াত, নীল কাচের কলমদান…!’

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৬

‘তারাটি সেলাই করা আঁচলে, সে আকাশ পরেছে।/ রাত হলে জ্বলে ওঠে, সমগ্র শরীর ছায়াপথ…/ সুতো-কারিগর, সেও উল্কা থেকে ছোট চুমকি চেঁছে/ শেষবিন্দু ফোঁড় দেয়। আমাদের মৃত্যু। ভবিষ্যৎ!’