
যৌনতা, দর্শন ও সাদ
‘‘হালফিলের মনস্তত্ত্ব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি যাঁরা করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ‘সাদিজম’ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত। ‘সাদিজম’ বা ‘স্যাডিজম’, অর্থাৎ অন্যের যন্ত্ৰণা থেকে যৌন আনন্দ উপভোগের যে এই ধারণা, তা এসেছে সাদের নাম থেকেই।’’

‘‘হালফিলের মনস্তত্ত্ব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি যাঁরা করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ‘সাদিজম’ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত। ‘সাদিজম’ বা ‘স্যাডিজম’, অর্থাৎ অন্যের যন্ত্ৰণা থেকে যৌন আনন্দ উপভোগের যে এই ধারণা, তা এসেছে সাদের নাম থেকেই।’’

‘‘কবিতা লিখে আমরা ঠিক কী চাই? দ্বিতীয়ত, কোন মুহূর্তে মনে আসে একটা লেখা প্রকাশ করা উচিত? তৃতীয়ত, ঠিক কোন কারণে একটা লেখাকে ‘কবিতা’ বলব? চতুর্থত, সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতা প্রকাশ করলে কি বাড়তি কিছু মানসিক তৃপ্তি ঘটে? এবং পঞ্চমত, কেউ-কেউ নয়, সকলেই কবি?’’
‘‘অধ্যাপক মতিলালের স্মরণসভায় তাই গায়ত্রী স্পিভাক বলেছিলেন, ‘প্রকৃত বিদ্যা দেয় আত্মার মহত্ত্ব ও সারল্য। এই আমরা শুনি। আমি কোনোদিন ভাবিনি যে এ জিনিস্টা এত কাছ থেকে দেখব।’ কিন্তু মতিলালের সারল্য কখনও-কখনও আমাদের হতবুদ্ধি করে দেয়।’’

‘আমাদের স্কুলব্যাগ বলে কিছু ছিল না। বইপত্র নিতাম হাতে। আমার বাবার আমলে নাকি একটা চটের ব্যাগে ভরে একটা বসার আসন, স্লেট, খড়ি বই নিয়ে পাঠশালায় যেতে হত। এই চটের ব্যাগটাকে বলা হত, দপ্তর।’

‘বাইরের জগৎ তখন বদলাতে শুরু করে দিয়েছিল, জনসমাজের লাল টুকটুকে স্বপ্নটি যেন মিলিয়ে যেতে শুরু করে দিয়েছিল; পরিস্থিতির কাছে মানুষ যেন ধীরে-ধীরে আত্মসমর্পণকে মেনে নিচ্ছিল— মনে হয়েছিল আমার।’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এ-পর্বে কিউরারি বিষের কথা…

চোর স্লোগান আমি একা দিচ্ছি না, আরও পাঁচজন একইভাবে আমার সঙ্গে তিতিবিরক্ত হয়ে রাজনৈতিক নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এটা একটা বৈধতা তৈরি করে আমাদের মনে।

‘‘একসঙ্গে বৃহৎ পরিমাণ কাজ করার জন্য, ডেটা-সেন্টার/সার্ভারগুলি প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, সার্ভারগুলি বিকল হয়ে যাওয়ার প্রভূত সম্ভবনা। তাই, সার্ভারগুলিকে ঠান্ডা করার জন্য, ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক ‘কুলিং সিস্টেম’, যার একটা বড় অংশ নির্ভর করে জলের উপর।’’

নীলাব্জ বলল, ‘আগে মানুষ মারা গেলে দুটো ছবি থাকত, কয়েকটা চিঠি থাকত। এখন মানুষ মারা গেলে চার টেরাবাইট ডেটা পড়ে থাকে। তবু মানুষটাই থাকে না। তুমি ভয় পাচ্ছ কারণ তুমি ভাবছ ডেটা নেই মানে তুমি নেই। কিন্তু তুমি তোমার ডেটা নও।’

রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।

আপনারা তো কালীঘাট মানেই কয়লা, বালি, চাকরি এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ চুরির কথা ভাবেন, কিন্তু মনুকা ছিল ভিন্ন গোত্রের চোর। মনুকা কী চুরি করত জানেন, পাঁঠার মাথা! এটাতেই ওর স্পেশালাইজেশন। পালা-পার্বণে কালীঘাট মন্দিরে অসংখ্য পাঁঠা বলি হত।

১৯২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন দাশ কংগ্রেস দল ছাড়েন এবং তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘স্বরাজ্য দল’। সারা ভারত পরিভ্রমণ করে তাঁরা দলের নীতি ও কর্মসূচি
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.