
বিদায় বাউন্ডুলে
তবু, নেইমার এসে যায়। ‘কোন ক্ষ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এল, আশ্বিনের এই আঙিনায়’— তারপর এলোমেলো করে দেয় সব৷ মেসির বুকে আছড়ে পড়ে গোল ক’রে।

তবু, নেইমার এসে যায়। ‘কোন ক্ষ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এল, আশ্বিনের এই আঙিনায়’— তারপর এলোমেলো করে দেয় সব৷ মেসির বুকে আছড়ে পড়ে গোল ক’রে।

বিশ্ব জুড়ে ফ্রিদা একাই হয়ে উঠেছেন এক বিশাল লাভজনক বাজার। ডায়েরির মলাট, ব্যাগ, গয়না, চাবির রিং, ফ্যাশন শোয়ের ক্যাটওয়াক— সর্বত্র ফ্রিদার চেনা কয়েকটি মুখ আর হাতে গোনা গুটিকতক ছবিই ঘুরেফিরে ব্যবহৃত হয়ে চলে, ফ্রিদার একটি নির্দিষ্ট সংস্করণ কিউরেটেড হতে থাকে।

“ফ্রিদার অন্য অনেক ছবির মতোই, ‘দ্য টু ফ্রিদাজ’-ও তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসের খতিয়ান, এবং, রেতাবলো-র মতোই, এই ছবি তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস ও বিচ্ছেদের বেদনার সঙ্গে লড়াইয়ের খতিয়ান।”

‘ইরানে যেহেতু ফুটবল মাঠে মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ, তাই ছেলের সাজপোশাকে মেয়েটি স্টেডিয়ামে ঢুকেছে। পুলিশি চোখ-রাঙানি এড়িয়ে। ইরান বনাম বাহারিনের ম্যাচ দেখবে সে। স্টেডিয়ামের নাম, আজাদি। যে অপ্রেসড, সে আজীবন থাকবে না। প্রকৃতির নিয়মই তাই।’

পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ মনে করে মেয়েরা জন্মগতভাবে কাস্টমার কেয়ার এগজিকিউটিভ। প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, প্রত্যেক সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা করা, প্রত্যেক কাজের কারণ জানানো— তাদের ফুলটাইম চাকরির অঙ্গ।

‘ঠাকুর্মা মেয়ে সন্তানদের তুলনায় ছেলে সন্তানদের বেশি খাতির করছেন। নাতনিদের চেয়ে নাতিদের খাতির বেশি! এটা তো সবসময়েই দেখেছি। মাছের লেজাটা, ছোট টুকরোগুলো সব মেয়েদের। টানাটানির সংসার হলেও, আম আসত ঝুড়ি ভরা, পচা-টচা দাগি আমগুলো মেয়েদের।’

‘কলম্বিয়ার এক নম্বর ডিফেন্ডার প্রায় মনস্থিরও করে ফেলেছিলেন, ইতালি যাওয়ার ব্যাপারে। গ্যালোঁ ভাইরা তাকে হত্যা করে শেষ করে দিয়েছিল কলম্বিয়া ফুটবলের ভবিষ্যতের একটা বড় সম্ভাবনা। সেই সঙ্গে শেষ হয়ে যায় ওই সোনালি প্রজন্মের অধ্যায়।’

‘তৎসত্ত্বেও এ-নাটকের তুলনা হয় না। লক্ষণীয়, নাটকে সরাসরি কোন দৈব অনুপ্রবেশ বা অলৌকিক হস্তক্ষেপ নেই। দ্বিতীয়ত, এক ধরনের নিয়তিতাড়িত দরিদ্র অথচ সৎ মানুষের কপাল খুলে যাওয়া আছে।’

শুধু মাঠের লড়াই নয়, গ্যালারির গর্জন, কোটি মানুষের প্রত্যাশা, স্নায়ুর অসহনীয় চাপ— সবই যেন আর্জেন্টিনার পক্ষে। আর ওপারে? মাত্র কয়েক লক্ষ মানুষের এক দ্বীপরাষ্ট্র। ঐতিহাসিক এক ম্যাচের পর ফিরে দেখলে, স্কোরবোর্ড হয়তো মিথ্যে প্রমাণিত হবে।

‘বংশপরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্বর্ণকুমারী নিজের সাহিত্যিক-সামাজিক সত্তাকে যেভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আজ সে প্রসঙ্গেই কথা হওয়া উচিত। ঠাকুরবাড়ির প্রতিভার ভিড়ে, সেই মাপকাঠিতে নিজের অবস্থান তৈরি করা এ এক নতুন আত্মপরিচয়ের প্রতিষ্ঠার গল্প।’

‘একটা জাপটে ধরা আমাদের বুক উথালপাথাল করে দেয় লুকা মদ্রিচ। আপনারা জানেন না। আপনি না। আপনার বন্ধুও না। আপনাদের বন্ধুত্বের রং আমাদের ঘুমের গায়ে আঁচড় কাটে সারারাত। ঘুমোতে দেয় না।’

আপাত-উদ্ভট সংলাপ কিংবা ঘটনাক্রমের মধ্যে দিয়ে রূঢ় বাস্তবতাকে তুলে আনা, প্রতীক-অবচেতন-কল্পনার অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলি, পরাবাস্তববাদ, যৌনতার নতুন প্রকাশ, শব্দ নিয়ে খেলা— এগুলোই বলরাম বসাকের ছোটগল্পের মূল ভিত্তি। বিপন্নতার অজস্র টুকরো তাঁর বইয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.