
বিতর্কিত একাদশ: পর্ব ৪
‘‘ম্যাচের প্রথম পর্ব থেকেই দেখা গেল, ইউসেবিওরা যতই প্রতিভার স্ফুরণ দেখান না কেন, তাঁদের ডিফেন্সেরও ‘টার্গেট’ সেই পেলে! পেলে প্রথম বল ধরতেই, সেন্টার সার্কেলে এসে তাঁকে ফাউল করলেন জোয়ান মোরাইস। ইঙ্গিত পরিষ্কার!”

‘‘ম্যাচের প্রথম পর্ব থেকেই দেখা গেল, ইউসেবিওরা যতই প্রতিভার স্ফুরণ দেখান না কেন, তাঁদের ডিফেন্সেরও ‘টার্গেট’ সেই পেলে! পেলে প্রথম বল ধরতেই, সেন্টার সার্কেলে এসে তাঁকে ফাউল করলেন জোয়ান মোরাইস। ইঙ্গিত পরিষ্কার!”

‘গোল করেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন স্কিয়াভিও। কিছুক্ষণ সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকার পর, তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেন। ইতালীয় ফরোয়ার্ড কি প্রবল চাপের মধ্যেে ছিলেন?’

‘‘সারা স্টেডিয়ামকে বিস্মিত করে, যেন নাটকের একটি বীভৎস দৃশ্য উন্মোচিত হল। ওয়ান-ইজ-টু-ওয়ান পরিস্থিতিতে, শ্যুমেখার— শট নিতে উদ্যত, বাতিস্তঁর শরীর লক্ষ্য করে, ডান-পা ও কনুই উঁচিয়ে, নিজের শরীরটিকে ছুঁড়ে দিলেন। ফুটবলের পরিভাষায় যাকে বলে ‘উইদাউট দ্য বল বডিচার্জ’।’’

‘তাঁর কাছে সবার আগে পৌঁছে সের্জিও বাতিস্তা জানতে চান, ‘তুই হাত দিয়ে গোলটা করলি, তাই না?’ মারাদোনা দাঁতে দাঁত চেপে টিমমেটকে বলেন, ‘চুপ কর। এখন সেলিব্রেট কর।’ পরে ‘টাচড বাই গড’-এ এই কথা লিখেছেন মারাদোনা।’

জম্মু ও কাশ্মীর দলের রসায়নটা একবার দেখে নেওয়া যাক। এই টিমে ১৪ জন ক্রিকেটার জম্মুর, যার মধ্যে পাঁচজন মুসলিম; আর চারজন কাশ্মীর উপত্যকার। অধিনায়ক পরশ ডোগরা হিমাচলের, এছাড়া রয়েছেন উত্তরাখণ্ডের এক ক্রিকেটার। কিন্তু আকিব নবি, কামরান ইকবাল, শুভম পুন্দির, সাহিল লোটরাদের উঠে আসার দীর্ঘ পথে এই বিভাজন-তাসের উত্তাপের আঁচ ন্যূনতম পড়েনি!

‘‘একবার ভাবুন তো, কলকাতার ক্রীড়া-সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে এই হিন্দুত্ববাদী আস্ফালনের ন্যূনতম সম্পর্ক রয়েছে কি না? আর কেনই-বা বিসিসিআই ক্রিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে এইসব অ-ক্রিকেটীয় ব্যতক্তিদের ‘হুমকিকে’ পাত্তা দেবে?’’

‘‘বিশ্বকাপে সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা রয়েছে এই টিম স্পিরিটের। তিনটে ম্যাচ হারার পর প্রচণ্ড চাপে পড়ে গিয়েছিল টিম। তখন আমরা একে-অপরের পাশে থেকেছি প্রবলভাবে; দোষারোপ করিনি কাউকে। বিশ্বাস ছিল, দু’বছরের মেহনত বৃথা যাবে না।’’

“মেয়েদের এই বিশেষ ক্রিকেটের পরিকাঠামো, জনপ্রিয়তা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, নিজেদের গ্রামীণ পরিবারের সচ্ছলতার অভাব— সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে, এই বিশ্বজয় মনে করিয়ে দেয় সেই বিখ্যাত গানটির লাইন, ‘তু জিন্দা হেয় তো জিন্দেগি কে জিত পেয় ইয়েকিন কর…’”

‘সমগ্র স্টেডিয়াম ছিল বিরুদ্ধে, ঐতিহাসিক সোনাজয়ের লড়াইয়ে চুনী-পিকে-জার্নেলদের হয়ে হয়ে গলা ফাটালেন পাক হকি তারকারা।’
১৯৬২-র জাকার্তা এশিয়ান গেমসের ফুটবল ফাইনাল নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

‘অদিশ ভয়ঙ্কর ভেঙে পড়েছিল; কয়েকমাস রীতিমতো ডিপ্রেশনে চলে যায়। দু’চোখে অন্ধকার দেখে, এমনকী শিশুপুত্রকেও অবহেলা করতে শুরু করে। তার গুটিকয়েক বন্ধু , কলিগ এবং সায়নীদি পাশে না দাঁড়ালে কী যে হত সে-সময়ে…’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.