
সংগীত-সাধক
‘সারাজীবন অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন করছেন, ওঁকে কখনও দেখিনি ভুল সময়ে খাওয়াদাওয়া বা অনুষ্ঠান করছেন। উচ্চাঙ্গ সংগীতকে আত্মস্থ করার জন্য যে-অনুশাসন লাগে, নিজের জীবনকেও সেই অনুশাসনে বেঁধে এনেছিলেন।’

‘সারাজীবন অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন করছেন, ওঁকে কখনও দেখিনি ভুল সময়ে খাওয়াদাওয়া বা অনুষ্ঠান করছেন। উচ্চাঙ্গ সংগীতকে আত্মস্থ করার জন্য যে-অনুশাসন লাগে, নিজের জীবনকেও সেই অনুশাসনে বেঁধে এনেছিলেন।’

‘একটা সময়ে সিল্কস্ক্রিন পদ্ধতিতে ছাপা হত ‘আর্টডাস্ট’, সুতরাং তা ছিল বেশ খরচসাপেক্ষ। প্রতিলিপিকরণ প্রযুক্তি আসবার পরে খরচ কমে, ফলে আরও বেশি সংখ্যায় ছাপা হতে থাকে ‘আর্টডাস্ট’। কিন্তু কখনওই সংখ্যাধিক্যের কারণে ‘আর্টডাস্ট’-এর সীমিত সংস্করণের ট্যাগ খুলে দেননি তার অজ্ঞাতনামা প্রকাশকেরা।’

যে-সব কর্পোরেট সংস্থায় কর্মীদের অধিকার মালিক-পক্ষের কাছে ‘বিলাসিতা’ থুড়ি ‘ফাঁকিবাজির’ নামান্তর, যাদের কাছে অফিসের কোনও নির্দিষ্ট সময় হয় না, সারাক্ষণই নাকি ‘অফিস-যাপন’ করতে হয়, তাদের কাছে ফ্রান্স-ইনফোসিসের এই ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

‘এই জয় থেকে কী শিক্ষা সংগ্রহযোগ্য? এক, আজকের দিনকালে, সফল হতে গেলে আন্দোলনের লাগাতার প্রচারের জন্য মূলস্রোতের গণমাধ্যমকে পাশে পাওয়ার দরকারই নেই।’

‘‘‘যুগান্তর’-এ শিক্ষানবিশ সাব এডিটরের কাজ করার ফাঁকে-ফাঁকে আমি ‘ছোটদের পাততাড়ি’তে ছড়া লিখতাম। গৌরাঙ্গ ভৌমিক সম্পাদনা করতেন ‘ছোটদের পাততাড়ি’। প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার বের হত। গৌরাঙ্গদা চাইলেই আমি ছড়া দিয়ে দিতাম। অমিতদা চাইলে ‘রোজনামতা’য় ছড়া দিতাম।’’

‘পদ্মাকে কাছে ধরে রাখার ইচ্ছেতেই সম্ভবত কুঠিবাড়ির পাঁচিল ঢেউখেলানো। আম-জাম-কাঁঠালের ছায়াঘেরা, দু’টি পুকুর সমেত দোতলা জমিদারবাড়ি বেশ যত্ন করে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।’

‘ওই বিল থেকে একটা মায়াবি জলজগন্ধ পাওয়া যেত, কিছু কচুরিপানা, যা পুরোটা শুকায়নি, এর উপর দিয়ে হাঁটলে হালকা ফটাস শব্দ হত। শব্দ-চিত্র-গন্ধময় সুখস্মৃতি।’

‘সব কেমন অন্ধকার হয়ে যায়। আকাশটা ধূসর। সারাদিন ঘুম পায়। জামাকাপড় শুকোয় না। অফিস যেতে কাদা। জুতো নষ্ট হয়। রাস্তা জ্যাম। তারপর ডেঙ্গু, মশা, জল জমা। এর মধ্যে আবার কেউ-কেউ বলে, ‘আহা, কী রোম্যান্টিক!’’

‘‘আলেকজান্দার দুমার প্রকাণ্ড দেহের মতোই জীবনের ব্যাপ্তিও সুবিশাল আর চোখধাঁধানো। যেমন ধূমকেতুর মতো তাঁর উত্থান, তেমনই আশ্চর্য তাঁর ফুরিয়ে যাওয়াও। ‘লা প্রেস’ কাগজকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আলেক্সান্দার দুমা আপনাদের জন্য নয়, লেখে নিজের জন্য।’’

‘‘‘কৃতি’ আর ‘ফেব্লওয়ার্কস’-এর সৌজন্যে এই ধারাবাহিকের আমেজ ফিরে আসবে আবার। তাঁদের ‘রংমশাল’ শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। ‘জি ডি বিড়লা সভাঘর’-এ ‘গানের ওপারে’-র বিভিন্ন গান ও মুহূর্ত ধরে রাখা হবে আজকের সন্ধ্যায়।’’

‘কৃতি’ এবং ‘ফেবলওয়ার্কস’ আয়োজিত ‘রংমশাল’ সার্থকনামা। তিনদিনব্যাপী এই কার্নিভালে তিনরকমের তিনটি অনুষ্ঠান এসে এক মোহনায় মিলে যাচ্ছে যেন। ঋতুপর্ণ ঘোষ থেকে গুরু দত্ত, গীতা দত্ত থেকে রবীন্দ্রনাথ— এসে মিলেমিশে যাবে এই তিনদিনে।

মামু চলে গেছেন, সে-ও বছর চোদ্দ হল। বাবা-মা-ও নেই আর। আমার মধ্যে থেকে আঁকার ইচ্ছের মতো ওঁরাও একে-একে মিলিয়ে গেছেন। তবু, আজও কখনও যখন লেক গার্ডেন্সের বাড়িটায় যাই, গানের ঘরে ঢুকি, একবার অন্তত চোখ তুলে দেওয়ালে টাঙানো নিজেরই আঁকা ওই ছবিটার দিকে তাকাই।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.