Kolkata সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৯

‘আমাদের স্কুলব্যাগ বলে কিছু ছিল না। বইপত্র নিতাম হাতে। আমার বাবার আমলে নাকি একটা চটের ব্যাগে ভরে একটা বসার আসন, স্লেট, খড়ি বই নিয়ে পাঠশালায় যেতে হত। এই চটের ব্যাগটাকে বলা হত, দপ্তর।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন:পর্ব ১৮

‘বাগবাজারের বসু বাড়িটা বড় বিখ্যাত। বিরাট-বিরাট থামওয়ালা বাড়ি, বাড়ির লাগোয়া জমি অনেকটা। ওই মাঠ এখন আর নেই। বাগবাজার মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুল হয়েছে। যখন স্কুল হয়নি, মাঠ, ওই মাঠে নেতাজি জয়ন্তীতে অনুষ্ঠান হত।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ১৯

কালীঘাট কালীমন্দিরের চত্বরে এলেই আপনি প্রথম দিকে ফুলের গন্ধ পাবেন। সকালবেলা এলে ফুলের পাশাপাশি দুধ মেরে ক্ষীর করা পেঁড়ার গন্ধও মুখে জল এনে দিতে পারে। এবার পায়ে পায়ে মন্দিরের ভেতর ঢুকুন, সেখানে ফুলের গন্ধের সঙ্গে মিশবে ধূপধুনো।

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৭

‘জলে ভাসত ট্রামের হলুদ টিকিট, লক্ষ্মীবিলাস তেলের কাগজের বাক্স, ঢোল কোম্পানির মলমের চ্যাপ্টা কৌটো। নন্দলাল বসু স্ট্রিটে ছিল, জজের বাড়ি। জজসাহেবকে কখনও দেখিনি আমি, কিন্তু ছোট্ট গাড়ি-বারান্দাওয়ালা বাড়িটাকে সবাই বলত জজের বাড়ি।’

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ২৮

নিউজপ্রিন্টের দাম বাড়ছে, ১৯৭৮-এর বন্যায় ভেসে যাওয়া শহর আবার উঠে আসছে জলের তলা থেকে। এই কলকাতা, ছবির শেষে চড়কের বাঁশে চড়া ছেলেটি বলে ওঠে, ‘কালকাতা কভি খতম নেহি হোতা।’ এই শহরেই বস্তি উচ্ছেদ, এই শহরেই দুর্গাপুজোর রংমশাল।

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ১৮

‘আমাদের বড্ড কাছাকাছি। জায়গাটা ঠিক কোথায়, চিন্টু বলেনি। বুঝে নিয়েছে। ঠিক হল, মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধেই চিন্টু যাবে সেই সিনেমার পরিচালকের বাড়ি। ও, রুমি অ্যালবাম নিয়ে এসেছে। আমি আর চিন্টু উঠে পড়েছি গঙ্গারামের রিকশায়।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৬

‘তবে গঙ্গার জল সরবরাহের ভূগর্ভের পাইপ-লাইনের অস্তিত্ব এখনও দেখা যায়। মহাজতি সদনের পিছনের গলিগুলোতে, কারবালা ট্যাঙ্ক লেনে, মানিকতলা অঞ্চলে চোখে পড়েছে।’

আদিত্য ঘোষ

আলো ও একাকিত্ব

নীলাঞ্জনা, সোহাগ, পূর্বা, শিউলি এরা একই জায়গার বিভিন্ন মধুশালার রাতপরী। একে-অন্যের কর্মজগতের প্রতিপক্ষ। কর্পোরেট জগতের মতো, সেক্টর ফাইভের ক্লান্ত বিকেলের মতো এরাও মাঝেমধ্যে একটু বিশ্রাম নিতে বাইরে আসে। সিগারেট-চা খেয়ে আবার কাজে ফেরে।

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৫

‘বউদি বাপের বাড়ি গেল। মহিলাদের মুখে পোয়াতি কথাটা শুনেছিলাম শৈশব থেকেই। মানেটাও বুঝতাম। পুরুষ গুরুজনরা বলত গর্ভবতী, দাদু বলতেন অন্তরাবর্তী। কিছুদিন পর বউদি ফিরল কোলে বাচ্চা নিয়ে। ছেলে হয়েছিল। পিসেমশাই নাম রাখলেন সুজিত।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ১৭

‘চিন্টুও এমন একটা কিছু খুঁজছিল— যাতে সে সত্যিকার হিরো হবে। এমনিতে যেখানে খেলা সংক্রান্ত যা গোলমাল হত, আমরা মার-ই খেতাম। কোথাও তেমনভাবে মার দিয়ে আসতে পারতাম না। কেউ আরও মারতে পারে ভেবে শরণাপন্ন হতাম বাঘাদার। পরে আমাদের অস্ত্র এল, টুকরে। আমাদের আর ভয় নেই।’

গৌতম ঘোষ

মুহূর্তের ভাষ্যকার

‘একথা মানতেই হবে, রঘু রাইয়ের খুব প্রিয় শহর ছিল কলকাতা। উনি কলকাতায় অসংখ্য ছবি তুলেছেন। নানা সময়ে, নানা পর্বে। কলকাতার যে বৈচিত্র্য, তা রঘু রাইকে মজিয়ে রেখেছিল। রঘু রাইয়ের সঙ্গে কলকাতা নিয়ে কত কথা যে হয়েছে!’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৪

‘যে-অঙ্কগুলি আমি পারি না, ভাল ছেলেদের কাছে সে-সব জলভাত। জ্যামিতির যে-এক্সট্রা গুলো স্যর করাচ্ছেন, সে-সব আমার আয়ত্তের বাইরে। আমি লজ্জা পেতে লাগলাম। আমি ব্যাকবেঞ্চার হতে-হতে, লাস্টবেঞ্চার হয়ে গেলাম।’