Culture সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Representative Image
দেবেশ চট্টোপাধ্যায়

স্মৃতি-সত্তা-নির্মাণ

‘‘‘তখন বিকেল’-এ, তাপস সেন অলোকসম্পাত করেছিলেন। প্রায় নিরাভরণ মঞ্চে, অসিত মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা লাহিড়ী দু’জনে পাশাপাশি বসে কথা বলছেন। ওপরে একটা বড় ছাতা। তারপরে সন্ধে ঘনায় এই ভাব অনুযায়ী আলো পাল্টাতে থাকে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৯

‘একবার রেঙ্গুন থেকে দু’জন এল, ওদের কলকাতা দেখাতে নিয়ে যাওয়া হবে। কেন কে জানে, আমাকেও নিয়ে গেলেন। তখনও পিসেমশাইয়ের গাড়ি ছিল না। কোনওভাবে একটা গাড়ি জোগাড় করেছিলেন, কিম্বা ভাড়া নিয়েছিলেন।’

অভিষেক রায় বর্মণ

শ্রম, সিনেমা, সংহতি

‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’

Representative Image
তৃণা ঘোষাল ভট্টাচার্য

সাত খুন মাফ

‘সুজানা আনা মারিয়া ভেরকার্ক ছিলেন অষ্টাদশ শতকের এক ডাচ মহিলা, বাসস্থান ছিল চুঁচুড়ায়। তাঁর প্রথম স্বামী ছিলেন পিটার ব্রুয়েস, হুগলিতে ডাচ বসতির সিনিয়র মার্চেন্ট ও প্রধান প্রশাসক।’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ১৩

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফাল্গুনী রায়, অরুণ বসু, কবিরুল ইসলাম।

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন পর্ব: ৪৩

‘অপরাধপ্রবণ শহর হিসেবে আমেরিকায় বাল্টিমোরের স্থান তৃতীয়। আর ড্রাগের খোলাবাজার, বিশেষ করে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক নেওয়ার অভ্যেস এই শহরের নতুন প্রজন্মের একটা বড় অংশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।’

Representative image
ভাস্কর মজুমদার

আরেকটি প্রেমের ‘সিনেমা’

‘‘‘সবর বন্দা’ ছবিটি আলাদা তার শৈল্পিক গুণে। আনন্দ প্যাকেট খুলে ক্যাকটাস ফল দেখতে পায় আর হেসে । যত্ন করে কাঁটা ছাড়ানো লাল ফল। আনন্দের সকালে উঠতে দেরি হয় জেনে, তার বাল্যবন্ধু বালিয়া (সূরয সুমন) ‘সারপ্রাইজ’ বলে জিনিসটি রেখে গেছে। এই ক্যাকটাস ফল— মারাঠি ভাষায় যাকে সবর বন্দা বলে— তা আনন্দের শৈশব ও তারুণ্যের অভিজ্ঞান।’’

Representative Image
শ্রীজাত

দূরপাল্লা:পর্ব ৪১

আর যেখানেও যাও-না-কেন, প্যারিস অবশ্যই যেও!— বলেছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ভেতরে থাকা ভ্রমণপিপাসু মনের স্ফুলিঙ্গ বারবার আগুন হয়ে ছড়িয়ে গিয়েছে জীবন-জিজ্ঞাসায়। প্রথমবারের ইউরোপ ভ্রমণ নিয়ে তেমনই কিছু স্মৃতিচূর্ণ…

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৯

‘‘রিন্টুদা ছিল রোগা লম্বা, খাঁড়া নাক, বাঁটুল কার্টিং চুল। রিন্টুদা চিন্টুর জাঠতুতো দাদা। তখন দাদা-দিদিরা বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ হত, কেননা সিলেবাসে শরৎচন্দ্রের ‘মেজদা’ ছিল। সবাই মেজদা। রিন্টুদা আমাদের সঙ্গে কথা বলত না। আমরা ছোট, পুঁচকে, অর্বাচীন, গাধা, গরু, বলদ, নেংটি— আমাদের সঙ্গে কী কথা বলবে। ওই জাঠতুতো দাদা রিন্টুদা ছিল মহা গুলবাজ। পড়াশোনায় ভাল, কালীঘাটের কোনও দোষ পায়নি। কাগজে তামাক ভরে ঠোঁট বুলিয়ে বেশ কায়দা করে সিগারেট বানিয়ে খেত। তার আগে কাউকে অমনটি দেখিনি।’’

প্রহেলী ধর চৌধুরী

কর্পোরেট বুদবুদ

‘‘এই যে না-থাকা, তা কিন্তু  শব্দটা ইংরেজি বলে নয়। জগতের কত ইংরেজি, ফার্সি, পর্তুগিজ শব্দই কালক্রমে বাংলা ভাষার আঁচলের তলায় মুখ গুঁজেছে। প্রায় সব আঞ্চলিক ভাষারই অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর ভাষা দ্বারা অবলুপ্তির ভয় আছে।’’

অভীক মজুমদার

একুশের বিষাদ

‘‘কথাটা এতক্ষণে পাওয়া গেল। ‘ভাষা-গণতন্ত্র’। বিশ্বজোড়া পাঠশালায় সে-জন্য প্রতিটি ভাষার সমানাধিকার। সে ছোট না বড়, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী না কি দুর্বল, উপনিবেশ গড়েছে না গড়েনি, সংস্কৃতি চেনা না অচেনা, কামান-বন্দুক-গ্রেনেড আছে, না নেই— এইসব প্রশ্ন অবান্তর।’’

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ১১

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বাসুদেব দাশগুপ্ত ও মৃদুল দাশগুপ্ত