Culture সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Representative Image
গৌতম ঘোষ

সিঙ্গল : পর্ব ৩

‘মাল্টিপ্লেক্স এল, সিঙ্গেল থিয়েটার আস্তে-আস্তে কমতে আরম্ভ করল। মাল্টিপ্লেক্স-সংস্কৃতি আমেরিকা-তেই প্রথম শুরু হয়েছিল, কারণ ওরা দেখল লোকজন সিনেমাহল-বিমুখ হয়ে পড়ছে ক্রমাগত। রেস্টুরেন্ট-জামাকাপড়— এসবের মধ্যে সিনেমাহল নিয়ে এলে নাকি, লোকের দেখার সম্ভবনা বেড়ে যায়।’

Representative Image
মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়

মানবজমিনের ‘চাষা’

‘‘১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এল্‌মহার্স্ট রথীন্দ্রনাথ-সহ কয়েকজনকে নিয়ে ঘুরে গেলেন সুরুল। ফিরে এসে শান্তিনিকেতন বাড়ির দোতলায় রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতিতে শুরু হল পরিকল্পনা। সাহেব আর দেরি করতে চান না। অতএব, পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারিই শুরু হয়ে গেল সুরুলের ‘স্কুল অফ এগ্রিকালচার’-এর কাজ।’’

শিলাদিত্য সিংহ রায়

যামিনী-সুরাবর্দি সম্বাদ

‘১৯৩৬-এর শুরু থেকেই হাসান শাহিদ সুরাবর্দিকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বুধমণ্ডলীতে। মনে রাখতে হবে, যামিনী রায় তখনও সে-আড্ডার সক্রিয় সদস্য নন, যদিও তাঁর অনুপস্থিতিতেই উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার আড্ডায় তাঁকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলেছে দিনের পর দিন— প্রধানত সুধীন্দ্রনাথ ও সুরাবর্দির আগ্রহেই।’

Representative Image
শমীক ঘোষ

নিজেকে চেনার অস্বস্তি

‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’

Representative Image
অভিজিৎ দাশগুপ্ত

সুরের ঠিকানা

‘‘রাহুলদেব বর্মণের সংগীতে যে-ছন্দের বৈচিত্র্য, কণ্ঠের ব্যবহার, পরীক্ষার সাহস— সেটা সম্ভব হয়েছিল কারণ তিনি নিজে যেমন অসাধারণ প্রতিভাবান ছিলেন, তেমনই আশা ভোঁসলেও ছিলেন তাঁর এক বিশাল শক্তি। আশা শুধু গায়িকা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ‘রিসোর্স’, এক সৃষ্টিশীল সঙ্গী…’’

Representative Image
অভ্রদীপ ঘটক

কার দেশ বলো?

‘‘ইতিহাসে ‘অনুপ্রবেশকারী’ কারা, এই প্রশ্নের উত্তর খুব একমাত্রিক নয়, তা এই সহজ ইতিহাস থেকেই অনুধাবন করা যায়। ঐতিহাসিক তথ্য বলছে, আর্যরা ভারতে এসে প্রথমেই প্রাচীনতম দ্রাবিড় এবং প্রোটো-অস্ট্রোলয়েডদের তৈরি সিন্ধু সভ্যতা বা হরপ্পা সভ্যতার ওপর নিজেদের প্রভাব কায়েম করে।’’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন পর্ব: ১১

‘রঙিন কাগজ কেটে কালি বানিয়ে তার উপর গোল করে আঠা দিয়ে জুড়ে শিকল করা হত। সেই শিকল টাঙানো হত। রঙিন কাগজের ফুলও তৈরি করা হত। ঠাকুর সাজানোর জন্য যে যতটা পারে প্রতিভার বিকাশ ঘটাত।’

OSCAR
সোহিনী দাশগুপ্ত

নেপথ্যের নারীরা

‘সিনেমার কারিগরি বিভাগগুলিতে, বিশেষ করে ক্যামেরা, প্রোডাকশন ডিজাইন, সাউন্ড, মিউজিক এবং পরিচালনা— মহিলারা শুরু থেকেই ব্রাত্য। অবশেষে গল্প পাল্টাচ্ছে। অবশেষে মেয়েরা যোগ দিচ্ছে পর্দার পিছনের দৃশ্যপটে। তৈরি করছেন দেখা, শোনা আর গল্প বলার স্বতন্ত্র এবং দক্ষ ভাষা।’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ১৬

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে কমল চক্রবর্তী, শৈলেশ্বর ঘোষ, সুভাষ ঘোষ

Representative Image
দেবেশ চট্টোপাধ্যায়

স্মৃতি-সত্তা-নির্মাণ

‘‘‘তখন বিকেল’-এ, তাপস সেন অলোকসম্পাত করেছিলেন। প্রায় নিরাভরণ মঞ্চে, অসিত মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা লাহিড়ী দু’জনে পাশাপাশি বসে কথা বলছেন। ওপরে একটা বড় ছাতা। তারপরে সন্ধে ঘনায় এই ভাব অনুযায়ী আলো পাল্টাতে থাকে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৯

‘একবার রেঙ্গুন থেকে দু’জন এল, ওদের কলকাতা দেখাতে নিয়ে যাওয়া হবে। কেন কে জানে, আমাকেও নিয়ে গেলেন। তখনও পিসেমশাইয়ের গাড়ি ছিল না। কোনওভাবে একটা গাড়ি জোগাড় করেছিলেন, কিম্বা ভাড়া নিয়েছিলেন।’

অভিষেক রায় বর্মণ

শ্রম, সিনেমা, সংহতি

‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’