
গাট্টুর দুনিয়া
“গাট্টু শুধু একটি রঙ কোম্পানির প্রতীক না থেকে হয়ে উঠেছিল দেশের সকল মানুষের ‘ঘরের ছেলে’।”

“গাট্টু শুধু একটি রঙ কোম্পানির প্রতীক না থেকে হয়ে উঠেছিল দেশের সকল মানুষের ‘ঘরের ছেলে’।”

“ক্যাসেট কোম্পানিগুলো কিশোরকুমারের শ’দুয়েক গানকেই ঘুরিয়েফিরিয়ে নানা নামে বাজারে বেচত। তার বাইরের গান শুনতে পাওয়ার সহজ সুযোগ ছিল না তেমন। সেই সময়ে আমি কিছু আশ্চর্য লোকজনের খোঁজ পেলাম। কারা তাঁরা? তাঁরা ‘গানচোর’।”
কিশোরকুমারের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

“অবাঙালিদের ‘সবক’ শেখানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই চেষ্টা বিক্ষিপ্ত ঘটনা হিসেবেই রয়ে যায়। ফলস্বরূপ দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিরিয়ানির দোকানের হোর্ডিং নামিয়ে নিতে হয়, উত্তর ভারতীয় দাদারা নবরাত্রিতে আমিষ খান না বলে।”

‘যে-বিষয় নিয়ে বইটা লেখা, যে-সময়ের কথা বলা, সে-সময়ে কিংবা তার আগে-পরে কি এ-বিষয়— নেশা বা রান্না-খাওয়া ইত্যাদি নিয়ে কেউ লিখেছেন? কেউ লেখেননি। যাঁর যেটা ইচ্ছে হয়, সেটা নিয়ে তিনি চর্চা করেন। এখন সেটা ধ্রুপদী ইতিহাসের তকমা পাবে কি না, সে-তো পাঠক বলবেন!’
সাক্ষাৎকার। অরুণ নাগ

‘বেচাকেনার এই হাটে ছিল কিছু স্বতন্ত্র স্থানমাহাত্ম্যও। যেমন ‘বটতলা’, ‘চায়ের দোকান’, ‘গাছতলা’, ‘রেলনীড়’ ‘এটিএম’ নাম উচ্চারণের সঙ্গে-সঙ্গে হাটে নিয়মিত আগত মানুষটি বুঝে যেতেন সুনির্দিষ্টভাবে কোন জায়গার কথা বলতে চাইছেন বক্তা। এগুলো ছিল কোডনেমের মতন।’
বিশ্ব ডাক দিবসে বিশেষ নিবন্ধ…

“আরমানি গোটা ব্যাপারটার খোলনলচে বদলে দিলেন। পুরুষের পোশাক থেকে সমস্ত ‘স্টাফিং’ বাদ দিয়ে হালকা, অনায়াস চলাফেরাযোগ্য স্যুটের নকশা তৈরি করলেন। তাতে একটা তথাকথিত ‘ক্যাজুয়াল লুক’ এলো। স্যুট-টাই মানে একটা গুরুগম্ভীর ব্যাপার আর থাকল না।”
জর্জিও আরমানি স্মরণে বিশেষ নিবন্ধ…

‘‘ভারতের বেশিরভাগ অংশ ‘সনাতন’ ধর্মে ছেয়ে গেলেও, বাঙালির কাছে দুর্গা পুজো আজও উৎসব। নিয়মের কোনও কড়াকড়ি নয়— বরং নিয়ম ভাঙারই সময় এই ক’দিন।’’
দুর্গাপুজোর স্মৃতি-বিস্মৃতি, আধুনিকতা নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

‘কাউকে কখনও দেখেছ ওগুলোকে গুরুত্ব দিতে? বলতে যে, বাহ্, কী সুন্দর ফল কেটেছ তুমি! দেখোনি। কারণ আমরা ধরে নিই যে, ওগুলো এমনিই হয়, এমনিই হয়ে যাবে…’

“সাধুবাবাদের ভণ্ডামি ও মুখোশ খোলার এই খেলাটা অবশ্য খুবই আগ্রহব্যঞ্জক এই কারণে, ফেলুদা যে-বছর আবির্ভূত হচ্ছে গল্পের পাতায়, সেই বছরই মুক্তি পাচ্ছে ‘কাপুরুষ ও মহাপুরুষ’, যার মধ্যে ‘মহাপুরুষ’ পরশুরামের ‘বিরিঞ্চি বাবা’-র আধারে নির্মিত। ভণ্ড সাধুর যে-চেহারা সেই ছবিতে দেখিয়েছেন সত্যজিৎ, তার একধরনের ‘সাবভার্সন’ আসে মছলিবাবা-তে।”

‘রাজনৈতিক রণাঙ্গণে বহু রক্তপাত ঘটিয়ে, অনেক অশ্রুপাতে মুখ থুবড়ে পড়েছে যাবতীয় বৈপ্লবিক প্রচেষ্টা। কিন্তু মেয়েরা বাংলার সমাজক্ষেত্রে একটি নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে বিগত তিন-চারটি দশকে।’
‘সংবাদ মূলত কাব্য’। পর্ব ১৯

‘কেন কে জানে, যে-শব্দের মধ্যে একটা দার্শনিক বিস্তার বা ব্যঞ্জনা আছে, তা কখনও কোনও বাধা, বিপত্তি মানে না। সে ‘সুরের দেশভাগ হয় না’-র মতো ভাবনাই হোক কিংবা আকাশে ‘তুক্কল’ ঘুড়ির উড়ান।’

‘প্রবীণ বয়সে আর্থিক স্বাবলম্বন ও আত্মবিশ্বাস থাকলেও যদি সম্পর্ক সেই আবেগী সংযোগ দিতে ব্যর্থ হয়, তবে বিচ্ছেদকে আত্মরক্ষার উপায় হিসেবে দেখা হয়।’
গ্রে-ডিভোর্স নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.