Culture সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

পিনাকী ভট্টাচার্য

ফ্যাশন ও প্যাশন

‘বাঙালি প্রথম একটা আইকন খুঁজে পেল নিজেদের মধ্যে থেকে, যার একটা নিজস্ব ‘সোয়্যাগ’ আছে। তারা চকমকে শার্ট-প্যান্ট পরতে শিখল, পা কিছুটা ফাঁক করে দাঁড়াতে শিখল, শিখল দুষ্টু হাসি হাসতে। কলেজে, পাড়ার মোড়ে, চায়ের ঠেকে— সব জায়গায় মিঠুন চক্রবর্তী।’

অমিতাভ মালাকার

রসনাবিলাসীর কলকাতা

‘সকাল-সকাল রাস্তার দোকান থেকে বেএক্তিয়ার এক রসনাবিলাসী-যাত্রায় পাঠককে ঠেলে ঢোকানোর উপাদান মজুত ছিল দেবাদিত্যর বাছাইপর্বে। মুশকিল হল, পাইস হোটেলে, এমনকী জগন্নাথ হোটেলেও যে ‘সাগ ভাজা’ নামক অবাঙালি পদটি বেড়ে দেওয়া হয় না, সেটা খেয়াল রাখা দরকার।’

আশিস পাঠক

বাঙালি ও শরৎচন্দ্র

‘বই-পড়া জীবন-ধারণা নিয়ে পথে নামেননি শরৎচন্দ্র। পথে নেমেই চিনে নিতে চেয়েছেন পথ আর জীবনকে। যেমন দেখেছেন, যেমন চিনেছেন, লিখেছেন সেটাই। নিজস্ব ন্যারেটিভে লেখাকে কৃত্রিম করে তুলতে চাননি। তবু অপূর্ব-র মধ্যে শরৎচন্দ্রকে খোঁজে পাঠক, শ্রীকান্ত-র মধ্যেও।’

অমিতাভ মালাকার

কলমবিলাস: পর্ব ২

‘পার্কার, শেফার্স ১-২ টাকায় পাওয়া যেত ওদের দোকানে— পেন হাসপাতালে আর একটু বেশি দরে বিকোত গুড উইলের কারণে। উইলসন এবং চাইনিজ় কলমের দামও এক টাকাই ছিল। পশুপতিবাবু মাসে সাড়ে সাতশো থেকে হাজার টাকার ব্যাবসা করতেন মাসে এবং ৩০% লাভ থাকত হেসেখেলে।’

অমিতাভ মালাকার

কলমবিলাস: পর্ব ১

‘গুটখা, টি-টুয়েন্টি, সিরিয়ালের নোংরামো নেই, এমনকী মোবাইলফোনও শুধু জরুরি কথা বলার জন্যই এক কোণে পড়ে থাকে। একশো বছর আগে তৈরি ল্যাকার বডির ওপর মাদার অফ পার্লের কারুকাজ, ডগায় সোনার ডাবল হোল্‌ড নিব, কাট গ্লাসের দোয়াত, নীল কাচের কলমদান…!’

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

মেঘে মেঘে বেলা: পর্ব ১১

‘আগে তিন-চার-পাঁচটি সন্তান হওয়া অস্বাভাবিক ছিল না। এখন একটি বা দু’টি। ফলে চল্লিশের পর একটি সন্তান এলেই সেটি আলাদা করে চোখে পড়ে। যেন সমাজের সাজানো ছবির ফ্রেমে কেউ হঠাৎ অন্য রং ঢেলে দিয়েছে।’

সুশোভন অধিকারী

দেশাত্মবোধক : ৩

অবনীন্দ্রনাথের ‘ভারতমাতা’ দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এক বিপ্লবের ছবি। যদিও সে-ছবিতে বিপ্লবের ভাষা একেবারেই উচ্চকিত নয়, টেক্সটের আড়ালে সাবটেক্সটের মতো নীরব তার অবস্থান।

আবীর কর

আমিষ-সফর

আমাদের নিত্য-আহারে মাছ-ডিম-মাংসের উপস্থিতিকে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে চর্যাপদের কাল থেকে মাছ ধরা, পশু শিকারের বর্ণনা থেকে অনুমান করা যায় সেই সময়কালেও মানুষের খাদ্যাভ্যাসে মাছ, মাংসের চল ছিল।

Representative Image
শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

সম্পাদকের মন

’’রবীন্দ্রনাথের হাতে যখন প্রথম পৌঁছল ‘রবীন্দ্র-রচনাবলী’র প্রথম খণ্ড— একটি চেয়ারে বসে রচনাবলীর পাতা উলটোচ্ছেন কবি, রীতিমতো খুশিই দেখাচ্ছিল তাঁকে। সেসময় তাঁর চেয়ারের পিছনেই দাঁড়িয়ে পুলিনবিহারী। সেটা খেয়াল করেই কবি না কি বলে উঠেছিলেন—‘ইস! ভাবটা যেন কৃতিত্বটা ওঁরই’।’’

Representative Image
সৌগত রায়বর্মন

আগুনপাখি

‘দুর্গম বুন্দেলখণ্ড জঙ্গল-পাহাড় ছানবিন করেও করেও আমরা বাবা ঘনশ্যামের হদিশ পেলাম না। কিন্তু আমাদের হতাশ দিনগুলির মধ্যে ঝোড়ো বাতাসের মতো উড়ে এল একটা সুখবর। বাবা ঘনশ্যাম ধরা পড়ে গেছে। কী আনন্দ, কী আনন্দ! এবার আমরা নিশ্চয়ই ফুলনের দেখা পাব।’

Representative Image
অয়ন মুখোপাধ্যায়

হেতালকাঠি ও চ্যাংমুড়ি

‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস এখানেই। চাঁদ সওদাগর যে-দেবীকে ‘চ্যাংমুড়ি কানি’ বলে তাচ্ছিল্য করেছিলেন, সেই দেবীই পরে বাংলার অন্যতম প্রধান লোকদেবী হয়ে উঠলেন। ইনচুড়ায় আজও তাঁর নামে শ্রাবণে মানুষের ঢল নামে।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য: পর্ব ৪২

‘পিকনিক হয়েছিল একবার। বোধ করি, ওই সাংবাদিক ইউনিয়নটির আয়োজনে। জলযানে, স্টিমারে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার পর্যন্ত যাওয়ার ওই স্টিমারে কলকাতার সব ক’টি সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা যোগ দিয়েছিলেন।’