Culture সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

আবীর কর

আমিষ-সফর

আমাদের নিত্য-আহারে মাছ-ডিম-মাংসের উপস্থিতিকে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে চর্যাপদের কাল থেকে মাছ ধরা, পশু শিকারের বর্ণনা থেকে অনুমান করা যায় সেই সময়কালেও মানুষের খাদ্যাভ্যাসে মাছ, মাংসের চল ছিল।

Representative Image
শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

সম্পাদকের মন

’’রবীন্দ্রনাথের হাতে যখন প্রথম পৌঁছল ‘রবীন্দ্র-রচনাবলী’র প্রথম খণ্ড— একটি চেয়ারে বসে রচনাবলীর পাতা উলটোচ্ছেন কবি, রীতিমতো খুশিই দেখাচ্ছিল তাঁকে। সেসময় তাঁর চেয়ারের পিছনেই দাঁড়িয়ে পুলিনবিহারী। সেটা খেয়াল করেই কবি না কি বলে উঠেছিলেন—‘ইস! ভাবটা যেন কৃতিত্বটা ওঁরই’।’’

Representative Image
সৌগত রায়বর্মন

আগুনপাখি

‘দুর্গম বুন্দেলখণ্ড জঙ্গল-পাহাড় ছানবিন করেও করেও আমরা বাবা ঘনশ্যামের হদিশ পেলাম না। কিন্তু আমাদের হতাশ দিনগুলির মধ্যে ঝোড়ো বাতাসের মতো উড়ে এল একটা সুখবর। বাবা ঘনশ্যাম ধরা পড়ে গেছে। কী আনন্দ, কী আনন্দ! এবার আমরা নিশ্চয়ই ফুলনের দেখা পাব।’

Representative Image
অয়ন মুখোপাধ্যায়

হেতালকাঠি ও চ্যাংমুড়ি

‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস এখানেই। চাঁদ সওদাগর যে-দেবীকে ‘চ্যাংমুড়ি কানি’ বলে তাচ্ছিল্য করেছিলেন, সেই দেবীই পরে বাংলার অন্যতম প্রধান লোকদেবী হয়ে উঠলেন। ইনচুড়ায় আজও তাঁর নামে শ্রাবণে মানুষের ঢল নামে।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য: পর্ব ৪২

‘পিকনিক হয়েছিল একবার। বোধ করি, ওই সাংবাদিক ইউনিয়নটির আয়োজনে। জলযানে, স্টিমারে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার পর্যন্ত যাওয়ার ওই স্টিমারে কলকাতার সব ক’টি সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা যোগ দিয়েছিলেন।’

পৃথু হালদার

মহাকাব্যের খামতি

তবে সিনেপ্রেমী হিসেবে আমাদের বেশি ‘চিন্তা হওয়া উচিত অন্য এক বিষয় নিয়ে। যখন এমন এক মহাকাব্যিক মাত্রার টেক্সটকে পর্দায় রূপান্তরিত করা হল, তার চরিত্রগুলো কি আদৌ যথেষ্ট পূর্ণাঙ্গ চরিত্র হয়ে ওঠার সুযোগ পেল?’

Representative Image
ঋত্বিক মল্লিক

মাথা হারা মাতা হারি

‘আসলে মাতা হারি-র দুটো জীবন। এক জীবনে পেয়েছিলেন খ্যাতি আর ঐশ্বর্যের শিরোপা, নানা ঘটনায় ভরা তাঁর সেই জীবন। আর সেই জীবনের করুণ সমাপ্তির পর আর-এক খ্যাতির জীবন, তবে সে-খ্যাতি অলৌকিক, আশ্চর্যের, বিতর্কের এবং অবশ্যই সাধারণ মানুষের ভালবাসার।’

Representative Image
রাজর্ষি সরকার

কলকাতার বেলুন বিলাস: পর্ব ২

‘এই দেখে উপস্থিত দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ বললেন— রামবাবু আর নামতে পারবেন না। কিন্তু বায়ুর দোলায় ওঠা-নামা করতে-করতে দূরবিনে চোখ রাখা বাঙালিদের স্বস্তি দিয়ে রামবাবু নেমে এল একসময়ে। বেলুনটি বিকেল পাঁচটা দশ থেকে টানা ৪০ মিনিট শূন্যে অবস্থান করে সোদপুরের কাছে নাটাগড় গ্রামে অবতরণ করে।’

Representative Image
রাজর্ষি সরকার

কলকাতার বেলুন বিলাস: পর্ব ১

‘‘কিন্তু এই স্বদেশি ইচ্ছার সেতুবন্ধন করলেন রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যার হাতেখড়ি হয়েছিল এই স্পেনসারের কাছেই। তবে উল্লেখ্য, অবতারচন্দ্র লাহাই রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বেলুনিং’-এর প্রতি আকৃষ্ট করেন এবং স্পেনসার সাহেবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।”

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন পর্ব: ২৮

‘সামনের জমিতে জোছনা পড়ত, কখনও কুয়াশা জড়ানো। জোছনা ডাকত আয়-আয়, বেরিয়ে পড়তে চাইতাম। শৈলা যেতে চাইত না। কখনও ভূতগ্রস্তের মতো ঘুরেছি একা, ভয়-ভয় করত। কী একটা পাখি ডাকত, রাতে নিস্তব্ধতার মধ্যে একটা জিরাফের ভাষা লুকিয়ে থাকে।’

Representativae Image
সুতীর্থ দাশ

নিঃসঙ্গ সম্রাজ্ঞী

‘সে-যুগে প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য তিনি ১,০০০ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন— যা ছিল তৎকালীন সময়ে এক বিশাল অঙ্ক। অনুষ্ঠান বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন আপসহীন। যে কেউ নিমন্ত্রণ জানালেই তিনি রাজি হয়ে যেতেন না।’

Representative Image
তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার

সংগীত-সাধক

‘সারাজীবন অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন করছেন, ওঁকে কখনও দেখিনি ভুল সময়ে খাওয়াদাওয়া বা অনুষ্ঠান করছেন। উচ্চাঙ্গ সংগীতকে আত্মস্থ করার জন্য যে-অনুশাসন লাগে, নিজের জীবনকেও সেই অনুশাসনে বেঁধে এনেছিলেন।’