
বিদায়, লিও
এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে লিওনেল স্কালোনি কাঁদছেন। কোচের বাঁ-চোখ থেকে জল নীচে নামছে। জল কি কারও ব্যথা বোঝে? ফকল্যান্ড ওয়ার-ভেটেরান ফাবিও সান্টানা-র ঠোঁট-চোখ-শরীর-অস্তিত্বে জাতীয় সংগীত। সব

এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে লিওনেল স্কালোনি কাঁদছেন। কোচের বাঁ-চোখ থেকে জল নীচে নামছে। জল কি কারও ব্যথা বোঝে? ফকল্যান্ড ওয়ার-ভেটেরান ফাবিও সান্টানা-র ঠোঁট-চোখ-শরীর-অস্তিত্বে জাতীয় সংগীত। সব

‘অজয়দার সঙ্গে বহু খেলার ধারাবিবরণী দেওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে কলকাতা বেতার কেন্দ্র ও দূরদর্শন কর্তৃপক্ষের সৌজন্যে। বিবরণী দিয়েছি কলকাতার বহু ফুটবল ম্যাচে, শিলিগুড়িতেও। কোনওদিন ভুলতে পারব কি, প্রতিবার কমেন্ট্রি শুরুর আগে অজয়দার সেই অসাধারণ সৌজন্যের কথা— নাও, তুমি শুরু করো!’

‘এই দেখে উপস্থিত দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ বললেন— রামবাবু আর নামতে পারবেন না। কিন্তু বায়ুর দোলায় ওঠা-নামা করতে-করতে দূরবিনে চোখ রাখা বাঙালিদের স্বস্তি দিয়ে রামবাবু নেমে এল একসময়ে। বেলুনটি বিকেল পাঁচটা দশ থেকে টানা ৪০ মিনিট শূন্যে অবস্থান করে সোদপুরের কাছে নাটাগড় গ্রামে অবতরণ করে।’

‘পরিসংখ্যানের খাতিরে বলা যেতে পারে, তিনি টেস্টে ১০৯খানা ক্যাচ নিয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি ক্যাচ সেইসময় একমাত্র কলিন কাউড্রে আর ওয়াল্টার হ্যামন্ডের ছিল। কিন্তু ওই পরিসংখ্যান আসল কথা নয়। অমন ফিল্ডার যে বিরল, সেকথা বলেছেন কারা?’

‘তিনি প্রথম দিন থেকেই দলের মধ্যে একটা বিষয় পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন। দলে নামের চেয়ে বড় হবে শৃঙ্খলা। যে যত বড় তারকাই হোক, দলের নিয়ম ভাঙলে তার জায়গা হবে না। এটাই ছিল দেশঁর দর্শন।’

‘জিদানের জন্য প্ররোচনার ফাঁদ পেতেছিল ইতালি। মুহূর্তের ভুলে সেই ফাঁদে মাথা দিয়ে ফেললেন বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার। যিনি কটূক্তি করেছিলেন বা অপমানকারী, তাঁকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেল, আর যিনি অপমানিত হলেন, তাঁকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হল!’

‘ইরানে যেহেতু ফুটবল মাঠে মেয়েদের প্রবেশ নিষেধ, তাই ছেলের সাজপোশাকে মেয়েটি স্টেডিয়ামে ঢুকেছে। পুলিশি চোখ-রাঙানি এড়িয়ে। ইরান বনাম বাহারিনের ম্যাচ দেখবে সে। স্টেডিয়ামের নাম, আজাদি। যে অপ্রেসড, সে আজীবন থাকবে না। প্রকৃতির নিয়মই তাই।’

‘‘তাঁরাও যে কোনও অংশে কম নয়, সেটা প্রমাণ করার জন্য তৈরি। এটাই নারী-ক্ষমতায়নের আদর্শ বিজ্ঞাপন। সারা বিশ্ব জুড়ে নারী-স্বাধীনতা আন্দোলনের যে-জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, ‘ফিফা’ও সামিল সেই যজ্ঞে। ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’— এই আপ্তবাক্যে বিশ্বাসী হয়েই ‘ফিফা’র এই উদ্যোগ।’’

‘‘মেসি কি আবার বিশ্বজয়ী হবেন? অঙ্কের বিচারে নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কঠিন কাজ। আধুনিক ফুটবলে পরপর দু’বার বিশ্বজয়ের নজির প্রায় কোনওদলেরই নেই। তাই মেসি জিতুক বা না-জিতুক, ‘মেসি-প্রজেক্ট’ কিন্তু নিঃশব্দে বিশ্বের কাছে হয়ে থাকছে উদাহরণ।’’

‘কিন্তু ’৯৪ বিশ্বকাপের এফিড্রিন? মারাদোনা শেষ পর্যন্ত অস্বীকার করে গিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোকেন সেবনের যতই অভিযোগ থাক, মারাদোনা কোনওদিন ডোপ করে বা কোনও উদ্দীপক নিয়ে মাঠে নেমেছেন, এমন অভিযোগ স্পেন বা ইতালি— তাঁর ক্লাব-ফুটবল জীবনে ওঠেনি।’

‘‘কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ সেই গোলকিপারের নির্বাসন-মুক্তি হয়নি। একদিন একটি দোকানে কিছু পণ্য কিনতে গিয়ে বারবোসা শুনতে পেলেন, এক যুবতী তাঁকে দেখিয়ে নিজের কিশোর পুত্রকে বলছেন, ‘এই লোকটাই আমাদের সবাইকে কাঁদিয়েছিল।’’’

‘‘তবে ম্যাচটির চিত্রনাট্য একটু ভিন্নভাবে নির্মিত ছিল। এতক্ষণ সেভাবে নজরে পড়েননি, কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দশ মিনিট আগে থেকে ম্যাকানাকি-গ্যাসকোয়েনরা নন, ‘মঞ্চের’ কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠলেন রেফারি এডগার্ডো কডেসাল মেন্ডেজ।’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.