
বিদায়, লিও
এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে লিওনেল স্কালোনি কাঁদছেন। কোচের বাঁ-চোখ থেকে জল নীচে নামছে। জল কি কারও ব্যথা বোঝে? ফকল্যান্ড ওয়ার-ভেটেরান ফাবিও সান্টানা-র ঠোঁট-চোখ-শরীর-অস্তিত্বে জাতীয় সংগীত। সব

এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে লিওনেল স্কালোনি কাঁদছেন। কোচের বাঁ-চোখ থেকে জল নীচে নামছে। জল কি কারও ব্যথা বোঝে? ফকল্যান্ড ওয়ার-ভেটেরান ফাবিও সান্টানা-র ঠোঁট-চোখ-শরীর-অস্তিত্বে জাতীয় সংগীত। সব

‘সে-বারের বিশ্বকাপ মূল পর্বে সেমিফাইনাল ছিল না। ফাইনাল ছাড়া আর নকআউট পর্ব বলতে কিছু রাখা হয় নি! প্রাথমিক গ্রুপ লিগ পর্ব থেকে আটটি দল ওঠে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ পর্বে। তাদের দুটি গ্রুপে ভাগ করে আবার লিগ পর্বে খেলা হয়, ও দু’টি গ্রুপ-সেরা দল, সরাসরি ফাইনালের ছাড়পত্র পায়।’

শুধু মাঠের লড়াই নয়, গ্যালারির গর্জন, কোটি মানুষের প্রত্যাশা, স্নায়ুর অসহনীয় চাপ— সবই যেন আর্জেন্টিনার পক্ষে। আর ওপারে? মাত্র কয়েক লক্ষ মানুষের এক দ্বীপরাষ্ট্র। ঐতিহাসিক এক ম্যাচের পর ফিরে দেখলে, স্কোরবোর্ড হয়তো মিথ্যে প্রমাণিত হবে।

‘‘মেসি কি আবার বিশ্বজয়ী হবেন? অঙ্কের বিচারে নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কঠিন কাজ। আধুনিক ফুটবলে পরপর দু’বার বিশ্বজয়ের নজির প্রায় কোনওদলেরই নেই। তাই মেসি জিতুক বা না-জিতুক, ‘মেসি-প্রজেক্ট’ কিন্তু নিঃশব্দে বিশ্বের কাছে হয়ে থাকছে উদাহরণ।’’

‘‘তবে ম্যাচটির চিত্রনাট্য একটু ভিন্নভাবে নির্মিত ছিল। এতক্ষণ সেভাবে নজরে পড়েননি, কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দশ মিনিট আগে থেকে ম্যাকানাকি-গ্যাসকোয়েনরা নন, ‘মঞ্চের’ কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠলেন রেফারি এডগার্ডো কডেসাল মেন্ডেজ।’’

‘তাঁর কাছে সবার আগে পৌঁছে সের্জিও বাতিস্তা জানতে চান, ‘তুই হাত দিয়ে গোলটা করলি, তাই না?’ মারাদোনা দাঁতে দাঁত চেপে টিমমেটকে বলেন, ‘চুপ কর। এখন সেলিব্রেট কর।’ পরে ‘টাচড বাই গড’-এ এই কথা লিখেছেন মারাদোনা।’

‘শতবর্ষ আগের ‘পূরবী’ তাই যতটা রবীন্দ্রনাথের, ততটাই বিজয়ারও। ভিক্তোরিয়া ওকাম্পোর কি? ওকাম্পোর সন্ধানে গত শতবর্ষ জুড়েই তো ফিরেছেন রবীন্দ্র-জিজ্ঞাসুরা, তবু ওকাম্পো আর বিজয়া কি পুরোপুরি এক?’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.