
বৈপ্লবিক ‘বিন্দাসনেস’
“রঘু রাই ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ দেখেছিলেন। তার সূত্রেই যোগাযোগ। তবে মজার ব্যাপার কী জানেন, কালা ঘোড়ায় ওঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে অবধি আমার ধারণাই ছিল না, লোকটাকে ঠিক কেমন দেখতে!” রঘু রাইয়ের স্মরণে একান্ত সাক্ষাৎকারে অনুরাগ কাশ্যপ…

“রঘু রাই ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ দেখেছিলেন। তার সূত্রেই যোগাযোগ। তবে মজার ব্যাপার কী জানেন, কালা ঘোড়ায় ওঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে অবধি আমার ধারণাই ছিল না, লোকটাকে ঠিক কেমন দেখতে!” রঘু রাইয়ের স্মরণে একান্ত সাক্ষাৎকারে অনুরাগ কাশ্যপ…

আমার সঙ্গে মাঝেমধ্যেই তর্ক হত। আমাকে বলত, ‘এত রাজনৈতিক কাজ কোরো না। ঝামেলায় পড়ে যাবে। আলোকচিত্র নিয়ে থাকো!’ কিন্তু মজার বিষয়, রঘু তার কাজে অন্তঃসলিলা রেখেছিল রাজনীতিকে। ইন্দিরা গান্ধীর মন্ত্রিসভার যে ছবি, যেখানে পিছন থেকে দেখা যায় ইন্দিরা গান্ধীকে, সেই ছবিতে সত্যি সত্যিই শক্তি কার কাছে, এটা খুব স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।

প্রথম নির্বাচন তো হল পাঁচের দশকের গোড়ায়। আমার ওইটুকু বয়সের স্মৃতিতেও উজ্জ্বল, মানুষের মনে কত আনন্দ, কত উত্তেজনা! বাক্সে ব্যালটপেপার ফেলে, হাতে কালি নিয়ে, হাসিমুখে মানুষ বাড়ি ফিরছে। স্বাধীন দেশ, সেখানে মানুষ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের মতামত ভাগ করে নিচ্ছে। তার আনন্দই তো অন্যরকম!

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এই পর্বে ইনসুলিনের বিষ হয়ে ওঠার কথা…

বঙ্গে ভোটের উত্তেজনা। নির্বাচন কোথাও উৎসব, কোথাও হাহাকারের উৎস। কখনও রঙ্গ, কখনও রাগ-অনুরাগের সম্মিলনে এই নির্বাচনের উত্তাপের আঁচ পোহাচ্ছেন বঙ্গবাসী। তারই মাঝে প্রথম ভোট দেওয়ার স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন বিশিষ্টরা। আজ লিখছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়…

লেখ্য ইংরেজিতে বাংলা মাধ্যম থেকে পড়ে আসা অনেকেরই ভীষণ রকম দক্ষতা থাকলেও কথা বলা নিয়ে সমস্যা থাকে অনেকেরই। ভারতে, বিশেষত বাঙালিদের মধ্যে, ইংরেজি ভাষা নিয়ে এমন একটা দ্বিধাবিভক্তি আছে। এদেশে ইংরেজি মানুষ লিখতে শেখে আগে, আর বলতে শেখে পরে। কিন্তু ভাষা শেখার ক্ষেত্রে হওয়া উচিত এক্কেবারে উল্টো।

‘আমি সব সময়ে বাহুল্যবর্জনেই বিশ্বাসী। তবে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে তো কাজ করতেই হবে। মহাশ্বেতার ক্ষেত্রে যেমন, শেষদিকে ওঁর স্মৃতি হারাতে শুরু করল, কিছু কথা ভুল লিখলেন, সেই সামান্য তথ্যপ্রমাদ সংশোধন, সংযোজন— এগুলোই তো সম্পাদকের কাজ।’

‘পরিবর্তন কীভাবে আসবে, চুপিসাড়ে না সরবে, তা বলবে পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং সময়; রায় দেবেন জনতা। তবে পরিবর্তন বা প্রত্যাবর্তনের বার্তা শুনতে পায় দেওয়াল। কেননা দেওয়ালেরও কান আছে। ততদিন আমরা চোখ খোলা রাখি দেওয়ালে-দেওয়ালে।’

আজ বিশ্ব বই দিবস। বই সম্পাদনা আসলে কী? তার প্রক্রিয়া কী? কীভাবে করা যায় বই সম্পাদনা? আদৌ কি সম্পাদনার নিয়মনীতি, দর্শন বঙ্গমানসে সুস্পষ্ট? এমন নানা প্রশ্নে শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি শুদ্ধব্রত দেব।

বিগত কয়েকদিনে তৃতীয় দফার বিজেপি সরকার যা করতে চেয়েছিল, তা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর খানিক বুলডোজারের প্রয়োগ হত তো বটেই, পাশাপাশি ভারতীয় গণতন্ত্রর মূল সুরটা চিরতরে বদলে যেতে পারত। সংসদে তিনটি খসড়া বিল প্রস্তাব করতে চলেছিল শাসক দল।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে সত্যজিৎ রায়, নির্মাল্য আচার্য ও তুষার চৌধুরী।

‘‘আমরা বিরুদ্ধ স্বর শুনলেই খড়্গহস্ত এবং সবসময়ে মুঠোর মধ্যে স্মার্টফোন নিয়ে জোড়হস্ত। কারোর কথা শোনার সময় নেই, আলোচনা করার সময় নেই, কিন্তু প্রচুর ‘অপনিয়ন’ আছে আমাদের, যা অনেক ক্ষেত্রেই আমার মনে হয় ‘রিল’ থেকে ধার করা, ‘রিয়েলিটি’-র বড় অভাব।’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.