বিশিষ্ট শিল্পী ও প্রাবন্ধিক। শান্তিনিকেতনের কলাভবন মিউজিয়ামের কিউরেটর। কেতকী কুশারী ডাইসনের সঙ্গে 'রঙের রবীন্দ্রনাথ'-এর মতো গ্রন্থ লিখেছেন, এছাড়াও সম্পাদনা করেছেন 'মাস্টারমশাই', 'নন্দলালের বাপুজি'-র মতো গ্রন্থ।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর। আপাতত গবেষণা ও সম্পাদনার নানা কাজে রত। গান তুমি হও (কবীর সুমনকে নিয়ে সংকলন), ঋতুপর্ণ এবং (ঋতুপর্ণ ঘোষকে নিয়ে সংকলন) তাঁর সম্পাদিত বই।
বাংলা ভাষার কবিতা-পাঠকের কাছে বিজয় দে সুপরিচিত নাম। ‘হে থুতু হে ডাকটিকিট হে অরণ্য’ (১৯৮৫) থেকে ‘রাত্রি আমার অমর পোস্ট অফিস’ (২০২৬), চল্লিশ বছরের তাঁর লেখালেখির জীবন। তিনি বাংলা কবিতাকে উপহার দিয়েছেন আঠারোটি কাব্যগ্রন্থ। তাঁর কবিতা বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র স্বর। বিজয় দে জলপাইগুড়ির স্থায়ী বাসিন্দা।
সরকারি কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক। ইংরেজি সাহিত্য ছাড়াও অনুবাদ সাহিত্য, অনুবাদ তত্ত্ব এবং অনুবাদের ইতিহাস তার আগ্রহের জায়গা। কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেস থেকে বাইবেল অনুবাদের ওপরে গবেষণা করেছেন।
বিশিষ্ট সংগ্রাহক, প্রাবন্ধিক। মেনুকার্ড থেকে স্ট্যাম্প— আগ্রহের বিষয় নানাবিধ। বেড়াতে ভালবাসেন। প্রকাশিত বই: ‘বাহনলিপি’, ‘সেকেলে গপ্পো’, ‘ভ্রমণ: নানা রূপে দেখা’ প্রভৃতি।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক। লিখিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'অবাঙমানসগোচর', 'আত্মানাং বিদ্ধি', 'পাঁচ দুপুরের নির্জনতা', 'বেলঘরিয়ার ইতিহাস সন্ধানে' প্রভৃতি। সম্পাদিত ও সংকলিত গ্রন্থের মধ্যে 'দেশভাগ এবং', 'না যাইয়ো যমের দুয়ার' প্রশংসা পেয়েছে পাঠকমহলে।
প্রাবন্ধিক। খেলা তাঁর ভালবাসার মূল ক্ষেত্র। আর্জেন্টিনা, ইস্টবেঙ্গল, বার্সেলোনা, লিওনেল মেসি থেকে টিম ইন্ডিয়া, এই সবকিছু নিয়েই লিখে চলেন নিয়মিত। আরও বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী। সম্প্রতি বাংলা ছবির চিত্রনাট্যকার হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক, ও প্রাবন্ধিক। বিজ্ঞান, দর্শন থেকে ক্রীড়াজগৎ, তাঁর নিবন্ধে এসে মেলবন্ধন ঘটায় সাহিত্যের সঙ্গে। প্রকাশিত গ্রন্থ, ‘তারই কিছু রং’।