যামিনী-সুরাবর্দি সম্বাদ

‘১৯৩৬-এর শুরু থেকেই হাসান শাহিদ সুরাবর্দিকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বুধমণ্ডলীতে। মনে রাখতে হবে, যামিনী রায় তখনও সে-আড্ডার সক্রিয় সদস্য নন, যদিও তাঁর অনুপস্থিতিতেই উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার আড্ডায় তাঁকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলেছে দিনের পর দিন— প্রধানত সুধীন্দ্রনাথ ও সুরাবর্দির আগ্রহেই।’

দূরকে করিলে নিকট

লেখক-প্রকাশকের সম্পর্ক বিষয়ে উপমার অধিরাজ শংকরের দু’টি অভিমত ছিল: কোনও কারণে হতাশ হলে বলতেন, ‘শাশুড়ি-পুত্রবধূর মতো’; হতাশা কাটিয়ে উঠলে বলতেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর চেয়েও বেশি, মৃত্যুতেও শেষ হয় না’। তবুও না বললেই নয়, ভারতীয় গ্রন্থসংস্কৃতিতে লেখক-প্রকাশকের সম্পর্কটি চরিত্রগতভাবে বহুমাত্রিক— মোটের ওপর ট্র্যানজ্যাকশনালের চেয়ে বেশি রিলেশন্যাল