
ভাষাসাগরের প্রবাল
‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

‘আসলে মাতা হারি-র দুটো জীবন। এক জীবনে পেয়েছিলেন খ্যাতি আর ঐশ্বর্যের শিরোপা, নানা ঘটনায় ভরা তাঁর সেই জীবন। আর সেই জীবনের করুণ সমাপ্তির পর আর-এক খ্যাতির জীবন, তবে সে-খ্যাতি অলৌকিক, আশ্চর্যের, বিতর্কের এবং অবশ্যই সাধারণ মানুষের ভালবাসার।’

‘‘যে ভাষার নমুনা বা ‘corpus’ ইন্টারনেটে যত বেশি, আজকের যুগে দাঁড়িয়ে, সেই ভাষাই কাজের নিরিখে তত সফল ভাষা। যে-ভাষাকে ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য যত বেশি কাজে লাগানো হয়, স্বাভাবিকভাবেই তার ভাষানমুনা বা ‘করপাস’ হবে তত বড় এবং যে ভাষার করপাস যত বড়, সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসেবে তাকে আন্তর্জালিক মাধ্যমে তত সম্ভাবনাময়, সফল এবং শক্তিশালী ভাষা হিসেবে জায়গা দিতে হবে।’’

‘তাঁর পুত্র এই বইয়ে প্রতুলচন্দ্রের জাদুর কৌশল, চেনা ম্যাজিকের মধ্যে নানারকম ইম্প্রোভাইজেশন এবং জাদু-প্রদর্শনের মাধ্যমে সারা পৃথিবী মাতিয়ে দেওয়ার বর্ণনা দিয়েছেন। অত্যন্ত সুখপাঠ্য সেই সব অংশ। কিন্তু ম্যাজিশিয়ান সত্তা ছাড়াও তাঁর চরিত্রের আরও কিছু দিক এখানে এসেছে, যা বোধহয় তাঁকে সত্যি সত্যি লৌকিক থেকে অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে আমাদের সামনে উপস্থিত করে।’

‘আমরা যদি আজকের শিশুদের দিকে তাকাই, তাহলে অদ্ভুত এক জটিল প্রহেলিকার সামনে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়। জন্মের কিছু পর থেকেই, মানবশিশু বড় হতে থাকে দৃশ্যের মধ্যে দিয়ে, সঙ্গে থাকে নানারকম শব্দ বা আওয়াজ। এই দু’য়ের সমন্বয়ও সে করে ফেলে, অল্প সময়ের মধ্যেই।’

‘আর কে নারায়ণ নিজে যে কড়া ভিক্টোরীয় রীতিতে বাঁধা মিশিনারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, সেখানে তাঁর অভিজ্ঞতা সুখের হয়নি কখনও। যে সর্বগ্রাসী পাঠপিপাসা তাঁর মধ্যে ছিল, গতে-বাঁধা পাঠ্যক্রমে পড়াশোনার প্রতি আকর্ষণ সেখানে এতটাই ফিকে হয়ে গিয়েছিল যে, পাঠ্যতালিকা উলটেও দেখতেন না তিনি।’

“পঞ্চাশ বছরেরও বেশি হল সৈয়দ মুজতবা আলী আর আমাদের মধ্যে নেই। এই বহুভাষাবিদ, প্রাবন্ধিক, গল্পকার-ঔপন্যাসিক, অনুবাদক, ভ্রামণিক মানুষটিকে আমরা শুধু মনে রাখলাম তাঁর রসিকতাগুলোকে, আর কিছুটা মনে রাখলাম তাঁর তৈরি ‘যাবনিক’ শব্দ মেশানো নিজস্ব এক ভাষাভঙ্গিকে।”

ম্যাজিক বিষয়ে তাঁকে কিছুটা স্বশিক্ষিতই বলা চলে। দশম শ্রেণিতে পড়াকালীন প্রকাশিত হয় জাদুবিষয়ক প্রথম রচনা। বছরচারেক যেতে-না-যেতে, লন্ডন থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত ‘দ্য ম্যাজিসিয়ান মান্থলি’ পত্রিকায় লিখলেন জাদু নিয়ে মৌলিক প্রবন্ধ।

‘১৯৪১ সালে কানাডা আর আমেরিকার বর্ডার অঞ্চলে, একেবারে নির্জন জায়গায় অত্যন্ত গোপনে প্রথম খোলা হয় স্পাই ট্রেনিং স্কুল। তারপর আমেরিকা ও অন্যান্য দেশে একের পর এক এই ধরনের ট্রেনিং স্কুল খোলা হতে থাকে। এই সব জায়গায় নানা কৌশলে শেখানো হয় স্পাই-ভাষা।’

‘গুহার ভেতর ঢুকে সব বই ভুলে শুধুই মাথার মধ্যে উঁকি দিয়ে যাচ্ছিল নারায়ণ সান্যালের ‘অজন্তা অপরূপা’, একেবারে গুহার নম্বর দিয়ে ম্যাপ এঁকে প্রতিটা ছবির গল্প এমনভাবে লিখেছেন তিনি, শুধু লেখেনইনি, এঁকেও দিয়েছেন, যে, আমরা যেন শনাক্তকরণের নেশায় মেতে উঠেছিলাম।’

প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে মার্কিন মুলুকের হাতের মুঠোয় এসেছিল গোটা দুনিয়া। অন্যদিকে সোভিয়েত রাশিয়া ভরসা করেছিল রক্তমাংসের মানুষকে। ম্যানহাটান প্রকল্পের ‘গুপ্তচর’ ক্লাউস ফুকস আজকের দিনেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন, সেই উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ।

‘ডিরোজিও-র সরাসরি ছাত্র না হলেও তাঁর শিক্ষা ও চেতনার প্রভাব পড়েছিল কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরে। খ্রিস্টীয় সমাজে তাঁর যাতায়াতও শুরু হয়। শেষপর্যন্ত রেভারেন্ড ডাফ-এর কাছে ১৮৩২ সালের ১৬ অক্টোবর খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন তিনি।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.