চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
ড. সম্পূর্ণা চক্রবর্তী একজন শিল্প-ইতিহাসবিদ ও আর্কাইভ বিশেষজ্ঞ, যিনি দক্ষিণ এশীয় শিল্প, প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস ও আর্কাইভ পদ্ধতির নানা ধারায় কাজ করেন। তিনি বিশ্বভারতীর কলাভবনের প্রাক্তনী। তাঁর প্রদর্শনী-সমালোচনা, প্রবন্ধ ও গবেষণা আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত প্রকাশিত হয়। বর্তমানে তিনি কলাভবনের বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায় আর্কাইভস অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের আর্কাইভাল অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি সমরেশ বসু ডিজিটাল আর্কাইভের আর্কাইভিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজীব চক্রবর্তী পেশায় ভাষাবিজ্ঞানী, নেশায় আর্কাইভিস্ট। নিজের আগ্রহে ডিজিটাইজড করেছেন অজস্র দুষ্প্রাপ্য রেকর্ড। সংগীত নিয়ে নিয়মিত চর্চা করার পাশাপাশি ভালবাসেন বই পড়তে, গান শুনতে, আড্ডা মারতে।
একরাম আলি কবি, গদ্যকার, প্রাবন্ধিক। প্রকাশিত কবিতার বই : ‘অতিজীবিত’, ‘ঘনকৃষ্ণ আলো’, ‘আঁধারতরঙ্গ’, ‘বিপন্ন গ্রন্থিপুঞ্জ’, ‘পোড়া মাটির ঘড়ি’ প্রভৃতি। প্রবন্ধের বই : ‘মুসলমান বাঙালির লোকাচার’, ‘অ্যাপোলোর পাখি’ এবং ‘বেদনাতুর আলোকরেখা’। ‘ধুলোপায়ে’ এবং ‘হ্যারিসন রোড’ তাঁর দুটি স্মৃতিকথার বই। পেয়েছেন বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার এবং পশ্চিবঙ্গ বাংলা আকাদেমি সম্মান।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক, ও প্রাবন্ধিক। বিজ্ঞান, দর্শন থেকে ক্রীড়াজগৎ, তাঁর নিবন্ধে এসে মেলবন্ধন ঘটায় সাহিত্যের সঙ্গে। প্রকাশিত গ্রন্থ, ‘তারই কিছু রং’।
পরঞ্জয় গুহঠাকুরতা প্রখ্যাত সাংবাদিক। আয়ুষ জোশি স্বাধীন সাংবাদিক। ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তথ্যনির্ভর ও তদন্তমূলক সাংবাদিকতা করে চলেছেন দু’জনেই।
গবেষক ও প্রাবন্ধিক। কাজ করেন লোকসাহিত্য নিয়ে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে গবেষক, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
আব্দুল কাফি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। এছাড়া তিনি সু-বক্তা, প্রাবন্ধিক এবং অনুবাদকও বটে। তাঁর কয়েকটি অনূদিত: গ্রন্থ ‘কথাচিত্রকণা’, ‘দূরের মাদল’, ‘আমি তুমির লীলা’, ‘অমলিন শোলোক’ প্রভৃতি।