
সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৪০
একরাতে এপি-র খবর এল, পিকিংয়ে( বেজিং) তিয়েন আন মেন স্কোয়ারে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের জমায়েতে চিনা পুলিশ গুলি চালিয়ে দিয়েছে। বহু হতাহত। স্টপ প্রেসের বদলে রানিং চেঞ্জের বার্তা পাঠালেন নন্দদা ছাপাখানায়।

একরাতে এপি-র খবর এল, পিকিংয়ে( বেজিং) তিয়েন আন মেন স্কোয়ারে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের জমায়েতে চিনা পুলিশ গুলি চালিয়ে দিয়েছে। বহু হতাহত। স্টপ প্রেসের বদলে রানিং চেঞ্জের বার্তা পাঠালেন নন্দদা ছাপাখানায়।

‘সে-রাতে, যতদূর মনে পড়ছে, উস্তাদ আশিস খানের সরোদের সঙ্গে বাজাবেন উস্তাদ জাকির হুসেন। জাকিরজি-কে ততদিনে বেশ কিছু আসরে সামনে ব’সে শোনার সৌভাগ্য হয়েছে, আশিস খানের বাজনা তখনও শুনিনি। এই দু’জন জোট বাঁধলে ধুন্ধুমার কাণ্ড হবেই নির্ঘাত! তাই ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’

বঙ্গে ভোটের উত্তেজনা। নির্বাচন কোথাও উৎসব, কোথাও হাহাকারের উৎস। কখনও রঙ্গ, কখনও রাগ-অনুরাগের সম্মিলনে এই নির্বাচনের উত্তাপের আঁচ পোহাচ্ছেন বঙ্গবাসী। তারই মাঝে প্রথম ভোট দেওয়ার স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন বিশিষ্টরা। আজ লিখছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়…

আমাদের বাংলা নতুন বছরের নড়াচড়া শুনি আগে থেকেই, যখন দেখি মোটা শিব, পটকা শিব, ভোটকা শিব, খেঁচা শিবরা সেজেগুজে বেরিয়ে পড়েছে। সবাই যাবে নকুলেশ্বর তলায়। বাবার কাছে গাজন হবে। কালীঘাটে সারা বছর কালীর চেলাদের বড় বাড়ন্ত। এই ক’টাদিন গেঁজুড়ে নন্দী-ভৃঙ্গিরা দখল করে।

‘আমাদের ঘরে মাখন আসত না কখনও। কাকামণি ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পর চাকরি পেল, তখন রবিবার করে মাংস হত। ঠাকুর্মা কাকামণিকে দিয়ে মাখন আনিয়েছিল। আমাদের ঘরে মাখনের টিন এল। গরম ভাতে আলুসেদ্ধ আর মাখন। নিজেদের মাখন। কিন্তু কাকামণি তো পৃথিবীতেই রইল না।’

‘ভাস্কর স্যার ও-পথে কখনও যাননি। তাঁর মোক্ষম অস্ত্র ছিল একটিই। শ্লেষ। পড়া না পারলে, ভুলভাল উত্তর দিলে, বা হোমটাস্ক না করে এলে বকুনি বা মারধর, কোনওটাই তাঁর ধরন ছিল না। বরং এমন একখানি বাক্যবাণ ছুড়ে দিতেন, শুনে মনে হত এর চেয়ে নিল ডাউন করিয়ে রাখলে ভাল হত।’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, সুবো আচার্য ও কাঞ্চন কুমার।

‘ওঁর সঙ্গে কথা বলতে গেলে, আমি খুব তোতলাতাম। হ্যাঁ, বলা হয়নি, আমি খুব ছোটবেলায় তোতলা ছিলাম। এতে আমার একটা সুবিধা ছিল, স্কুলে স্যারেরা পড়া ধরতেন না। কলেজে ঢুকে একটু এসএফআই করতাম, বক্তৃতাও দিতাম, তখনই তোতলামিটা চলে যায়।’

বিকেলের দিকে কালীঘাট রোডের ওপর বরফের গাড়ি ঘুরত। সেখানে বরফ থাকত লাল শালুতে মোড়া। সামনে কাঠ ঘষার রেঁদা। সেখানে বরফ ঘষলে ঝুরো ঝুরো হত, সেগুলো ছোট একটা গ্লাসের ভেতর ঢুকিয়ে লাল-সবুজ মিষ্টি সিরাপ দিয়ে একটা কাঠি গুঁজে দিত। খেতাম মাঝেসাঝে। কালীঘাট রোডের ওপর রকমারি খাবার জিনিস ঘুরত, যেমন সব তীর্থক্ষেত্রে ঘোরে।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ত্রিদিব মিত্র ও অরণি বসু।

‘কালীঘাটে অনেক কালী! কালীময়! কালীচরণ পাণ্ডার কথা তো আগেই বলেছি। কালীদির চোলাইয়ের ঠেকও খুব বিখ্যাত। দিবারাত্রি খোলা। ব্লাডারে করে চোলাই আসত। দিন-রাত লোক বসে। সারা কালীঘাটের তাবৎ মাতাল কালীদির খদ্দের। দিবারাত্রি খোলা? শ্মশানযাত্রীরা খুঁজে খুঁজে ঠিক এখানে আসবে। তখন বিলাতি নয়, দেশিই চলত।’

“৫০টি খুনের মামলা ছিল প্রাক্তন বাগিসর্দার অধুনা জাদুকর চম্বল সরকারের বিরুদ্ধে। অপহরণের মামলা শতাধিক। ‘এত অস্ত্রশস্ত্র, আধুনিক অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র কোথা থেকে পান আপনারা?’ প্রশ্ন করলাম। হেসে, অকপটে মাধো বললেন, ‘সেনাবাহিনীতে আমাদের দোস্তরা আছেন।… ”
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.