
ডেটলাইন: পর্ব ৫৩
‘পদ্মাকে কাছে ধরে রাখার ইচ্ছেতেই সম্ভবত কুঠিবাড়ির পাঁচিল ঢেউখেলানো। আম-জাম-কাঁঠালের ছায়াঘেরা, দু’টি পুকুর সমেত দোতলা জমিদারবাড়ি বেশ যত্ন করে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।’

‘পদ্মাকে কাছে ধরে রাখার ইচ্ছেতেই সম্ভবত কুঠিবাড়ির পাঁচিল ঢেউখেলানো। আম-জাম-কাঁঠালের ছায়াঘেরা, দু’টি পুকুর সমেত দোতলা জমিদারবাড়ি বেশ যত্ন করে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।’

নারীদের স্বাভাবিক চাহিদা বা যৌন ইচ্ছেকে বরাবরই সমাজে অসভ্যতা বা লজ্জাহীনতা বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। নারী তার কামনা বা শারীরিক চাহিদাকে প্রকাশ করলেই সেই নারীকে বলা হয়েছে কামপ্রলোভিনী, অশ্লীল কাজে লিপ্ত, পতিতা।

‘হেমিংওয়ে একবার বলেছিলেন যে, তিনি একজন ভাল মানুষ এবং ভাল লেখক দুটোই হতে চান, কিন্তু তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, কোনওটাতেই তিনি সফল হতে পারবেন না।’

‘তৎসত্ত্বেও এ-নাটকের তুলনা হয় না। লক্ষণীয়, নাটকে সরাসরি কোন দৈব অনুপ্রবেশ বা অলৌকিক হস্তক্ষেপ নেই। দ্বিতীয়ত, এক ধরনের নিয়তিতাড়িত দরিদ্র অথচ সৎ মানুষের কপাল খুলে যাওয়া আছে।’

অ্যালপাইন ডিভোর্সের মূল ঘটনা একেবারেই নতুন নয়। কিন্তু এর নতুনত্ব লুকিয়ে রয়েছে আমাদের সময়ের ভিন্ন সামাজিক ও মানসিক প্রেক্ষাপটে। আগে এই ধরনের ঘটনা বিচ্ছিন্ন ও ব্যক্তিগত ছিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা জনসমক্ষে আসত না।

‘উড়ন্ত সে-সীমা থেকে আরও কিছু দূরে গেলে টিলা।/ নীচে যে-শহর, তা আসলে আংটি। শয়তানের হাতে।/ আলো ও শব্দের মধ্যে যুবতীরা সহজ টাকিলা…/ নেশার নিকষ ডানা, উড়ে যাবে কাল, সুপ্রভাতে।’

পানভোজন থেকে গানভোজন— সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাটানো আশ্চর্য এক রাত, যেখানে কবিতা আছে, সুনীলের উদাত্ত কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের গান আছে, আছে চিতল মাছ ভাজা! সব পেরিয়ে, ভোরে উঠে হাতির পিঠে চেপে গণ্ডার দেখতে যাওয়ার তাড়া…

‘‘হালফিলের মনস্তত্ত্ব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি যাঁরা করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ‘সাদিজম’ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত। ‘সাদিজম’ বা ‘স্যাডিজম’, অর্থাৎ অন্যের যন্ত্ৰণা থেকে যৌন আনন্দ উপভোগের যে এই ধারণা, তা এসেছে সাদের নাম থেকেই।’’

রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।

বাংলা কবিতার এক অবিস্মরণীয় স্বর, কবি পিনাকী ঠাকুর। তাঁকে অকালে হারিয়েছে বাংলা-কবিতা জগত। কিন্তু এমনই দৃপ্ত তাঁর স্বর, পাঠক হিসেবে বারবার ফিরে আসতে হয় তাঁর কবিতার কাছে!

‘পরিক্রমা শেষ হলে মন ফেরে বিছানার কাছে/ শরীর তখন ঘুমে অচেতন। শিয়রে ঘড়িটি/ সাক্ষী থাকে ভ্রমণের, কাঁটা জ্বলে মুহূর্তের আঁচে…/ প্রতিটি মৃত্যুই জেনো নতুন ঘুমের জন্মতিথি।’

‘তাঁর লেখার মধ্যে পাঠকেরা পেয়েছিলেন দার্শনিকের অন্তর্দৃষ্টি। লিও তলস্তয় বা ফিয়োদর দস্তভয়েস্কির লেখার পাশাপাশিই তাঁর লেখায় তাঁরা পেলেন নৈতিকতা, বিশ্বাস, আর মানুষের জীবনের অর্থের অনবরত সন্ধান।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.