
বাংলা কবিতার দুই সূর্য
‘তাঁর লেখার মধ্যে পাঠকেরা পেয়েছিলেন দার্শনিকের অন্তর্দৃষ্টি। লিও তলস্তয় বা ফিয়োদর দস্তভয়েস্কির লেখার পাশাপাশিই তাঁর লেখায় তাঁরা পেলেন নৈতিকতা, বিশ্বাস, আর মানুষের জীবনের অর্থের অনবরত সন্ধান।’

‘তাঁর লেখার মধ্যে পাঠকেরা পেয়েছিলেন দার্শনিকের অন্তর্দৃষ্টি। লিও তলস্তয় বা ফিয়োদর দস্তভয়েস্কির লেখার পাশাপাশিই তাঁর লেখায় তাঁরা পেলেন নৈতিকতা, বিশ্বাস, আর মানুষের জীবনের অর্থের অনবরত সন্ধান।’

টম রিডল যখন বড় হয়ে লর্ড ভলডেমর্ট হচ্ছে, মা-বাবার ভালবাসাহীন এক অনাথ সেই ছেলেটি যখন সকলকে ঘৃণা করতে ও শাসনে রাখতে চাইছে, এবং হ্যারির মা-বাবাকে মেরে হ্যারিকেও নিধন করতে উদ্যত হচ্ছে, তখন হ্যারির মা লিলি পটারের ভালবাসা হ্যারিকে সুরক্ষা দিচ্ছে।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই ছিল অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডারের আজ শেষ পর্ব। এই পর্বে সৈয়দ মুজতবা আলী, মণীশ ঘটক, মৈত্রেয়ী দেবী ও অশোক মিত্র।

লেখ্য ইংরেজিতে বাংলা মাধ্যম থেকে পড়ে আসা অনেকেরই ভীষণ রকম দক্ষতা থাকলেও কথা বলা নিয়ে সমস্যা থাকে অনেকেরই। ভারতে, বিশেষত বাঙালিদের মধ্যে, ইংরেজি ভাষা নিয়ে এমন একটা দ্বিধাবিভক্তি আছে। এদেশে ইংরেজি মানুষ লিখতে শেখে আগে, আর বলতে শেখে পরে। কিন্তু ভাষা শেখার ক্ষেত্রে হওয়া উচিত এক্কেবারে উল্টো।

‘আমি সব সময়ে বাহুল্যবর্জনেই বিশ্বাসী। তবে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে তো কাজ করতেই হবে। মহাশ্বেতার ক্ষেত্রে যেমন, শেষদিকে ওঁর স্মৃতি হারাতে শুরু করল, কিছু কথা ভুল লিখলেন, সেই সামান্য তথ্যপ্রমাদ সংশোধন, সংযোজন— এগুলোই তো সম্পাদকের কাজ।’

‘‘১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এল্মহার্স্ট রথীন্দ্রনাথ-সহ কয়েকজনকে নিয়ে ঘুরে গেলেন সুরুল। ফিরে এসে শান্তিনিকেতন বাড়ির দোতলায় রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতিতে শুরু হল পরিকল্পনা। সাহেব আর দেরি করতে চান না। অতএব, পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারিই শুরু হয়ে গেল সুরুলের ‘স্কুল অফ এগ্রিকালচার’-এর কাজ।’’

‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’

‘যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পাখিগুলি বেঁচে ফিরে আসে।/ বইয়ের দোকানগুলি ধূলিসাৎ, চূর্ণ লাইব্রেরি…/ রুটির পুরনো গন্ধ লেগে আছে দেওয়ালে ও ঘাসে/ কত ধ্বংস পার হয়ে এ-শহর ফের পাখিদেরই।’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে কমল চক্রবর্তী, শৈলেশ্বর ঘোষ, সুভাষ ঘোষ

‘সব মিলিয়ে ভাবতে গেলে গায়ের রোম খাড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এই ভারতের কত-কত দেশভক্ত, সনাতনি রাষ্ট্রবাদী, তথাকথিত ইতিহাসকাররা কবে থেকে বলে আসছেন, আর্যরা মোটেই বিদেশি নয়, সাচ্চা সনাতনি ভারতীয়। ভারতবর্ষ থেকেই তারা ইউরোপ বা অন্য এদিক-ওদিকে গেছে।’

১৯৮০ সালে রাজশেখর বসুর জন্মশতবর্ষে, যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধিকে রাজশেখর বসু সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। সেটিই পুনর্মুদ্রিত হল ডাকবাংলা.কম-এর পাতায়।

‘ছায়া লেগে কেটে যায় তোমাদের আলোচনাগুলি।/ পাড়ার বকেয়া সন্ধে মিটিয়ে দিয়েছে স্বাতীলেখা—/ যে-ধারণা আবছায়া, তুমি তাকে ডেকেছ গোধূলি।/ এই ছোট ভালবাসা তোমারই ভ্রান্তির কাছে শেখা।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.