Literature সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

সম্প্রীতি চক্রবর্তী

রবীন্দ্রনাথ ও মুসলমানী

রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৩

‘পরিক্রমা শেষ হলে মন ফেরে বিছানার কাছে/ শরীর তখন ঘুমে অচেতন। শিয়রে ঘড়িটি/ সাক্ষী থাকে ভ্রমণের, কাঁটা জ্বলে মুহূর্তের আঁচে…/ প্রতিটি মৃত্যুই জেনো নতুন ঘুমের জন্মতিথি।’

নাতালিয়া গেরাসিমোভা

বাংলা কবিতার দুই সূর্য

‘তাঁর লেখার মধ্যে পাঠকেরা পেয়েছিলেন দার্শনিকের অন্তর্দৃষ্টি। লিও তলস্তয় বা ফিয়োদর দস্তভয়েস্কির লেখার পাশাপাশিই তাঁর লেখায় তাঁরা পেলেন নৈতিকতা, বিশ্বাস, আর মানুষের জীবনের অর্থের অনবরত সন্ধান।’

ভাস্কর মজুমদার

ভালবাসা ও ঘৃণা

টম রিডল যখন বড় হয়ে লর্ড ভলডেমর্ট হচ্ছে, মা-বাবার ভালবাসাহীন এক অনাথ সেই ছেলেটি যখন সকলকে ঘৃণা করতে ও শাসনে রাখতে চাইছে, এবং হ্যারির মা-বাবাকে মেরে হ্যারিকেও নিধন করতে উদ্যত হচ্ছে, তখন হ্যারির মা লিলি পটারের ভালবাসা হ্যারিকে সুরক্ষা দিচ্ছে।

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: শেষ পর্ব

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই ছিল অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডারের আজ শেষ পর্ব। এই পর্বে সৈয়দ মুজতবা আলী, মণীশ ঘটক, মৈত্রেয়ী দেবী ও অশোক মিত্র।

ভাস্কর মজুমদার

ভালবাসার ভাষা

লেখ্য ইংরেজিতে বাংলা মাধ্যম থেকে পড়ে আসা অনেকেরই ভীষণ রকম দক্ষতা থাকলেও কথা বলা নিয়ে সমস্যা থাকে অনেকেরই। ভারতে, বিশেষত বাঙালিদের মধ্যে, ইংরেজি ভাষা নিয়ে এমন একটা দ্বিধাবিভক্তি আছে। এদেশে ইংরেজি মানুষ লিখতে শেখে আগে, আর বলতে শেখে পরে। কিন্তু ভাষা শেখার ক্ষেত্রে হওয়া উচিত এক্কেবারে উল্টো।

Representative Image
শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

সম্পাদকের বৈঠক: ২

‘আমি সব সময়ে বাহুল্যবর্জনেই বিশ্বাসী। তবে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে তো কাজ করতেই হবে। মহাশ্বেতার ক্ষেত্রে যেমন, শেষদিকে ওঁর স্মৃতি হারাতে শুরু করল, কিছু কথা ভুল লিখলেন, সেই সামান্য তথ্যপ্রমাদ সংশোধন, সংযোজন— এগুলোই তো সম্পাদকের কাজ।’

Representative Image
মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়

মানবজমিনের ‘চাষা’

‘‘১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এল্‌মহার্স্ট রথীন্দ্রনাথ-সহ কয়েকজনকে নিয়ে ঘুরে গেলেন সুরুল। ফিরে এসে শান্তিনিকেতন বাড়ির দোতলায় রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতিতে শুরু হল পরিকল্পনা। সাহেব আর দেরি করতে চান না। অতএব, পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারিই শুরু হয়ে গেল সুরুলের ‘স্কুল অফ এগ্রিকালচার’-এর কাজ।’’

Representative Image
শমীক ঘোষ

নিজেকে চেনার অস্বস্তি

‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫২

‘যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পাখিগুলি বেঁচে ফিরে আসে।/ বইয়ের দোকানগুলি ধূলিসাৎ, চূর্ণ লাইব্রেরি…/ রুটির পুরনো গন্ধ লেগে আছে দেওয়ালে ও ঘাসে/ কত ধ্বংস পার হয়ে এ-শহর ফের পাখিদেরই।’

তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ১৬

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে কমল চক্রবর্তী, শৈলেশ্বর ঘোষ, সুভাষ ঘোষ

Representative Image
শান্তনু চক্রবর্তী

রসিক যে-জন

‘সব মিলিয়ে ভাবতে গেলে গায়ের রোম খাড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এই ভারতের কত-কত দেশভক্ত, সনাতনি রাষ্ট্রবাদী, তথাকথিত ইতিহাসকাররা কবে থেকে বলে আসছেন, আর্যরা মোটেই বিদেশি নয়, সাচ্চা সনাতনি ভারতীয়। ভারতবর্ষ থেকেই তারা ইউরোপ বা অন্য এদিক-ওদিকে গেছে।’