
পুনর্মুদ্রণ: শিবরাম চক্রবর্তী
১৯৮০ সালে রাজশেখর বসুর জন্মশতবর্ষে, যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধিকে রাজশেখর বসু সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। সেটিই পুনর্মুদ্রিত হল ডাকবাংলা.কম-এর পাতায়।

১৯৮০ সালে রাজশেখর বসুর জন্মশতবর্ষে, যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধিকে রাজশেখর বসু সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। সেটিই পুনর্মুদ্রিত হল ডাকবাংলা.কম-এর পাতায়।

‘ছায়া লেগে কেটে যায় তোমাদের আলোচনাগুলি।/ পাড়ার বকেয়া সন্ধে মিটিয়ে দিয়েছে স্বাতীলেখা—/ যে-ধারণা আবছায়া, তুমি তাকে ডেকেছ গোধূলি।/ এই ছোট ভালবাসা তোমারই ভ্রান্তির কাছে শেখা।’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফাল্গুনী রায়, অরুণ বসু, কবিরুল ইসলাম।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বাসুদেব দাশগুপ্ত ও মৃদুল দাশগুপ্ত

‘‘শংকরকে নিয়ে প্রথমদিকের আলোচনাগুলি প্রায়শই অতি-সংক্ষিপ্ত। সাধারণত, একটি অনুচ্ছেদও বরাদ্দ নয় শংকরের জন্য, কখনও-বা একটি মাত্র লাইনে আরও পাঁচজন ‘জনপ্রিয়’ লেখকের সঙ্গে একসুরে উচ্চারিত হন শংকর।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে করুণানিধান মুখোপাধ্যায় ও অনিল করঞ্জাই।

‘‘গ্রন্থের শিরোনাম ‘পটে লিখা’, তার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যঞ্জনাময় সাব-টাইটেল— ‘রূপ, অরূপ আর স্মৃতির কথন’, লেখক মনসিজ মজুমদার। গ্রন্থনাম আর গ্রন্থকার একত্রে এই বইয়ের অন্দরমহল জুড়ে মুহূর্তে বিপুল আগ্রহ তৈরি করে দিল। সে বইখানা নিয়েই আজ দু’-চার কথা, না একে গম্ভীর শব্দবন্ধে গ্রন্থসমালোচনা কখনওই বলা চলে না। এ যেন চায়ের পেয়ালা হাতে শিল্পিত অবসর যাপন।’’

আমাদের সেকেলে দিদিমা-ঠাকুমাদের গল্প বলার সংস্কৃতি যেভাবে বিলীন হয়েছে কালের গর্ভে; ঠিক সেই ধারায় সংরক্ষণের অভাবে চিরতরে হারিয়ে গেছে পণ্ডিতমশাইদের স্ব-উদ্যোগে ছাপা ও বিনে পয়সায় বিলি করা, ছোটদের কথা ভেবে লেখা আরও অনেক রামায়ণ!

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফণীশ্বরনাথ রেণু, রাজকমল চৌধুরী ও রবি বর্মা।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে প্রদীপ চৌধুরী, পবিত্র মুখোপাধ্যায় ও রণজিৎ দাশ।

দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প জীবনের দ্বান্দ্বিকতার কথাই বলে। তাঁর চরিত্ররা হেরো নয়, নিষ্ক্রিয় নয়। তারা পরিস্থিতি বোঝে, সিদ্ধান্ত নেয়, অবস্থানও নেয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের অসম্পূর্ণতাও বোঝে। বোঝে জীবনের পরিত্রাণহীনতার কথা।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে দেবী রায় ও অরুনেশ ঘোষের চিঠি।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.