
শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ১১
‘হতে যে নিকট চাই, সে তুমি দূরের থেকে বোঝো।/ গলার রুশতী মালা খুলে রাখো হাটের বন্দরে/ এখানে পণ্যের দাম বাতাসিয়া। বিরহ সহজও।/ কলমগাছের নীচে চিঠি লেখানোর কথা ঝরে…’ নতুন কবিতা।

‘হতে যে নিকট চাই, সে তুমি দূরের থেকে বোঝো।/ গলার রুশতী মালা খুলে রাখো হাটের বন্দরে/ এখানে পণ্যের দাম বাতাসিয়া। বিরহ সহজও।/ কলমগাছের নীচে চিঠি লেখানোর কথা ঝরে…’ নতুন কবিতা।

‘ক্রিসমাসের রাতে ওকে দেখতে পেলাম সেন্ট পলসের পাশের অন্ধকার রাস্তাটায়। দৌড়ে গিয়ে বললাম, ‘এই তো, কোথায় ছিলেন এতদিন?’ লোকটা বলল, ‘জানুয়ারির ফার্স্ট উইকে যাচ্ছি। যাবেন?’ হ্যাঁ বলে দিলাম। পাহাড়ের ব্যাপারটা তখনই শুনলাম। তারপর এই রাতের ট্রেন।’ উদ্ভট অ্যাডভেঞ্চারের পূর্বাভাস।

‘উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের গাদা-গাদা ব্রণ গজাবে মাস্কে, এবং এই মানবেতিহাসে প্রথম, কান থেকে সুতো ছিঁড়ে একটি জিনিস টান মেরে ফেলে দিলেই গুচ্ছের ব্রণদাগ নিমেষে হাপিস। আবার উল্টোও হবে, ছেলে কলেজ যাওয়ার কালে হাঁকবে, মা! আমার ব্রণভরা মাস্কটা ফেলে দিয়েছ না কি!’ আগামীতে যা ঘটবে।

‘যিশুখ্রিস্ট সাহেবদের দেবতা, সেই খোদ সাহেবদের দেশেও এমন বাঁধনহারা উদযাপন হয় না বড়দিনে। হ্যাঁ, মানুষজন ঘরবাড়ি সাজায়, নতুন কেনাকাটা করে, বাড়িতে-বাড়িতে ভোজ বসে ঠিকই। কিন্তু এই যে শহরের রাজপথে লাখো মানুষের ভিড় বইয়ে দেবার পাগলামি, সে এমনকী তাঁদের ফর্সা দেশেও নেই।’ বাঙালির যিশুপ্রীতি।
‘কলকাতার ক্রিসমাসের খাবারটা একটু গতানুগতিক হয়ে পড়েছে, জনমানসে ক্রিসমাস ব্যাপারটাই এখন যেন ‘নিউ মার্কেট উৎসব’। আমাদের ছেলেবেলায় নাহুমের কেক যে প্রচুর খেয়েছি, তা মনে পড়ে না— যদিও কেক খাওয়া হত প্রচুর।’ নতুন স্বাদের ক্রিসমাস।

‘বুকের ভেতরটা হত নরম, একটু তাতিয়ে নিলে তার সুগন্ধী ওম গুঁড়ো-গুঁড়ো হয়ে লেগে থাকত হাতে। সেই কেক কি একখানা কেনা হবে এবার, আমাদের বাড়িতে? বড়দিনের আগে আগে এই প্রশ্ন জামার পকেটে লুকিয়ে আমরা সকলেই পাড়া বেড়াতাম হাসিমুখে।’ বড়দিনের স্মৃতি।

পল সাইমন এবং আর্ট গারফাঙ্কেল— মধ্য-পঞ্চাশের দশক থেকে ১৯৭০ অবধি একের পর এক অসাধারণ গানের সৃষ্টিকর্তা এই যুগলবন্দির রেখে যাওয়া কিছু ক্লাসিক গানের কথা আর সুর নিয়ে আলোচনা।

যখন হাত দিলেন ছোটগল্পে, তখন কল্পনার জগতকে সরিয়ে রেখে, নেহাতই বাস্তব পারিপার্শ্বিককে বেছে নিলেন গল্প শোনাবার পটভূমি হিসেবে।কাহিনির আকৃতিকে তিনি বেঁধে রাখলেন নির্দিষ্ট একটি সীমায়।জোর দিলেন কাহিনির বুননে। সত্যজিতের ছোটগল্প হয়ে উঠল অনন্য।

‘গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে মনোনীত হয়েছে তিন ভারতীয় শিল্পীর সঙ্গীত। এঁরা স্বাধীন শিল্পী অর্থাৎ কিনা, এঁদের মাথার উপর বড় সংস্থা বা প্রযোজকের ছাতা নেই। অথচ যাঁদের সেই খুঁটির জোর আছে, তাঁদের গান গ্র্যামির জন্য জমা পড়ে না।’ ভারতীয় সঙ্গীত জগতে বৈপরীত্য।

ইরানে বলা হচ্ছে, অন্য জন্তুর প্রতি ভালবাসা খরচা করে মানুষ তার হৃদয়স্থিত প্রেমের অপব্যবহার করছে, কারণ ওই শুদ্ধ আবেগ মানুষের আধারে প্রদত্ত হয়েছে তো পরিবারের অন্য সদস্যদের, গোষ্ঠীর অন্য মানুষের প্রতি ধাবিত হবে বলেই। তাই পোষ্য রাখার অভ্যাস ‘ক্ষতিকর সামাজিক সমস্যা’।

এ যুগের গণধোলাই — ট্রোলিং। তবে এবার কাজটা আরও সহজ; কোনো কায়িক পরিশ্রম নেই, হাঁপানির চিন্তা নেই, পাল্টা মার খাওয়ার ভয় নেই। আড়াল থেকে ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদের মতো, মানুষকে আঘাত করার এ এক অনন্য পদ্ধতি। লাগামছাড়া ট্রোলিং ভাইরাস।

হেমন্তের পরে যে শীতের বিষণ্ণতা ঘিরে থাকে, সেই সময় জীবনানন্দের কবিতা খুব বেশি করে মনে পড়ে। তিনি যেন সবার বিষণ্ণতার পাহারাদার। সবার বিষণ্ণতার দায় তিনি নিয়েছেন আর কবিতা দিয়ে পূর্ণ করেছেন সেই বিষণ্ণতাকে। সেই না-দেখা কবির কবিতা আশ্রয় দিক আমাদের জন্ম-জন্মান্তেরের বিষণ্ণতাকে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.