
সামথিং সামথিং: পর্ব ১৮
আজ ইজরায়েল আর প্যালেস্তাইনের মধ্যে ক্রিকেট খেলা হলে, বা আফগানিস্তান ও আমেরিকার মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ হলে, অথবা জার্মান বনাম ইহুদি কবাডি টুর্নামেন্ট হলে, তা শুধু স্কোরবোর্ড-সর্বস্ব হয়ে থাকবে? খেলা কেবল খেলা নয় হয়তো।

আজ ইজরায়েল আর প্যালেস্তাইনের মধ্যে ক্রিকেট খেলা হলে, বা আফগানিস্তান ও আমেরিকার মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ হলে, অথবা জার্মান বনাম ইহুদি কবাডি টুর্নামেন্ট হলে, তা শুধু স্কোরবোর্ড-সর্বস্ব হয়ে থাকবে? খেলা কেবল খেলা নয় হয়তো।

‘আমি আবার একা হয়ে গেছি। এদিক-ওদিক দেখছি। আবার যদি সেই ভ্যানটা ফিরে আসে? নিষিদ্ধ বই বিক্রির খবর কি চাপা থাকে নাকি? ঝামেলায় জড়ানোর কোনও মানে হয় না। এক-পা দু-পা করে পিছিয়ে চম্পট দেবার তাল করতেই সবাই মিলে দৌড়ে এসে আমাকে ধরে ফেলল।’ আচমকা ঘেরাও।

অসহায়তা যখন অক্ষম আক্রোশে ফেটে পড়ে, জন্ম নেয় কবিতা। সর্বনাশের পরেও সাহসের কুঁড়ি ফোটে, জন্ম নেয় কবিতা। বিদীর্ণ মন কুঁকড়ে যখন ছোট্ট হয়ে আসে, জন্ম নেয় কবিতা। সে কবিতায় স্ফূরণ থাকলেও ফূর্তি থাকে না। ধ্বংস কাব্যগ্রন্থে তাই বিদীর্ণতার সমাহার।

‘কোন কেমিক্যাল ইম্ব্যালেন্সের জন্য মানুষ দুঃখ পায় আমরা এখনও জানি না, সেটা বুঝে গেলে আমরাও দুঃখ সিমুলেট করে দেখিয়ে দেব। দু’দিন মেশিন অন করতে পারবেন না। ম্যাকির দুঃখ হয়েছে। সকালে উঠে হঠাৎ দেখবেন এসি থেকে জল ঝরে ঘর ভেসে যাচ্ছে। সারারাত এসি কেঁদেছে।’ যন্ত্রের দুঃখ।
‘…ইউটিউবে কয়েকশো চ্যানেলে যতই ‘ঘরোয়া’ রেসিপি শেখানো হোক, বা সোহো বা ম্যানহাটানে আফটার-পার্টি জলখাবার হিসাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করুক না কেন, নিজের দেশে এগ রোল ছাপোষা মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবিদের ত্রাণখাদ্য, দশকের পর দশক তা-ই হয়ে এসেছে।’ এগ রোল, যুগ-যুগ জিও!

‘গেলাম ওঁর ডেস্কে, লেখাটা দিলাম। অনেকে ছিলেন ওঁর দপ্তরে। আমাকে তেমন ভাবে চিনলেনও না। পেশাদারি ভঙ্গিতে বললেন, ‘নাও, পড়ো কী লিখেছ।’ অত অজানা মানুষের সামনে পড়তে লজ্জা করছিল। সুনীলদা বুঝতে পেরেছিলেন, বললেন, ‘সাংবাদিকদের ভূষণ লজ্জা নয়, সাহস।’’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের স্মৃতি।

বড় হয়ে যখন সমস্ত হৈমন্তী মনকেমনের জন্যে জীবনানন্দকে দোষারোপ করেছি, তখন আসলে শূন্যতাকে এড়িয়ে চলতেই চেয়েছি কোথাও। চেয়েছি, কেউ এসে এই ব্যাখ্যাহীন নিঃস্বতার দায় নিক, কেউ এসে আমার হাত থেকে কাঁধে তুলে নিক এই অর্থহীন উদাসীনতার ক্রুশ। হেমন্তের একাকীত্ব।

ডায়ার স্ট্রেটস ব্যান্ডের গান শুনে আমি একজনেরই আন্ধভক্ত হয়ে উঠেছিলাম, মার্ক নফলার। তাঁর গিটার বাজানোর নিজস্ব একটা স্টাইল ছিল। তিনি ইলেকট্রিক গিটার বাজাতেন হাতে আর বলতেন তাঁকে অনুসরণ না করতে। এ অলৌকিকের সন্ধান পেলে জীবনে মুগ্ধতা কিছু বেড়ে যায়। ওদের গানের আবেশ ঘিরে নেয় ছাত্রজীবনকে। আমার অন্যতম প্রিয় প্রভাব, ডায়ার স্ট্রেটস।
‘যে কোনও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন্য সবাই উদগ্রীব হয়ে থাকে। আর এ বছর তো প্রায় শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় অপেক্ষা করছে সবাই, কারণ গত দু-বছরের ওপর এই দুই টিম মুখোমুখি হয়নি। আর এই ম্যাচটা দুটো টিমেরই এই বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ। তাই দুটো টিমই জেতার জন্য মরিয়া হয়ে উঠবে। ক্রিকেট বই তো কিছু নয়।’

বাংলাদেশে যত মুসলিম মৌলবাদের দৌরাত্ম্য বাড়বে, তত ভারতে হিন্দু মৌলবাদেরও দৌরাত্ম্য বাড়বে, কারণ violence begets violence, money begets money, এবং মৌলবাদ begets মৌলবাদ, ক্রোধে ক্রোধকে চাগাবেই। উগ্রবাদের মস্তানি।

‘অন্য অনেক কিছুর মতোই, নবরাত্রি উপলক্ষে প্রকাশ পাওয়া গানের ধরন ও চরিত্র অবশ্যই পাল্টেছে। ঐতিহ্যবাহী শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জনমানসে পুরনো হয়ে আসছে দ্রুত, আর তার জায়গা পূরণ করে ফেলছে ঝিনচ্যাক গান।’ নবরাত্রির শব্দ-পৃথিবীর পরিবর্তন।

‘ধ্বংসের আলোয় আমি দেখেছি তোমার প্রিয় মুখ/ উপগ্রহ থেকে ঠিক যেরকম লাগে বসুন্ধরা—/ ক’কোটি মন্বন্তর চলে গেছে। যে ভোলে ভুলুক,/ আমি তো ভুলছি না তুমি সময়ের গর্ভে সহোদরা/ জানি সব শুষে নেয় অন্ধকার। হাওয়া সর্বভুক।/ আমার নিয়তি তবু তোমাকে বিশ্বাস করে মরা!’ নতুন কবিতা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.