
সম্পাদকের বৈঠক : ১
আজ বিশ্ব বই দিবস। বই সম্পাদনা আসলে কী? তার প্রক্রিয়া কী? কীভাবে করা যায় বই সম্পাদনা? আদৌ কি সম্পাদনার নিয়মনীতি, দর্শন বঙ্গমানসে সুস্পষ্ট? এমন নানা প্রশ্নে শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি শুদ্ধব্রত দেব।

আজ বিশ্ব বই দিবস। বই সম্পাদনা আসলে কী? তার প্রক্রিয়া কী? কীভাবে করা যায় বই সম্পাদনা? আদৌ কি সম্পাদনার নিয়মনীতি, দর্শন বঙ্গমানসে সুস্পষ্ট? এমন নানা প্রশ্নে শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি শুদ্ধব্রত দেব।

বিগত কয়েকদিনে তৃতীয় দফার বিজেপি সরকার যা করতে চেয়েছিল, তা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর খানিক বুলডোজারের প্রয়োগ হত তো বটেই, পাশাপাশি ভারতীয় গণতন্ত্রর মূল সুরটা চিরতরে বদলে যেতে পারত। সংসদে তিনটি খসড়া বিল প্রস্তাব করতে চলেছিল শাসক দল।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে সত্যজিৎ রায়, নির্মাল্য আচার্য ও তুষার চৌধুরী।

‘‘আমরা বিরুদ্ধ স্বর শুনলেই খড়্গহস্ত এবং সবসময়ে মুঠোর মধ্যে স্মার্টফোন নিয়ে জোড়হস্ত। কারোর কথা শোনার সময় নেই, আলোচনা করার সময় নেই, কিন্তু প্রচুর ‘অপনিয়ন’ আছে আমাদের, যা অনেক ক্ষেত্রেই আমার মনে হয় ‘রিল’ থেকে ধার করা, ‘রিয়েলিটি’-র বড় অভাব।’’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এবারে সায়ানাইড বিষ-কথার অন্তিম পর্ব।

‘মাল্টিপ্লেক্স এল, সিঙ্গেল থিয়েটার আস্তে-আস্তে কমতে আরম্ভ করল। মাল্টিপ্লেক্স-সংস্কৃতি আমেরিকা-তেই প্রথম শুরু হয়েছিল, কারণ ওরা দেখল লোকজন সিনেমাহল-বিমুখ হয়ে পড়ছে ক্রমাগত। রেস্টুরেন্ট-জামাকাপড়— এসবের মধ্যে সিনেমাহল নিয়ে এলে নাকি, লোকের দেখার সম্ভবনা বেড়ে যায়।’

‘আমি বেশি লাভের মুখ দেখেও, শুধুমাত্র নীতির কারণে সে-পথে পা বাড়ালাম না। আসলে জীবনে কারও কাছে বিন্দুমাত্র কিছু পেলে তাঁর অবদান আমি অস্বীকার করতে পারি না।’

সময়ের বদলে পরিবার নামক তথাকথিত যৌথতাকে পাশ কাটিয়ে মেয়েরাই যখন নিতে চাইছে একক সিদ্ধান্তে মা হওয়ার দায় এবং দায়িত্ব, তখন সেটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তার সম্মত নির্বাচন; অভিমান, কুৎসা বা করুণা কোনও কিছু দিয়েই হেয় করা যাচ্ছে না তাকে।

‘‘১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এল্মহার্স্ট রথীন্দ্রনাথ-সহ কয়েকজনকে নিয়ে ঘুরে গেলেন সুরুল। ফিরে এসে শান্তিনিকেতন বাড়ির দোতলায় রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতিতে শুরু হল পরিকল্পনা। সাহেব আর দেরি করতে চান না। অতএব, পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারিই শুরু হয়ে গেল সুরুলের ‘স্কুল অফ এগ্রিকালচার’-এর কাজ।’’

সিঙ্গল্স-এর মধ্যে অনেকগুলো গানের একসঙ্গে হেরে যাওয়ার ভয় নেই। এই তুলনাটা করা যায়, রেসের মাঠে যাওয়া মানুষের সঙ্গে। যারা বারবার হেরে যাওয়ার পরেও মাঠে যায়, তাদের সঙ্গে পার্থক্যটা এখানেই, সিঙ্গল্স একবারের তুক্কা খেলা। একবার বিফল হলে আবার নতুন করে তার সূচনা, শুরু থেকে।

‘১৯৩৬-এর শুরু থেকেই হাসান শাহিদ সুরাবর্দিকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বুধমণ্ডলীতে। মনে রাখতে হবে, যামিনী রায় তখনও সে-আড্ডার সক্রিয় সদস্য নন, যদিও তাঁর অনুপস্থিতিতেই উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার আড্ডায় তাঁকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলেছে দিনের পর দিন— প্রধানত সুধীন্দ্রনাথ ও সুরাবর্দির আগ্রহেই।’

‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.