
কয়েকটি কবিতা
‘কুকুরপ্রত্যাশী এই মধুবন। দন্তনখশোভা/ তার বড় পছন্দের। গলার পট্টিটি খুলে দিলে/ যে-হুংকার লাফ দেয়, তাকে চাই ভীষণ। অথবা/ শরীরে শরীর দুমড়ে পিষে নিতে চাই অন্ত্যমিলে।’

‘কুকুরপ্রত্যাশী এই মধুবন। দন্তনখশোভা/ তার বড় পছন্দের। গলার পট্টিটি খুলে দিলে/ যে-হুংকার লাফ দেয়, তাকে চাই ভীষণ। অথবা/ শরীরে শরীর দুমড়ে পিষে নিতে চাই অন্ত্যমিলে।’

‘কীসেরই-বা দ্বিচারিতা… ভাবি…/ কে দিব্যি দিয়েছে একচারিতার/ আমরা সকলে খুবই মন্দ লোক/ দু-একটা ভাল কাজ করি… তুমি/ তাও কি দেবে না’

‘সাহিত্যে একটা দেওয়াল আছে, সেই দেওয়ালের এপারে লেখা ‘পাণ্ডিত্য’, ওপারে লেখা ‘প্রতিভা’। মধ্যে যে-সম্পর্ক, সেটা অনেকটা ভাসুর-ভাদ্র বউয়ের সম্পর্কের মতো। সেই সম্পর্কটাকে কেতকী কুশারী মোলায়েম করতে চেয়েছিলেন।’

‘নেরুদাকে যতই বিষণ্ণতা, মৃত্যু এবং বিরহের কবি বলা হোক, আসলে তিনি সর্বক্ষণ নিজের মধ্যে বহন করেছেন এক সহজ স্বতঃস্ফূর্ততা ও জীবনমুখিতা। খুঁজেছেন বিষাদ পেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা এবং তা পেয়েও গিয়েছেন।’

‘এক মাঝরাতে খবর পেলাম, পিন্টুদা আর নেই। শরীর নিয়ে ভুগছিল অনেকদিনই, শেষমেশ লড়াই থামল। আমার ছোটবেলার অনেকখানি অংশ সেদিন ওই আগুনেই পুড়ে গেছিল। তার ছাই এখনও উড়ছে বাতাসে, তাকে আর সারাই করা যাবে না।’

‘ফ্ল্যাটের ঘরটিতে ঢুকেই চমকে উঠলাম। কঙ্কালসার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেন একটি খাটে শুয়ে আছেন। অপরিষ্কার বিছানা, ময়লা চাদর। প্রফুল্ল সেনের পরনে ময়লা একটি ফতুয়া, ময়লা ধুতি লুঙ্গির মতো করে পরা। সারা ঘরে মুড়ি ছড়িয়ে আছে।’

‘তদুপরি ভালবাসা এ-বাগানে ফোয়ারার মতো।/ মনে রাখা ভাল, তার সঙ্গিনীটি পাথরের পরি।/ প্রস্তরের ইতিহাসে যত বৃষ্টি আঘাতসম্মত,/
আমরা ভ্রমণকারী, সেই জলে পুণ্যস্নান করি।’

‘তুমি শুনছ না কিন্তু, আমি রিং রিং রিরিং করে/ বাতাস কাঁপিয়ে চিৎকার করে উঠলেও/ কাজ তো হল না— একচক্র যান নিয়ে অবশেষে ফিরে আসতেই হল এই দেড়শো বছরের/ পুরনো বাড়িতে’

‘উড়ন্ত সে-সীমা থেকে আরও কিছু দূরে গেলে টিলা।/ নীচে যে-শহর, তা আসলে আংটি। শয়তানের হাতে।/ আলো ও শব্দের মধ্যে যুবতীরা সহজ টাকিলা…/ নেশার নিকষ ডানা, উড়ে যাবে কাল, সুপ্রভাতে।’

বাংলা কবিতার এক অবিস্মরণীয় স্বর, কবি পিনাকী ঠাকুর। তাঁকে অকালে হারিয়েছে বাংলা-কবিতা জগত। কিন্তু এমনই দৃপ্ত তাঁর স্বর, পাঠক হিসেবে বারবার ফিরে আসতে হয় তাঁর কবিতার কাছে!

‘পরিক্রমা শেষ হলে মন ফেরে বিছানার কাছে/ শরীর তখন ঘুমে অচেতন। শিয়রে ঘড়িটি/ সাক্ষী থাকে ভ্রমণের, কাঁটা জ্বলে মুহূর্তের আঁচে…/ প্রতিটি মৃত্যুই জেনো নতুন ঘুমের জন্মতিথি।’

কাকে বলে অনুবাদ? কবিতার অনুবাদের ক্ষেত্রে সেই সংজ্ঞা কেমন হয়? মূল কবির থেকে অনুবাদকের সত্তাই কি বড় হয়ে ওঠে?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরলস প্রয়াসে আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছিল রুশ কবিতার অনুবাদ। এবারের পর্বে, সুনীল-অনুদিত রুশ কবিতা…
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.