
মঞ্চই শেষ কথা
‘আজ যে আমি একজন পেশাদার অভিনেতা হয়েছি, তার পিছনে বিরাট অবদান কেতকী দত্তর। অবচেতনে আমার মনের মধ্যে ওই গল্পগুলো, ওই সময়টাকে উনি এনে দিতেন, সেটাই আমার মধ্যে অভিনেতা হওয়ার বীজ বপন করে দিয়েছিল।’

‘আজ যে আমি একজন পেশাদার অভিনেতা হয়েছি, তার পিছনে বিরাট অবদান কেতকী দত্তর। অবচেতনে আমার মনের মধ্যে ওই গল্পগুলো, ওই সময়টাকে উনি এনে দিতেন, সেটাই আমার মধ্যে অভিনেতা হওয়ার বীজ বপন করে দিয়েছিল।’

কেশরবাঈ কেরকর যদি না থাকতেন, তাঁর সমসাময়িক এবং পরের প্রজন্মের নারীরা হয়তো শাস্ত্রীয় সংগীতে এগিয়ে আসতে পারতেন না। তওয়াইফ থেকে পেশাদার সংগীতশিল্পীতে পরিণত হওয়ার প্রতিটি নারীর যে যাত্রা, তা অনেক সহজ হয়ে গেছিল কেশরবাঈ কেরকরের সাফল্যের কারণে।

বন্ধুদের সঙ্গে হঠাৎ একদিন বেড়িয়ে পড়া শান্তিনিকেতনের উদ্দেশে। এই হঠাৎ ছুটির মেজাজেই এই গানটি তৈরি। কোনও পরিকল্পনা ছাড়া আচমকা বেড়াতে যাওয়ার আনন্দই এই গানের নেপথ্যের আসল গল্প।

সংগীতের যে আবহে বড় হয়েছিলেন রাহুল দেববর্মন, তার প্রেক্ষিতে কলকাতায় তাঁর সুরকার বা গায়ক হিসেবে পদার্পণ মোটেই অস্বাভাবিক নয়। তাছাড়া এই শহর তো তাঁর একান্ত আপনার— এ শহর জানে তাঁর প্রথম সব কিছুই !

‘ওই চারচৌকো ঘরই আমাদের রংমহল হয়ে উঠল। মজলিসের জন্যে যে বৈভব লাগে না, লাগে ভালবাসা, সেটা ভাগ্যিস আমরা ওই বয়সেই বুঝতে পেরেছিলাম!’

মানুষ কি জেনেশুনে জন্মায়, যে তার জীবন কোন খাতে বইবে? নিজের অস্তিত্ব মানুষ কীভাবে নির্ধারণ করে? এই সমস্ত প্রশ্ন থেকেই ‘লটারির টিকিট’ গানটার জন্ম। এই গান আসলে সত্যের সঙ্গে কিছুটা বোঝাপড়া।

এক বৈশাখেই তৈরি হয়েছিল ‘কালবৈশাখী’ গানটি। এই গানের ভেতরে কোনও ঝড় নেই, ঝড়ের আভাস আছে শুধু। ঝড় কি শুধু আবহাওয়ায়? মনের মধ্যেও তো ঝড়ের পূর্বাভাস থাকে মাঝে মাঝেই।

‘সে-রাতে, যতদূর মনে পড়ছে, উস্তাদ আশিস খানের সরোদের সঙ্গে বাজাবেন উস্তাদ জাকির হুসেন। জাকিরজি-কে ততদিনে বেশ কিছু আসরে সামনে ব’সে শোনার সৌভাগ্য হয়েছে, আশিস খানের বাজনা তখনও শুনিনি। এই দু’জন জোট বাঁধলে ধুন্ধুমার কাণ্ড হবেই নির্ঘাত! তাই ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’

সিঙ্গল্স-এর মধ্যে অনেকগুলো গানের একসঙ্গে হেরে যাওয়ার ভয় নেই। এই তুলনাটা করা যায়, রেসের মাঠে যাওয়া মানুষের সঙ্গে। যারা বারবার হেরে যাওয়ার পরেও মাঠে যায়, তাদের সঙ্গে পার্থক্যটা এখানেই, সিঙ্গল্স একবারের তুক্কা খেলা। একবার বিফল হলে আবার নতুন করে তার সূচনা, শুরু থেকে।

‘‘রাহুলদেব বর্মণের সংগীতে যে-ছন্দের বৈচিত্র্য, কণ্ঠের ব্যবহার, পরীক্ষার সাহস— সেটা সম্ভব হয়েছিল কারণ তিনি নিজে যেমন অসাধারণ প্রতিভাবান ছিলেন, তেমনই আশা ভোঁসলেও ছিলেন তাঁর এক বিশাল শক্তি। আশা শুধু গায়িকা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ‘রিসোর্স’, এক সৃষ্টিশীল সঙ্গী…’’

তিস্তান আসলে একটা বাড়ি, যে-বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে অজস্র স্মৃতি। প্রথম তিস্তান গানটি রীতিমতো জনপ্রিয় হয়। কিন্তু তিস্তান ২, তিস্তান ৩ না হলে গানের বৃত্তটা সম্পূর্ণ হয় না। আমার ফেলে আসা দিন ধরা আছে এই গানে।

এই গান তৈরি হয়েছে জীবনের এক অদ্ভুত সময়ে। রোম্যান্টিকতা কতদিন বেঁচে থাকে মানুষের জীবনে? বয়স বাড়লে তার স্নিগ্ধতা কমে যায় কি? রোম্যান্টিক সত্তা ছিল বলেই এই গান লিখতে পেরেছিলাম।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.