History সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Representativae Image
সুতীর্থ দাশ

নিঃসঙ্গ সম্রাজ্ঞী

‘সে-যুগে প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য তিনি ১,০০০ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন— যা ছিল তৎকালীন সময়ে এক বিশাল অঙ্ক। অনুষ্ঠান বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন আপসহীন। যে কেউ নিমন্ত্রণ জানালেই তিনি রাজি হয়ে যেতেন না।’

Representative Image
তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার

সংগীত-সাধক

‘সারাজীবন অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন করছেন, ওঁকে কখনও দেখিনি ভুল সময়ে খাওয়াদাওয়া বা অনুষ্ঠান করছেন। উচ্চাঙ্গ সংগীতকে আত্মস্থ করার জন্য যে-অনুশাসন লাগে, নিজের জীবনকেও সেই অনুশাসনে বেঁধে এনেছিলেন।’

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৪১

‘‘‘যুগান্তর’-এ শিক্ষানবিশ সাব এডিটরের কাজ করার ফাঁকে-ফাঁকে আমি ‘ছোটদের পাততাড়ি’তে ছড়া লিখতাম। গৌরাঙ্গ ভৌমিক সম্পাদনা করতেন ‘ছোটদের পাততাড়ি’। প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার বের হত। গৌরাঙ্গদা চাইলেই আমি ছড়া দিয়ে দিতাম। অমিতদা চাইলে ‘রোজনামতা’য় ছড়া দিতাম।’’

Representative Image
রাজর্ষি গুপ্ত

বিস্ময়পুরুষ

‘‘আলেকজান্দার দুমার প্রকাণ্ড দেহের মতোই জীবনের ব্যাপ্তিও সুবিশাল আর চোখধাঁধানো। যেমন ধূমকেতুর মতো তাঁর উত্থান, তেমনই আশ্চর্য তাঁর ফুরিয়ে যাওয়াও। ‘লা প্রেস’ কাগজকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আলেক্সান্দার দুমা আপনাদের জন্য নয়, লেখে নিজের জন্য।’’

Representative Image
দেবত্রী ঘোষ

বিভাজন মুছে দেন যিনি

‘হেমিংওয়ে একবার বলেছিলেন যে, তিনি একজন ভাল মানুষ এবং ভাল লেখক দুটোই হতে চান, কিন্তু তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, কোনওটাতেই তিনি সফল হতে পারবেন না।’

অয়ন মুখোপাধ্যায়

দশ মিনিটের সাম্য

‘উৎসবের দিন অপরাহ্নে বন্ধ দরজার ওপারে চলে এলাহি আয়োজন— দই, ক্ষীর, বিভিন্ন মিষ্টি সহকারে জগন্নাথদেবের ভোগ। এবং ঠিক তখনই মন্দিরের গর্ভগৃহের বাইরে জড়ো হতে থাকেন গুপ্তিপাড়া-সংলগ্ন বেহুলা, আয়দা বা সূর্যপুরের মতো আশপাশের গ্রামের ঘোষেরা। দেখতে-দেখতে চারপাশের চাতাল ছেয়ে যায় হাজার-হাজার মানুষের ভিড়ে।’

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫১

‘জীবৎকালে কম মানুষকে নিয়েই মিথ তৈরি হয়, তাও আবার বিদেশের মাটিতে। সাহেবরাই বলে নানা গল্প। অথচ এই তো সেদিন কে পি সি রং সাইডে গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন, এত কড়া ট্রাফিক আইন, কিন্তু যেই উনি কাচ নামিয়ে বললেন, ‘আই অ্যাম কে পি সি’, অমনি পুলিশ স্যালুট দিয়ে ছেড়ে দিল।’

Representative image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৯

‘সেই কবে ১৯৭৪ সালে তমলুকে শ্যামলকান্তিদের কবিসম্মেলনে, তুষারকান্তি ঘোষকে সে-কথা বলেছিলাম, আর এটা ১৯৮৩ সাল! হতবাক হয়ে গেলাম আমি। এমন মানুষই তো পারেন, চার্চিলের ঠোঁট থেকে চুরুট টেনে নিতে!’

Representative Image
ঋকসুন্দর বন্দ্যোপাধ্যায়

এভাবেও ফিরে আসা যায়

‘দেশভাগের ইতিহাসকে আমরা প্রায়শই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে স্মরণ করি। কত লক্ষ মানুষ উদ্‌বাস্তু হলেন, কত হাজার মানুষ প্রাণ হারালেন, কতগুলো সীমারেখা নতুন করে আঁকা হল। কিন্তু, সংখ্যা কখনও সেই ক্ষতির প্রকৃত গভীরতাকে ধারণ করতে পারে না।’

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫০

‘খবরে তো হরদম শুনি, স্কুলে, রেস্তরাঁয়, শপিং মলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে একরাশ লোক মেরে ফেলার খবর। বন্দুকবাজ ধরা পড়লেই বলা হয় সে নাকি মানসিক রোগী। বড়লোকের দেশটার সর্বস্তরে এত সাইকো থাকলে, রিহ্যাব কি কম পড়িয়াছে?’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ২০

‘আজ থেকে কয়েক বছর পর কি এরকম অঙ্ক আসতে পারে যে, কোন ক্ষমতাশালী মানুষ, চাকরির বিনিময়ে এত টাকা ঘুষ নেন। সেই ঘুষের টাকা থেকে, শতকরা এত এখানে, শতকরা এত ওখানে কাটমানি দিতে হয়। এতজন যদি চাকরি পায়, ক্ষমতাশালীর পকেটে কত টাকা আসবে?’

Representative Image
গৌরব বিশ্বাস

বিষ-রূপ দর্শন: অন্তিম পর্ব

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্‌সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। আজ শেষ পর্বে, অ্যাট্রোপিনের কথা।