
উপল সেনগুপ্ত ও চন্দ্রিল ভট্টাচাৰ্যর সঙ্গে ভৌতিক আড্ডা, ভুতূড়ে গান…

‘পুজো বাঙালির নস্টালজিয়া, এই হুজুগে মাততে বাঙালি ভালবাসে। আর সেই সুযোগে বইপাড়ায় হু-হু করে বিকোয় পুজো বিষয়ক ভাল-মাঝারি-মন্দ সবরকমের বই, সোশ্যাল মিডিয়ায় থিকথিক করে মিথ্যে বা অর্ধ সত্য পোস্ট। উক্ত বইটিও লেখকের কলকাতার পুজোকে ঘিরে আপ্লুত আবেগের অসংলগ্ন প্রকাশ।’

প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ বইটির কবিতাগুলি নিয়ে বেশ বুঝিয়েছিলেন, আমাকে আপন পথটি বেছে নিতে হবে। নানা ধরনের ব্যাপারে আমাকে সতর্কই করেছিলেন তিনি। তাঁর এসব কথা আমার দারুণ লেগেছিল। সে-সময়ে বিস্তর ভেবেছি।
সংবাদ মূলত কাব্য। পর্ব ২০

ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন-এর একটি মেডিক্যাল টিম পৌঁছেছিল গাজায়। সঙ্গে আইভি ফ্লুইডস, স্যালাইন, আইভি অ্যান্টিবায়োটিক। মূলত ট্রমা থেকে সাময়িক স্বস্তি দেয়। যেহেতু পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পোস্ট-ট্রমাটিক ডিজঅর্ডারে ভুগছেন ৬৯% গাজাবাসী। যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্রনিক।

‘ব্যাবেজ নতুন এক পদ্ধতির পরিকল্পনা করেন, যা যান্ত্রিক গণনার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। যন্ত্রকে দিয়ে গণনা করানোর এই দুঃসাহসিক রূপকথাটা কল্পনা করার জন্যই বিজ্ঞানের ইতিহাসে তাঁর জায়গা একদম পাকা।’

‘আমেরিকার চূড়ান্ত পেশাদারি ছাপাখানা যে সময়ের ব্যাপারে কী ভয়ঙ্কর কড়া, মিনিট গুনে চলে, সেটা বারবার টের পেয়েছি হাড়ে-হাড়ে। মেশিন বন্ধ মানে বন্ধই, নির্ধারিত সময়ে পিডিএফ না দিতে পারলে সেরাতের মত নো ছাপা।’
‘ডেটলাইন’ পর্ব। ৩৩

“গাট্টু শুধু একটি রঙ কোম্পানির প্রতীক না থেকে হয়ে উঠেছিল দেশের সকল মানুষের ‘ঘরের ছেলে’।”

‘আজ যদি মারিয়া কোরিনা নির্বাচন জিতে ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তাঁর ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ হবে। তিনিও ক্ষমতার একটি অংশ হবেন মাত্র। খুব বেশি হলে তৈলখনির বিপুল ভাণ্ডার উন্মুক্ত হবে আমেরিকার জন্য। কিন্তু যারা ক্রমাগত ইজরায়েলের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াই করছে, ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে তাদের ব্যক্তিস্বার্থ কী?’

‘সুবোধচন্দ্রের স্পষ্ট মত, রবীন্দ্রনাথের যদি লিখতেন, তবে সে-লেখায় সাফল্যমণ্ডিত অন্ধ চরিত্রের বর্ণনা দেখে হয়তো চক্ষুষ্মান ব্যক্তিদের গতানুগতিক ধারণার বদল আসত। এতে অন্ধদের জীবনে প্রচুর কল্যাণ হত। অলৌকিকতা দিয়ে অন্ধত্বের মোকাবিলা সম্ভব না, সহানুভূতির পাশাপাশি দরকার কিছু বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ।’

শৈল চক্রবর্তীর কাজ মানেই শুধু ‘মজার ছবি’, কিংবা ‘হাসির কমিক্স’ নয়! রয়েছে এক অন্য ইতিহাস…
শৈল চক্রবর্তীর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘একটি ঔপনিবেশিক প্রকৃতি, যাকে মুনাফার জায়গা ছাড়া কিছু ভাবে না ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার বওয়া একটি রাজ্য সরকার, প্রতিরোধের সময় সেটাকেই আবার মুনাফার পরিসর হিসাবে ব্যবহার করছে একটি উত্তর-ঔপনিবেশিক আন্দোলন। এই ঘোলাটে হওয়া পরিসর আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনেস্ট্রেশন দার্জিলিং পাহাড়ের ট্যুরিজমের কেন্দ্র ঔপনিবেশিক একটি শহর থেকে সরিয়ে গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দিতে চায়।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.