
নিজেকে চেনার অস্বস্তি
‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’

‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’

‘‘১৯৪৯ সালের একটি ভাষণে আম্বেদকর বলেছিলেন: ‘সংবিধান যতই উৎকৃষ্ট হোক না কেন, তা সবসময় পরিণতি পায় না, কারণ যারা এটি কার্যকর করতে সচেষ্ট, তার ভাল লোক নাও হতে পারে।’ অর্থাৎ, একটি দেশের সংবিধানকে কার্যকর করবার জন্য যে সৎ উদ্দেশ্যের প্রয়োজন হয়, তার কোথাও ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, এমন উপলব্ধি গোড়াতেই বাবাসাহেবের হয়েছিল।’’

আশা ভোঁসলে বিশেষ করে মেয়েদের স্বাধীন ইচ্ছের কণ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। সোজা কথায় বলতে গেলে মেয়েদের কন্ঠে কোনও আড়ষ্টতা ছাড়াই ‘সেন্সুয়াস’ ব্যাপারটাকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। আর বুঝিয়েছিলেন, এই অনুভূতিটা প্রকাশ করার মধ্যে কোনও লজ্জা বা সংকোচ নেই। আবার অনেক সময়ে অভিনেত্রীরাও ওঁর গায়কী অনুযায়ী নিজেদের অভিনয়কে চালিত করতেন।

‘‘রাহুলদেব বর্মণের সংগীতে যে-ছন্দের বৈচিত্র্য, কণ্ঠের ব্যবহার, পরীক্ষার সাহস— সেটা সম্ভব হয়েছিল কারণ তিনি নিজে যেমন অসাধারণ প্রতিভাবান ছিলেন, তেমনই আশা ভোঁসলেও ছিলেন তাঁর এক বিশাল শক্তি। আশা শুধু গায়িকা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ‘রিসোর্স’, এক সৃষ্টিশীল সঙ্গী…’’

আমরা ভেবেছিলাম গ্রামের মানুষেরা ক্যামেরা হাতে শুধুই বোধহয় নাচের রিল বানাবে, শাক তোলার রিল বানাবে, বাগান করার নানা অজানা উপায় বলবে, কিন্তু আজিবুর যে ধান ভানতে-ভানতে জীবনানন্দ আওড়াবে, সেই আন্দাজ করতে পারিনি। বুঝতে পারিনি পূজারিণী এসে নারীবাদকে এতটা সহজ করে তুলবে, যেখানে সমানাধিকারের প্রতি লড়াইয়ের প্রতিটি বাস্তবতাই স্বীকৃত হবে।

ট্রান্সজেন্ডার আইডেন্টিটি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আত্ম-পরিচয়ই যথেষ্ট ছিল। এখন যে অ্যাক্টটি এল, তাতে লিঙ্গ-পরিচয়কে মানবাধিকার হিসেবে না দেখে, কেবল শারীরিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখা হবে, যা এই সম্প্রদায়ের মানুষজনের কাছে মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার সমান।

‘দয়া করে আমাদের ট্রাইবুনাল দেখাবেন না, ওসব আমরা জানি। যেখানে যেতে বলেছে রাষ্ট্র এই গত ক-মাস, সেখানেই ভোর থেকে গিয়ে লাইন দিয়েছি— সব রকম কাগজপত্র নিয়েই গিয়েছি— সার্টিফিকেট, দলিল, পাসপোর্ট— যা যা আছে সব। তবু কেটে গেছে নাম।’

বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এ-পর্বে সায়ানাইড বিষের কথা…

‘‘মনোবিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপ্রেশান কিংবা অ্যাংজাইটির মাত্রা খানিক কমিয়ে আনার ক্ষমতা রাখে বিবিধ ‘ASMR’ শব্দসমূহ এবং দৃশ্য। কিন্তু চিকিৎসাবিদ্যা কোনওরকম শিলমোহর দেয়নি। অপরদিকে, আরও একটি সত্য বর্তমান।’’

ভাঙন-প্রবণতা ও প্রতিবাদী চেতনাই হয়ে উঠেছে তাঁর সৃজনের উৎস। সেই উদ্দামতা থেকেই তিনি বারবার ভেঙেছেন। বিংশ শতকের প্রথম তিনটি দশকে আধুনিক ও আধুনিকতাবাদী পাশ্চাত্য শিল্পের আঙ্গিকগত বিপ্লবে পিকাসোর যে অবদান, এর সমান্তরাল কোনও কিছু ইউরোপে বা সারা বিশ্বে ঘটেছে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।

‘‘ইতিহাসে ‘অনুপ্রবেশকারী’ কারা, এই প্রশ্নের উত্তর খুব একমাত্রিক নয়, তা এই সহজ ইতিহাস থেকেই অনুধাবন করা যায়। ঐতিহাসিক তথ্য বলছে, আর্যরা ভারতে এসে প্রথমেই প্রাচীনতম দ্রাবিড় এবং প্রোটো-অস্ট্রোলয়েডদের তৈরি সিন্ধু সভ্যতা বা হরপ্পা সভ্যতার ওপর নিজেদের প্রভাব কায়েম করে।’’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, সুবো আচার্য ও কাঞ্চন কুমার।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.