মুহূর্তের ভাষ্যকার

‘একথা মানতেই হবে, রঘু রাইয়ের খুব প্রিয় শহর ছিল কলকাতা। উনি কলকাতায় অসংখ্য ছবি তুলেছেন। নানা সময়ে, নানা পর্বে। কলকাতার যে বৈচিত্র্য, তা রঘু রাইকে মজিয়ে রেখেছিল। রঘু রাইয়ের সঙ্গে কলকাতা নিয়ে কত কথা যে হয়েছে!’

Representative Image

সিঙ্গল : পর্ব ৩

‘মাল্টিপ্লেক্স এল, সিঙ্গেল থিয়েটার আস্তে-আস্তে কমতে আরম্ভ করল। মাল্টিপ্লেক্স-সংস্কৃতি আমেরিকা-তেই প্রথম শুরু হয়েছিল, কারণ ওরা দেখল লোকজন সিনেমাহল-বিমুখ হয়ে পড়ছে ক্রমাগত। রেস্টুরেন্ট-জামাকাপড়— এসবের মধ্যে সিনেমাহল নিয়ে এলে নাকি, লোকের দেখার সম্ভবনা বেড়ে যায়।’

Rajen Tarafdar

আমাদের রাজেনদা

‘‘লেখনীশক্তি খুব জোরদার ছিল রাজেনদার। তাই তরুণ মজুমদার, যিনি কিনা নিজের চিত্রনাট্য নিজেই লিখতেন, সেই তিনিও, দুটো ছবির— ‘সংসার সীমান্তে’ ও ‘গণদেবতা’— চিত্রনাট্য লিখিয়েছিলেন রাজেনদাকে দিয়ে।’’

An obituary of Raja Mitra by Goutam Ghosh

রাজার জন্য এলিজি

ফিচার ছবির পাশাপাশি তথ্যচিত্রও প্রচুর করেছে রাজা। একজন চিত্রশিল্পীর দৃষ্টি থেকেই ও বীরভূমের পটচিত্র নিয়ে ছবি করেছে, কাজ করেছে কালীঘাট পটচিত্র নিয়েও। শিল্প সংক্রান্ত বিষয়ে ওর উৎসাহ ছিল প্রবল। এই কাজগুলোও সেজন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সিনেমাপ্রাণ তনুদা

‘তনুদা ছিলেন আদ্যন্ত একজন সিনেমা-পাগল বাঙালি। বাঙালি দর্শকের জন্য, বাঙালিয়ানার জন্য, বাঙালিদের জন্য সিনেমা বানানো লোক। তিনি বরাবর বাণিজ্যিক ছবি বানিয়েছেন। কিন্তু তাতে যে কী মাধুরী ধরা রয়েছে, তা অনুভব করতে হয়।’ ব্যক্তিগত অনুভব।

সত্যজিৎ, এক অপার বিস্ময়!

‘সত্যজিতের সিনেমাযাত্রা ছিল অনায়াস ও অনাবিল। অথচ নতুন কিছু শেখার তাগিদ ছিল জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। ‘অসম্ভব’ শব্দটা ওঁর অভিধানে ছিল না। শিখে, জেনে, অধ্যয়ন করে সৃষ্টিশীল কাজকে সম্ভব করতে হবে, এই ছিল তাঁর জীবনের মূলমন্ত্র।’ সত্যজিতের মূল্যায়ন।