অম্লান দত্ত পুনে ফিল্ম স্কুলের ছাত্র ছিলেন, বেশকিছু জনপ্রিয় টিভি শোর ডিওপি তিনি; পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র তিনি নির্মাণ করেছেন। তাঁর প্রযোজনা সংস্থার নাম এনিম্যাজিনিয়ার।
বিশ্বনাথ আচার্য টলিউডের নবীন স্থিরচিত্রগ্রাহক; বয়সে ও অভিজ্ঞতায় নবীন হলেও কাজ করে ফেলেছেন, বেশ কয়েকজন কিংবদন্তী পরিচালকদের সঙ্গে। ঋতুপর্ণ ঘোষের জীবনে, শেষ তিনটি চলচ্চিত্রের স্থিরচিত্র তাঁরই তোলা।
চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িয়ে, কাজ করেছেন অসংখ্য বিজ্ঞাপনী ছবিতে। সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে বহু কিংবদন্তী অভিনেতা ও পরিচালকের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন, বর্তমানে সেই ধারা বহমান। একটা দীর্ঘ সময়ের সাক্ষী তিনি।
শুভময় মিত্র ফোটোগ্রাফার, চিত্রকর, গদ্যকার, ভ্রমণবিলাসী। কিন্তু তাঁর সর্বাধিক পারদর্শিতা যে কাজে, তা হল, চব্বিশ ঘণ্টা হো-হো করে হাসা ও কোনও কিছুকেই সিরিয়াসলি না নেওয়ার ভঙ্গি করা। খুব মন দিয়ে জীবনটাকে দেখা ও চাখা তাঁর নিত্যকর্ম, এবং সেই জন্যই বোধহয়, কেউ চাকরি, তকমা বা দায়িত্ব দিতে চাইলেই পিছলে বেরিয়ে যান।
দিন গুজরানের তাগিদে ব্যাঙ্কে কাজ করেন আর নিজের মতো বাঁচার তাগিদে সুযোগ পেলেই শহর থেকে পালিয়ে যান, আর গিয়ে থামেন হয় হিমালয়ের অন্দরে কন্দরে বা অনামী কোনও এক নিস্তরঙ্গ গ্রামে। পাশ্চাত্য সংগীতের ভক্ত তমালের প্রিয় নেশা বই পড়া, গিটার বাজানো আর ছবি আঁকা। মুজতবা আলীর ভক্ত, তাঁর গুরুর মতোই আড্ডা দিতে আর জীবনকে উদযাপন করে বাঁচতে ভালবাসেন।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
জন্ম কর্ম কলকাতায়, ভাষা শিক্ষা গল্পের বই পড়ে। বানিয়ে বলার, বা শিশুকাল হতেই গুলবাজির অমোঘ টান এড়াতে না পেরে আখ্যান রচনায় সিদ্ধহস্ত। একটানা আড্ডাবিলাস সে হুনরটিকে ধারালো করেছে। হাল সাকিন গড়িয়ায় চিতপাৎ, নেশা ছবি আঁকা এবং রান্না। একটি লাল বিড়ালও আছে।
বিশিষ্ট সংগ্রাহক, প্রাবন্ধিক। মেনুকার্ড থেকে স্ট্যাম্প— আগ্রহের বিষয় নানাবিধ। বেড়াতে ভালবাসেন। প্রকাশিত বই: ‘বাহনলিপি’, ‘সেকেলে গপ্পো’, ‘ভ্রমণ: নানা রূপে দেখা’ প্রভৃতি।
শঙ্খদীপ ভট্টাচার্য গল্পকার, প্রাবন্ধিক। পেশায় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তিনটি প্রবন্ধ-গ্রন্থের পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর দুটি গল্প সংকলন। ‘মানুষ সমাজ প্রকৃতি : একটি দেশকালিক বীক্ষণ’ বইটির জন্য ২০২২ সালে পেয়েছেন নমিতা চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য সম্মান। অবসরে লেখকের পছন্দ ছবি আঁকা। বেড়ালের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালবাসেন।