বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। নেশায় কল্পবিজ্ঞান পাঠক, সংগ্রাহক ও গবেষক। বাংলার একমাত্র কল্পবিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা কল্পবিশ্বের অন্যতম সম্পাদক। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কল্পবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু প্রবন্ধ লিখেছেন। সম্পাদনা করেছেন একাধিক কল্পবিজ্ঞানের বই, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং শিবরাম চক্রবর্তীর রচনাসমগ্র।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। প্রাবন্ধিক। উনিশ শতক ও বিশ শতকের বাংলা সাহিত্য ও সমাজকে গবেষণাধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্লেষণ করে চলেছেন।
ঠাকুর পরিবারের সন্তান, সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রপৌত্র। শিক্ষা, শান্তিনিকেতন ও লন্ডনে, কর্মজীবনে , শ্রীনিকেতন, দেরাদুন ও মুসৌরির নানা শিক্ষায়তনে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষর দায়িত্ব সামলেছেন, পাঠভবনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ; লিখেছেন, অজস্র প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা;
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কভারে সিনেমা আর ব্যাক কভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করলেও হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
সৌকর্য ঘোষাল ‘রেনবো জেলি’, ‘পেন্ডুলাম’, ‘ভূতপরী’ প্রভৃতি ছবির পরিচালক। আঁকা ও অ্যানিমেশন তাঁর প্রাথমিক আগ্রহের জায়গা। ছবি তৈরির পাশাপাশি অলংকরণ, গ্রাফিক নভেলের কাজও করে থাকেন।