চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
সন্দীপ রায় চিত্র-পরিচালক, লেখক। ২২ বছর বয়সে সত্যজিৎ রায়ের ‘শতরঞ্জ কি খিলাড়ি’ ছবিতে সহ-পরিচালক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু। পরিচালনা করেছেন তিরিশেরও বেশি সিনেমা। বর্তমানে ‘সন্দেশ’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
প্রাবন্ধিক। বিজ্ঞাপন জগতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। 'কিছু বিজ্ঞাপন কিছু আপন', 'যাহা বলিব সত্য বলিব: বিজ্ঞাপনের সত্যি কথা' প্রভৃতি বইয়ের লেখক। 'ভায়া দার্জিলিং' ছবির পরিচালক।
সৈকত ভট্টাচার্য পেশায় ডেটা সায়েন্টিস্ট, নেশায় লেখক। বর্তমানে ব্যাঙ্গালোর নিবাসী। তাঁর লেখা বই: ‘উত্তরে আছে মৌন’ (২০২১) এবং ‘খামখেয়ালির পথ-পাঁচালি’ (২০১৯)।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
রাজীব চক্রবর্তী পেশায় ভাষাবিজ্ঞানী, নেশায় আর্কাইভিস্ট। নিজের আগ্রহে ডিজিটাইজড করেছেন অজস্র দুষ্প্রাপ্য রেকর্ড। সংগীত নিয়ে নিয়মিত চর্চা করার পাশাপাশি ভালবাসেন বই পড়তে, গান শুনতে, আড্ডা মারতে।
শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনের একজন অভিনেতা। পাশাপাশি হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। সমরেশ মজুমদারের ‘কালপুরুষ’ অবলম্বনে শৈবাল মিত্র নির্মিত ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে চিত্রজগতে প্রবেশ করেন। সন্দীপ রায়ের পরিচালনায় ফেলুদা ধারাবাহিকে তিনি তোপসে চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিখ্যাত হন।
আবীর কর বিশ্বভারতী-র বাংলা বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও গবেষক। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের জামবনি বাণী বিদ্যাপীঠের শিক্ষক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘সহজ পাঠ : বই-চিত্র’, ‘ভোটের রঙ্গ-রসিকতা’। সম্পাদিত বই : ‘অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিত্রাক্ষর ও অন্যান্য’, ‘উনিশ শতকের বিস্মৃত বাংলা প্রাইমার’। পছন্দের বিষয় রবীন্দ্রনাথ, পুরনো পত্রপত্রিকা।
সৌকর্য ঘোষাল ‘রেনবো জেলি’, ‘পেন্ডুলাম’, ‘ভূতপরী’ প্রভৃতি ছবির পরিচালক। আঁকা ও অ্যানিমেশন তাঁর প্রাথমিক আগ্রহের জায়গা। ছবি তৈরির পাশাপাশি অলংকরণ, গ্রাফিক নভেলের কাজও করে থাকেন।
রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কভারে সিনেমা আর ব্যাক কভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করলেও হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।