দেব রায় ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, চলচ্চিত্র-সমালোচক। সহ-লেখক হিসেবে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ও ‘আশ্চর্য প্রদীপ’ ফিল্মে তাঁর লেখা সংলাপ জনপ্রিয় হয়েছে। সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন নানান সময়ে। ‘তরুলতার ভূত’ কাহিনিচিত্রটির নির্মাতা।
সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় লেখক, সম্পাদক, সাংবাদিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক নানান ঘটনাবলি নিয়ে লিখে চলেছেন। এইসব লেখার মধ্যে ধরা পড়ে তাঁর অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রকাশিত বই : ‘একটা কষ্ট লজ্জা ভয়’।
বাংলা গানের জগতে তিনি অন্যতম নাম তথা প্রতিষ্ঠান; শিবপুর বি.ই কলেজের স্নাতক, কর্মজীবনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য স্থপতি পদের দায়িত্বে ছিলেন, মানুষের জন্য ঘর বাঁধার সমান্তরালে চলেছে মানুষের জন্য গান বাঁধা, আজও সে-ধারা প্রবহমান।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
আবীর কর বিশ্বভারতী-র বাংলা বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও গবেষক। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের জামবনি বাণী বিদ্যাপীঠের শিক্ষক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘সহজ পাঠ : বই-চিত্র’, ‘ভোটের রঙ্গ-রসিকতা’। সম্পাদিত বই : ‘অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিত্রাক্ষর ও অন্যান্য’, ‘উনিশ শতকের বিস্মৃত বাংলা প্রাইমার’। পছন্দের বিষয় রবীন্দ্রনাথ, পুরনো পত্রপত্রিকা।
সপ্তর্ষি রায় বর্ধন-এর জন্ম, কর্ম এবং বর্তমান ঠাঁই কলকাতায়। ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতার পাঠ ভবন স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ ও যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। গত তিরিশ বছর ধরে আর্থিক-পরিষেবা ক্ষেত্রে কর্মরত; সঙ্গে সমান্তরালে চলেছে লেখাজোখা। আত্মীয়পরিজন, বন্ধু, সুজনদের সঙ্গে হইচই করে জীবন কাটিয়ে দেওয়াতেই ভাল লাগা। প্রকাশিত দুটি বইয়ের একটি বায়োগ্রাফি ‘রূপকথার মতো’ (২০২৩); অপরটি অণুগল্পের সঙ্কলন ‘খেয়ালের খেরো খাতা’ (২০২৪)।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
কলকাতার রাস্তাঘাটে যত বড় বিজ্ঞাপনের ব্যানার দেখা যায়, তার অধিকাংশ ছবিই সঞ্জীব ঘোষের তোলা। বিজ্ঞাপন দুনিয়ায় তাঁর অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিনের। এছাড়া, নানাবিধ বিষয়ে তিনি ছবি তোলেন, পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। বেশ কিছু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন সঞ্জীব।