সাকিব আল হাসান বাংলাদেশি ক্রিকেটার; অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-২০ আন্তর্জাতিক সংস্করণে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৫-য় ক্রিকেটের তিনটি ফর্ম্যাটেই আইসিসি দ্বারা শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার বিবেচিত। সাকিবকে বাংলাদেশের হয়ে খেলা সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে অনেকেই বিবেচনা করেন।
বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত কবি, চলচ্চিত্র পরিচালক, গদ্যকার। ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মান এবং এথেন্স ও স্পেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট’ পুরস্কার পেয়েছেন। ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মানেও ভূষিত হয়েছেন বারংবার। দীর্ঘদিন সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ছিলেন। ২০১৭ সালে দে’জ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ‘কবিতা সংগ্রহ’।
শুভা মুদ্গল হিন্দুস্থানী ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী। খেয়াল, ঠুমরি-দাদরার পাশাপাশি জনপ্রিয় ভারতীয় সঙ্গীত নিয়েও তাঁর কাজ ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সঙ্গীত সাধনার জন্য পেয়েছেন নানান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ভারতীয় সঙ্গীতের নানা আশ্চর্য জগতের গভীরে তিনি কয়েক দশক ধরে একাধারে সুরকার-গীতিকার, শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং লেখক।
উপল সেনগুপ্ত গায়ক, সুরকার। এছাড়া কার্টুনিস্ট হিসেবেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অনেক ছবি আঁকেন, বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, নতুন প্রতিভা তুলে আনায় তাঁর জহুরির চোখ এবং বড়দা-সুলভ উদারতা তাঁকে অনন্য করেছে।
অনুপম রায় গায়ক, সুরকার, গীতিকার। ২০১০ সালে ‘অটোগ্রাফ’ ছবিতে তাঁর গলায় গাওয়া গান ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ এবং ‘বেঁচে থাকার গান’ তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১৫ সালে ‘পিকু’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনার মধ্যে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ এবং ছবিটির আবহসঙ্গীতের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে ২০১৬ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও ছোটগল্পও লেখেন।
শুভা মুদ্গল হিন্দুস্থানী ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী। খেয়াল, ঠুমরি-দাদরার পাশাপাশি জনপ্রিয় ভারতীয় সঙ্গীত নিয়েও তাঁর কাজ ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সঙ্গীত সাধনার জন্য পেয়েছেন নানান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ভারতীয় সঙ্গীতের নানা আশ্চর্য জগতের গভীরে তিনি কয়েক দশক ধরে একাধারে সুরকার-গীতিকার, শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং লেখক।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
রাস্কিন বন্ড ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ভারতীয় লেখক। আশ্চর্য সরলতায় মোড়া তাঁর সব কাহিনি। প্রথম উপন্যাস ‘দ্য রুম অন দ্য রুফ’ লেখেন ১৭ বছর বয়সে। ছোটগল্প, নিবন্ধ, উপন্যাস মিলিয়ে এ-যাবৎ পাঁচশোরও বেশি লেখা লিখেছেন। সাহিত্যকৃতির জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (১৯৯২), পদ্মশ্রী (১৯৯৯) এবং পদ্মবিভূষণ (২০১৪)।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
অমিতাভ ঘোষ ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক। এখনও পর্যন্ত পনেরোটি বইয়ের লেখক। ‘দ্য শ্যাডো লাইন’স’, ‘দ্য ক্যালকাটা ক্রোমোজোম’, ‘দ্য হাংরি টাইড’-এর মতো উপন্যাস পাঠকমহলে সমাদৃত। সাহিত্যকৃতির জন্য পেয়েছেন জ্ঞানপীঠ সম্মাননা, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কার-সহ আরও একাধিক পুরস্কার।
ঋতব্রত মুখোপাধ্যায় এখনও পড়াশোনা করেন। কিন্তু ছোট থেকেই বড্ড বেশি কথা বলার অভ্যেস। ফলে জেঠু-কাকিমাদের কাছে ‘পাকা’ ছেলে। এ ছাড়া থিয়েটার করেন, আর কেউ নিলে সিনেমায় অভিনয় করেন। তাঁর পরিচয় এটুকুই।
সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় লেখক, সম্পাদক, সাংবাদিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক নানান ঘটনাবলি নিয়ে লিখে চলেছেন। এইসব লেখার মধ্যে ধরা পড়ে তাঁর অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রকাশিত বই : ‘একটা কষ্ট লজ্জা ভয়’।