
এভাবেও ফিরে আসা যায়
‘দেশভাগের ইতিহাসকে আমরা প্রায়শই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে স্মরণ করি। কত লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু হলেন, কত হাজার মানুষ প্রাণ হারালেন, কতগুলো সীমারেখা নতুন করে আঁকা হল। কিন্তু, সংখ্যা কখনও সেই ক্ষতির প্রকৃত গভীরতাকে ধারণ করতে পারে না।’

‘দেশভাগের ইতিহাসকে আমরা প্রায়শই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে স্মরণ করি। কত লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু হলেন, কত হাজার মানুষ প্রাণ হারালেন, কতগুলো সীমারেখা নতুন করে আঁকা হল। কিন্তু, সংখ্যা কখনও সেই ক্ষতির প্রকৃত গভীরতাকে ধারণ করতে পারে না।’

‘গোল করেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন স্কিয়াভিও। কিছুক্ষণ সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকার পর, তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেন। ইতালীয় ফরোয়ার্ড কি প্রবল চাপের মধ্যেে ছিলেন?’

ইতালির প্রথম সারির খবরের কাগজ, খেলার পত্রিকাগুলোও জবরদস্ত সব হেডলাইন করেছিল। কেউ বলেছে তৃতীয় ‘অ্যাপোক্যালিপ্স’, কারও কপি জুড়ে করুণ-ভায়োলিন। আহা রে, গ্রীষ্মের ছুটিতে গোটা ইউরোপ যখন মার্কিন মুলুকে ভিড় জমাবে, আমাদের তখন— ‘কোথাও যাওয়ার নেই, কিচ্ছু করার নেই।’

ডিম ছুড়ে প্রতিবাদ করা, যা ‘এগিং’ নামে পরিচিত, তার ইতিহাস সুদীর্ঘ। শোনা যায়, প্রাচীন রোম এর আঁতুড়। সেখানে রাজপরিবারের সদস্য থেকে থিয়েটারের অভিনেতা— পচা ডিমের হাত থেকে নিস্তার মেলেনি কারুরই। পরবর্তীতে এই ধারা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ডিম ছোড়ার উদ্দেশ্য ঠিক কী?

‘আমারটা বুঝব এবং অন্যেরটা দলেপিষে ছারখার করব— এই অমানবিক স্বার্থপরতাকে দেশের অবশ্যকর্তব্য বলে মাথায় তুলে নাচি। কোনও দলকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রহার-প্রবৃত্তি লকলক না করলে আজ এই মারকুটে-পনার জয় দেখতে হত না।’

‘‘হালফিলের মনস্তত্ত্ব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি যাঁরা করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ‘সাদিজম’ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত। ‘সাদিজম’ বা ‘স্যাডিজম’, অর্থাৎ অন্যের যন্ত্ৰণা থেকে যৌন আনন্দ উপভোগের যে এই ধারণা, তা এসেছে সাদের নাম থেকেই।’’

‘বাইরের জগৎ তখন বদলাতে শুরু করে দিয়েছিল, জনসমাজের লাল টুকটুকে স্বপ্নটি যেন মিলিয়ে যেতে শুরু করে দিয়েছিল; পরিস্থিতির কাছে মানুষ যেন ধীরে-ধীরে আত্মসমর্পণকে মেনে নিচ্ছিল— মনে হয়েছিল আমার।’

চোর স্লোগান আমি একা দিচ্ছি না, আরও পাঁচজন একইভাবে আমার সঙ্গে তিতিবিরক্ত হয়ে রাজনৈতিক নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এটা একটা বৈধতা তৈরি করে আমাদের মনে।

আপনারা তো কালীঘাট মানেই কয়লা, বালি, চাকরি এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ চুরির কথা ভাবেন, কিন্তু মনুকা ছিল ভিন্ন গোত্রের চোর। মনুকা কী চুরি করত জানেন, পাঁঠার মাথা! এটাতেই ওর স্পেশালাইজেশন। পালা-পার্বণে কালীঘাট মন্দিরে অসংখ্য পাঁঠা বলি হত।

বঙ্গে ভোটের উত্তেজনা। নির্বাচন কোথাও উৎসব, কোথাও হাহাকারের উৎস। কখনও রঙ্গ, কখনও রাগ-অনুরাগের সম্মিলনে এই নির্বাচনের উত্তাপের আঁচ পোহাচ্ছেন বঙ্গবাসী। তারই মাঝে প্রথম ভোট দেওয়ার স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন বিশিষ্টরা। আজ লিখছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়…

‘পরিবর্তন কীভাবে আসবে, চুপিসাড়ে না সরবে, তা বলবে পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং সময়; রায় দেবেন জনতা। তবে পরিবর্তন বা প্রত্যাবর্তনের বার্তা শুনতে পায় দেওয়াল। কেননা দেওয়ালেরও কান আছে। ততদিন আমরা চোখ খোলা রাখি দেওয়ালে-দেওয়ালে।’

বিগত কয়েকদিনে তৃতীয় দফার বিজেপি সরকার যা করতে চেয়েছিল, তা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর খানিক বুলডোজারের প্রয়োগ হত তো বটেই, পাশাপাশি ভারতীয় গণতন্ত্রর মূল সুরটা চিরতরে বদলে যেতে পারত। সংসদে তিনটি খসড়া বিল প্রস্তাব করতে চলেছিল শাসক দল।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.